আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পুড়িয়ে মারার দায় সরকারের ঘাড়ে চাপালেন খালেদা

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী ২০১৫
পুড়িয়ে মারার দায় সরকারের ঘাড়ে চাপালেন খালেদা
  • বিএনপিকে হেয় করার চেষ্টা করছে সরকার ॥ অবরোধ চলবে
  • প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপি নেত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশব্যাপী নাশকতার সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ মারা, বাসে আগুন দেয়ার দায় আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন তিনি। তিনি বলেন, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস এখনও সরকার সুপরিকল্পিতভাবে এসব নৃশংস ঘটনা ঘটাচ্ছে। এর মাধ্যমে বিএনপি ও ২০ দলের নেতাকর্মীদের হত্যা, গ্রেফতার ও অত্যাচারের পথ প্রশস্ত করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির চলমান অবরোধ কর্মসূচী চলছে। শান্তিপূর্ণ এ কর্মসূচী পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত চলবে। আপাতত অন্য কোন কর্মসূচী নেই। দেশে বর্তমান সঙ্কটকে রাজনৈতিক সঙ্কট উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিকভাবে এর সমাধান করতে হবে।

তিনি সরকারকে হিংসা ও নাশকতা, অন্তর্ঘাত ও জুলুমের পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অত্যাচার, দমন অভিযান, গণগ্রেফতার বন্ধ করুন। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার কর্মীদের মুক্তি দিন। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকারের ওপর থেকে সব বাধা তুলে নিন। জনগণের ভোট দেয়ার যে অধিকার কেড়ে নিয়েছেন তা ফিরিয়ে দিন এবং অবিলম্বে গ্রহণযোগ্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পদক্ষেপ নিন।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রবিবার গভীর রাতে হঠাৎ করে বিএনপি কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ প্রত্যাহারের পর সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতাকর্মীরা বেগম জিয়ার সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের চাপাচাপিতে নয়, সরকারই আমাকে অবরোধ কর্মসূচী দিতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা যদি শুভবুদ্ধি প্রণোদিত হয়ে বিএনপি কার্যালয় থেকে রবিবার গভীর রাতে বিনা ঘোষণায় পুলিশি অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়ে থাকে তাহলে আমি তাদের স্বাগত জানাচ্ছি।

খালেদা জিয়া বলেন, আমাকে এখানে অবরুদ্ধ করে রাখার আগেই ক্ষমতাসীনরা সারাদেশকে অবরুদ্ধ করে ফেলেছিল। ঢাকাকে সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল। সব যানবাহন চলচল বন্ধ করে দিয়েছিল। এরপর আমি গত ৫ তারিখে এই কার্যালয় থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে আমাকে তালাবন্দী করে রাখা হয়। ট্রাক, জলকামান, সাঁজোয়াযান দিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়। অবরুদ্ধ অবস্থায় আমাদের ওপর নিষিদ্ধ পিপার স্প্রে ছোড়া হয়। এর বিষক্রিয়ায় আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। কী অমানবিক আচরণ আমাদের ওপর করা হয়েছে। তা আপনারা দেখেছেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, অতীতের ধারাবাহিকতায় গত এক বছর ধরে আমাদের এবং দেশবাসীর ন্যূনতম অধিকারগুলো কিভাবে হরণ করা হয়েছে। কিভাবে জুলুম নির্যাতন, গুম খুন, হামলা মামলা চলানো হয়েছে। এমন জঘন্য উস্কানিমূলক ভাষায় আমাদের আক্রমণ করা হয়েছে। তারপরও বার বার একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ৭ দফা প্রস্তাব পেশ করেছি। তারা আমাদের আহ্বান ও প্রস্তাবকে তাৎক্ষণিকভাবে নাকচ করে দিয়ে অস্ত্রের ভাষায় সব দমিয়ে দেয়ার পথ বেছে নিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র নেতাসহ সারাদেশের নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করেছে। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। মিছিলের ওপর গুলি করেছে। টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। জনগণের প্রতিবাদের নিয়মতান্ত্রিক সব পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে। এ অবস্থায় আমরা বাধ্য হয়ে সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ কর্মসূচী পালনের ডাক দিয়েছি। কর্মসূচী চলছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত তা চলতে থাকবে।

আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের কোন সুযোগ না দিতে ক্ষমতাসীনরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। সরাদেশে বিএনপি ও ২০ দলের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ বিরাট মিছিল নিয়ে রাস্তায় নামছেন। সঙ্গে সঙ্গে মিছিলে গুলি চালানো হচ্ছে। কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করা হচ্ছে। পুলিশের ছত্রছায়ায় ক্ষমতসীনদের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা হামলা করছে। এরমধ্যে গুলিতে বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকে আহত হয়েছেন। আমরা তাদের প্রতি গভীর সহানুভূতি জানাচ্ছি। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সম্পর্কে দেশ-বিদেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ক্ষমতাসীনরা নাশকতা ও অন্তর্ঘাতের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশি প্রহরার মধ্যে নারী, শিশু, ছাত্রছাত্রীদের বহনকারী যানবাহনে পেট্রোল বোমা মেরে অনেক নিরপারাধ মানুষকে হতাহত ও দগ্ধ করা হয়েছে। এসব পৈশাচিক বর্বরতার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।

বিএনপি ও ২০ দল নিরীহ নিরপারাধ জনগণকে হত্যা ও তাদের ওপর আক্রমণ করা কিংবা তাদের পুড়িয়ে মারার নৃশংস অপরতৎপরতায় বিশ্বাস করে না। মানুষের জীবনের বিনিময়ে আমরা রাজনীতি করতে চাই না। কখনও করিনি। অতীতে যাত্রবাহী বাসে গানপাউডার মেরে আগুনে মানুষ পুড়িয়ে মারা, বোমা মেরে ও লগি-বৈঠার তা-ব চালিয়ে মানুষ হত্যা এবং পুলিশ খুনের অপরাজনীতি আওয়ামী লীগই করেছে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এখনও সরকার সুপরিকল্পিতভাবে এসব নৃশংস ঘটনা ঘটাচ্ছে। এর মাধ্যমে বিএনপি ও ২০ দলের নেতাকর্মীদের হত্যা, গ্রেফতার ও অত্যাচারের পথ প্রশস্ত করেছে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বোমাবাজদের গ্রেফতার না করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়িতে হানা দিয়ে তাদের আটক করা হচ্ছে। মহিলাসহ পরিবারের সদস্যদের হেনস্থা করা হচ্ছে। যৌথবাহিনীর অভিযানের নামে বিভিন্ন জনপদে লাশের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। এসব হত্যা-নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের আমাগীতে অবশ্যই আইনামলে আনা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর অতীত নিরপেক্ষ ঐতিহ্য বহাল রেখে আইনসম্মতভাবে কর্তব্য পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।

খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্যালয় এখনও তালাবদ্ধ। দলের কেউ নিরাপদে বাসায় থাকতে পারে না। হত্যার উদ্দেশ্যে রিয়াজ রহমানের ওপর গুলি করা হয়েছে। তাঁর গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। বিএনপি নেতা সাবিহ উদ্দিনের গাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে। আমাদের দলের অনেক সিনিয়র নেতার বাসা ও অফিসে গুলি ও বোমা হামলা হয়েছে। আমাদের দলের অফিস অনেক জায়গায় পোড়নো হয়েছে। কাউকে ধরা হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা অনেক জায়গায় অস্ত্র, বোমা ও গুলিসহ ধরা পড়েছে। তাদের সকলকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন পর্যায়ের আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তার প্রতি আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দেশের চলমাণ সঙ্কট নিছক কোন আইনশৃঙ্খলা সমস্যা নয়। এটি রাজনৈতিক সঙ্কট। এই রাজনীতৈক সঙ্কট সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমরা আবারও আহ্বান জানাচ্ছি। সকল প্রতিকূলতার মধ্যে নির্যাতন সয়ে অবরোধ কর্মসূচী অব্যাহত রাখার জন্য বিএনপিসহ সকল স্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

খলেদা জিয়া সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, গত ১৬ দিন ধরে আপনারা আমার এই অফিসের সামনে খোলা আকাশের নিচে তীব্র শীত, বৃষ্টি ও কুয়াশা উপেক্ষা করে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। ২৪ ঘণ্টা পেশাগত কর্তব্য পালন করেছেন। নানা কড়াকড়ি সেন্সরশিপ উপেক্ষা করে দ্রুত সংবাদ পৌঁছে দিয়েছেন। এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, টিভি সেটের সামনে বসে কিংবা সংবাদপত্রের পৃষ্ঠায় আমাদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দেশী-বিদেশী বন্ধুরা, অন্যান্য ব্যক্তি ও সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রতিও ধন্যবাদ। আমাদের দল ও জোটের নেতাকর্মীরা সারাদেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে চলেছেন। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি যখন যেখানে খুশি যেতে পারি তখনই বুঝব আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়নি। আমার কার্যালয় থেকে অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারকেই অবেরোধ প্রত্যাহারের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে। আমরা গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চাই। সরকার আমাদের এই অবরোধ কর্মসূচী দিতে বাধ্য করেছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমার অফিস। অফিসে আমার কাজ আছে। এখানে আমি কাজ করব। জ্বালাও-পোড়াও, বোমা হামলা করে জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তিনি বলেন, এগুলো বিএনপি করছে না। জ্বালাও-পোড়াও করে মানুষ মারছি না। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগই এর সঙ্গে জড়িত। অতীতেও তারা এ ধরনের কাজ করেছে। তিনি বলেন, অবিলম্বে সরকারকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

এর আগে সোমবার বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির ছয় সদস্য বেগম জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আর এ গনি, মাহবুবুর রহমান, মওদুদ আহমদ, আ স ম হান্নান শাহ, নজরুল ইসলাম খান ও সারোয়ারী রহমান।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদার জিয়া গত ৫ জানুয়ারির পর এই প্রথম সাংবাদিকদের সামনে আসেন। এর আগে গত রবিবার গভীর রাতে তার অফিস থেকে পুলিশি বেষ্টনী তুলে নেয়া হয়। তবে পুলিশি বেষ্টনী তুলে নেয়া হলেও সোমবার জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি মাজারে যাননি।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ প্রত্যাহার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে মোতায়েন করা অতিরিক্ত পুলিশ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। গত রবিবার রাত আড়াইটার পর হঠাৎ করে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থাকা পুলিশের দুটি গাড়ি সরিয়ে নেয়া হয়। তাঁর কার্যালয়ের পাশে বর্তমানে পাঁচ-ছয়জন পুলিশ সদস্য রয়েছে। গুলশান-২-এর ৮৬ নম্বর সড়কের প্রবেশমুখ থেকে পুলিশ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে গুলশান কার্যালয়ের সামনে থাকা পুলিশের ভ্যান ও জলকামানও সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এর পরেই সেখানে বেগম জিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর (সিএসএফ) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সিএসএফের একটি গাড়ি ফটকের সামনে আড়াআড়িভাবে রাখা আছে। ফটকের ভেতরেও সিএসএফের একটি গাড়ি আড়িআড়িভাবে রাখা। তবে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের তালা খুলে দেয়া হলেও তিনি তাঁর কার্যালয় থেকে বের হননি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আমার অফিস। অফিসে কাজ রয়েছে। সরকার যদি আমার সব স্থানে যাওয়ার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয় তাহলে বুঝব আমি অবরুদ্ধ নই।

এদিকে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সোমবার এক অজ্ঞাত স্থান থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, মানুষের ভোটাধিকার, নিরাপত্তা ও সার্বিকভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ কর্মসূচী চলছে। তিনি বলেন, এখনও বোধোদয় না হলে যে কোন মুহূর্তে খাদে পড়ে যাবেন। এ দেশের অনেক রক্তস্রোতে স্নাত জনগণ বিজয় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবে না। এদিকে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বাসায় ডিবির নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি। এর নিন্দা জানিয়ে সোমবার বিকেলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি করা হয়।

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী ২০১৫

২০/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: