মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

১০ বছরেও শেষ হয়নি ভবন নির্মাণ

প্রকাশিত : ২ এপ্রিল ২০১৫
  • বাসাইল ৫ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ১ এপ্রিল ॥ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির নির্মাণকাজ ১০ বছরেও শেষ হয়নি। গত ৫ বছর ধরে নির্মাণ কাজ একেবারেই বন্ধ করে রেখেছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিকে দায়ী করে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে যতটুকু কাজ হয়েছে তাও হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে। নির্মাণাধীন চারটি ভবনের দুটিতে বিমে ফাটল ধরেছে, সানসেট খসে পড়ছে। নতুন ভবন না হওয়ায় চিকিৎসক ও হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জরাজীর্ণ পুরনো পরিত্যক্ত ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। অন্যদিকে নির্মাণাধীন ওইসব অরক্ষিত ভবনে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। কবে পুনরায় শুরু হবে এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কেউ কিছু বলতে পারছে না। অভিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি হলো কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মেসার্স সোনার বাংলা প্রকৌশল সংস্থা। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন নির্মাণ শিগগিরই শেষ করার দাবিতে ইতোমধ্যে নাগরিক কমিটির ব্যানারে মিছিল সমাবেশ, মানববন্ধন, স্মারকলিপি ও অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছে বাসাইলবাসী।

জানা যায়, ২০০৫ সালে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ১০ জানুয়ারি দরপত্র আহ্বান করা হলে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় কাদের সিদ্দিকীর সোনার বাংলা প্রকৌশল সংস্থা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামো নির্মাণ ও পুরনো ভবন সংস্কারসহ ওই প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পাওয়া কার্যাদেশের শর্তানুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে চারটি ভবনের ৬০-৭০ ভাগ কাজ শেষ হলেও বর্তমানে নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। দুইটি ভবনের ভিম ও দেয়ালে ফাটল, একটি ভবনের দুটি জানালার সানসেট ভেঙে পড়ছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করে বলেন, এদের গাফিলতির কারণেই ১৮ মাসের কাজ ১০ বছরেও শেষ হয়নি। টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ ইবনে সাঈদ বলেন, ভবনগুলোর কাজ শেষ না হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

দেড় মাসে ১৩শ’ মামলা, অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল আটক

নাশকতা ঠেকাতে অভিযান

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজীপুর, ১ এপ্রিল ॥ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতে নাশকতা ঠেকাতে গাজীপুর ট্রাফিক পুলিশ অবৈধ ও কাগজপত্রবিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রায় দেড় মাসব্যাপী এ অভিযানে মোটরযান অধ্যাদেশের আওতায় মোট ১৩শ’ ২৭টি মামলা দায়ের করেছে ট্রাফিক বিভাগ। অভিযানকালে রেজিস্ট্রেশন বা বৈধ অন্য কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারায় মোট ৪৭টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। জেলার মোট ১০টি পয়েন্টে এ অভিযান চালাচ্ছে গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগ।

পয়েণ্টগুলো হচ্ছে- জয়দেবপুর চৌরাস্তা, টঙ্গী স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার বাসস্ট্যান্ড, চেরাগ আলী, কলেজ গেট, মীরের বাজার, গাজীপুরা, চন্দ্রা, বোর্ডবাজার ও মুন্নুগেট।

গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন জানান, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতে মোটরসাইকেল ব্যবহার করে গাড়িতে আগুন দেয়া, নাশকতা চালানো, বোমাবাজির ঘটনা ঘটতে থাকায় এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়।

প্রকাশিত : ২ এপ্রিল ২০১৫

০২/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: