ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১

ফাইনালে কেটি-মার্তা লড়াই

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২২:৩৯, ৩ মার্চ ২০২৪

ফাইনালে কেটি-মার্তা লড়াই

ফাইনাল নিশ্চিতের পর উৎফুল্ল ব্রিটেনের কেটি বৌল্টার

ডব্লিউটিএ সান ডিয়েগো ওপেনের শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছেন গ্রেট ব্রিটেনের কেটি বৌল্টার। সেই দাপট সেমিফাইনালেও ধরে রাখলেন তিনি। শনিবার শেষ চারের লড়াইয়ে বিশ্ব টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের ৪৯ নম্বরে থাকা এই তারকা ৬-৩ এবং ৬-১ গেমে উড়িয়ে দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বাছাই এমা নাভারোকে। ফাইনালে আজ বৌল্টারের বাধা ইউক্রেনের মার্তা কোস্টিউক।

র‌্যাঙ্কিংয়ের ৩৪ নম্বরে থাকা কোস্টিউকও সেমিফাইনালে ৭-৬ (৭/৪) এবং ৬-১ ব্যবধানে পরাজয়ের স্বাদ উপহার দেন টুর্নামেন্টের শীর্ষ বাছাই জেসিকা পেগুলাকে। দুজনেই অবশ্য ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের জন্য আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে কোর্টের লড়াইয়ে নামবেন। 
কেটি বৌল্টার গত বছরেই ক্যারিয়ারের প্রথম শিরোপা জয়ের দেখা পেয়েছিলেন। নটিংহ্যামে ঘাসের কোর্টে সেই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পর অবশ্য আর কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি তিনি। দীর্ঘ সময় পর সেই আক্ষেপ ঘোচানোর হাতছানি এবার তার সামনে। আর ফাইনাল জিততে পারলে ক্যারিয়ারের প্রথম ডব্লিউটিএ ৫০০ পর্যায়ের কোনো টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজিরও গড়বেন তিনি। চলতি বছরেই ক্যারিয়ারের প্রথম ডব্লিউটিএ শিরোপায় চুমো এঁকেছিলেন এমা নাভারো।

জানুয়ারিতে হোবার্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ২৬ নম্বরের এই তারকা সান ডিয়েগো ওপেনেও ফেভারিটের ট্যাগ গায়ে মেখে কোর্টে নেমেছিলেন। কিন্তু সেমিফাইনালেই তার জয়রথ থামিয়ে দিলেন ব্রিটিশ তারকা। তৃতীয় বাছাইকে হারাতে এদিন বৌল্টার সময় নেন মাত্র ৭৪ মিনিট। এর ফলে চলতি সপ্তাহে শীর্ষ তিনে থাকা দুই বাছাইকে পরাজয়ের স্বাদ উপহার দিলেন তিনি। এর আগে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে আসরের দ্বিতীয় বাছাই ব্রাজিলিয়ান তারকা বিয়াত্রিজ হাদ্দাদ মাইয়াকেও পরাজিত করেছিলেন বৌল্টার।

এর ফলে এটাই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ফাইনাল। সেমিফাইনালের বাধা অতিক্রম করার পর তিনি বলেন, ‘আজ এমন একটা ম্যাচ খেলেছি, যেখানে সবকিছুই সঠিকভাবে হয়েছে। তবে জানতাম যে, জিততে হলে অবশ্যই তার বিপক্ষে ভালো খেলেই জিততে হবে।’ এদিকে, সেমিফাইনালে কোস্টিউকের বিপক্ষে স্বাভাবিকভাবেই ফেভারিট ছিলেন জেসিকা পেগুলা। কিন্তু শীর্ষ বাছাইকে হারিয়ে চমকে দিলেন মার্তা কোস্টিউক। র‌্যাঙ্কিংয়ের পাঁচ নম্বরে থাকা পেগুলাকে হারাতে এদিন তার লাগে ১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। জয়ের পর অবিভূত কোস্টিউক বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে এটা কীভাবে ঘটে গেল তা বলতেই পারব না।

×