ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

বুয়েটে নিরাপত্তাহীনতায় প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা 

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের সুযোগে মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গিগোষ্ঠী

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০০:২০, ৭ এপ্রিল ২০২৪

ছাত্ররাজনীতি বন্ধের সুযোগে মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গিগোষ্ঠী

ছাত্ররাজনীতি

আবরার ফাহাদ হত্যার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে নিষিদ্ধ হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সক্রিয় ছাত্ররাজনীতি। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে বন্ধ হয়েছে সব সংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রম। তবে কাগজে-কলমে নিষিদ্ধ থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সক্রিয় বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী। স্বীকৃত ছাত্র সংগঠনগুলোর অনুপস্থিতির সুযোগে ক্যাম্পাসে গোপনে সংগঠিত হচ্ছে তারা। নানা কায়দায় চালাচ্ছে প্রচার।

নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও এক্ষেত্রে তা কাগজেই সীমাবদ্ধ। এ সুযোগে সম্প্রতি প্রকাশ্যেই প্রচার শুরু করেছে এসব গোষ্ঠী। এসব কার্যক্রম বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফের ছাত্ররাজনীতি চালুর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। 
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, রাজনীতি সচেতন শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব বিকাশের অধিকার ফিরে পেলেও নতুন করে আতঙ্ক দানা বেঁধেছে তাদের মনে। অভিযোগ, তাদের ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য বিভিন্ন উগ্রবাদী ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে শেয়ার করে ছড়ানো হচ্ছে বিদ্বেষ। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় সময় কাটছে ওই শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীদের দাবি, হিযবুত তাহরীর এবং শিবির নিয়ে সোচ্চার থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে তাদের। পাশাপাশি শিবির পরিচালিত বাঁশেরকেল্লা নামক ফেসবুক পেজ থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার এবং বিস্তারিত পরিচয় সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়।
কয়েক বছর আগে বুয়েট শিক্ষার্থী আরিফ রায়হান দ্বীপকে হত্যার আগে একইভাবে প্রথমে উসকানিমূলক গুজব প্রচার করা হয়। পরে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী তন্ময় আহমেদও একইভাবে শিকার হন উগ্রবাদীদের হামলার। 
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর নির্যাতনে মৃত্যু হয় তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের। ওই ঘটনার পর ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়। ফলে রাজনৈতিক কর্মকা- নিষিদ্ধ করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ। এ ঘোষণার পর কিছুদিন নীরব থাকলে ধীরে ধীরে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে নিষিদ্ধ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন।

তাদের মধ্যে অন্যতম ইসলামী ছাত্র শিবির ও হিযবুত তাহরীর। ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে মিছিল-সমাবেশ না থাকলেও পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে তাদের। সম্প্রতি সময়ে প্রকাশ্যেই প্রচার শুরু করেছে তারা। তবে এসব ক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 
শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত বছর ৩০ জুলাই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়ে গ্রেপ্তার হন বুয়েটের ২৪ শিক্ষার্থী। এ সময় তাদের কাছে সংগঠনের বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া যায়। গ্রেপ্তারের তিন দিন পর জামিন পেয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন তারা। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বুয়েট প্রশাসন। যে কারণে ক্যাম্পাসে জোরেশোরে প্রচারে সাহস পায় শিবিরের নেতাকর্মীরা। 
এ বিষয়ে বুয়েটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অরিত্র ঘোষ দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত বছর ৩০ জুলাই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়ে শিবিরের ২৪ জন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অথচ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল। যারা জঙ্গি তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাদের বিচরণ শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকি। 
বুয়েটে কোন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি নেই। তবে আছে সাংবাদিক সমিতি। সেখানেও সদস্যও অর্ধশতাধিক। অভিযোগ রয়েছে- এরা খবর লেখেন না ঠিকই, তবে বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে থাকেন। এই সমিতির সদস্য হিসেবে আছেন শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে টাঙ্গুয়ার হাওড়ে গ্রেপ্তার ২৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয় শিক্ষার্থী। সমিতির এ ছয় সদস্য হলেন মো. ফাহাদুল ইসলাম, খালিদ আম্মার, তানভীর আরাফাত ফাহিম, মাইনুদ্দিন, মো. মাহমুদুল হাসান ও মো. সাইদ আদনান অপি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বুয়েটের এ সাংবাদিক সমিতি সবসময়ই বিতর্ক ও গুজবের জন্ম দিয়েছে। সাংবাদিক না থাকলেও নির্দিষ্ট কোন একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৎপর হয়ে ওঠে এ সংগঠনের কর্মীরা। নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও ফেসবুক পেজ ও নানা গ্রুপ ভিত্তিক কাজ করে তারা। তবে এতদিন এ সংগঠনের কার্যক্রম সামনে না আসলেও টাঙ্গুয়ার হাওড়ে এ সংগঠনের ছয় সদস্য গ্রেপ্তার হওয়ার পর সংগঠনের আসল উদ্দেশ্য ও গোপনে মদতদাতাদের বিষয়টি আলোচনায় আসে। 
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক বুয়েটের এক শিক্ষার্থী দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, এ সংগঠন সবসময় গুজব ও অপতথ্য ছড়াতে ব্যস্ত। এই সংগঠনের কার্যক্রম দেখলেই বোঝা যায়, এটি কারা চালায়। গত বছর এ সংগঠনের ছয় সদস্য শিবির করার কারণে গ্রেপ্তার হয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই। 
এদিকে শিবিরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে হিযবুত তাহরীর সম্প্রতি সময়ে ক্যাম্পাসে বেশ সরব তারা। ক্যাম্পাসের ভেতরে বেশ কিছু স্থানে কিউআর কোডসহ জিহাদি বার্তার পোস্টার লাগিয়েছে হিযবুত তাহরীর। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক আউটলুক ই-মেইলে পাঠানো হয়েছে সংগঠনটির বিভন্ন জিহাদি ই-মেইল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে এক শিক্ষার্থীকে মেইল করা হয়েছে।

মেইলের শিরোনামে লেখা আছে- ‘ছাত্রলীগের আগ্রাসন থেকে আমাদের মেধাবী সন্তানদের কে নিরাপত্তা দেবে?’ সেখানে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানে বুয়েট ক্যাম্পাস সরকারের গু-াবাহিনী দ্বারা পদদলিত হচ্ছে। সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব না দিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার আভাস দিয়ে আন্দোলনকারীর ন্যায্য দাবিকে দমনের চেষ্টা চালাচ্ছে।’ ই-মেইলের শেষে হিযবুত তাহরীরের পক্ষ থেকে ক্ষমতসীন সরকারের বিরুদ্ধে সেনা হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। যা উগ্রবাদী সংগঠনটি বরাবরই করে আসছে।
এ বিষয়ে বুয়েটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অরিত্র ঘোষ দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, ‘হিযবুত তাহরীর ক্যাম্পাসে বেশ সরব। সম্প্রতি সবার মেইলে তারা মেসেজ করছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত। আমরা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ 
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরাই বুয়েটের নিউজ সংগ্রহ করে থাকেন। এজন্য তাদেরও টার্গেট করেছে এসব জঙ্গিগোষ্ঠী। সম্প্রতি সময়ে তাদের মেইল ও হোয়াটস অ্যাপে খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে নানা তথ্য পাঠাচ্ছে। 
এ বিষয়ে একটি কেন্দ্রিক পত্রিকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাবি প্রতিনিধি দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, মেইল ও হোয়াটস অ্যাপে হিযবুত তাহরীর নামে অনেক তথ্য পাঠানো হচ্ছে। কে বা কারা পরিচয় গোপন করে আমাদের অনেকের কাছে এসব তথ্য পাঠাচ্ছে। 
এদিকে নিষিদ্ধ এসব সংগঠনকে এখনই প্রতিহত না করলে শীঘ্রই বুয়েট ক্যাম্পাস জঙ্গি আস্তানায় পরিণত হবে বলে জানিয়েছে সচেতন মহল। বুয়েটে সক্রিয় ছাত্ররাজনীতি না থাকার কারণে এসব শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসব কার্যক্রম বন্ধে ফের ছাত্ররাজনীতি চালুর বিকল্প নেই বলে জানিয়েছে তারা। 
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি দীপক শীল দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, একটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করতে হলে ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্ত রাখতে হবে। বুয়েটে আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর রাজনীতি বন্ধ ছিল, আমরা মনে করি এটি অন্যায় অযৌক্তিক একটি বিষয়। যখন একটি ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনীতি না করতে পারে, তখন সাম্প্রদায় সংগঠনগুলোর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। জঙ্গিবাদের আস্ফলন ঘটে।

সেটা শুধু বুয়েট ক্যাম্পাস নয়, সারাদেশে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই প্রমাণিত। আমরা সবসময়ই ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে। ছাত্ররাজনীতি না থাকলে গণতান্ত্রিক চর্চা থাকে না। আমরা চাই ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির পরিবেশ তৈরি করা হোক এবং ছাত্র সংগঠনগুলোর তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবস্থা করা হোক। 
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্ররাজনীতির চর্চাকে সাংবিধানিকভাবে স্থান দেওয়া হয়েছে। সচেতন নাগরিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ছাত্রসমাজ। তাদের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস আমাদের এগিয়ে চলার পথকে আরও সমৃদ্ধ করে।
বুয়েটে মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে। তারা দেশের উন্নয়নে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাজনীতি ঐতিহ্যগতভাবেই চলে আসছে। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে কেন চিরস্থায়ী ছাত্ররাজনীতি বন্ধ থাকবে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। মাথাব্যথা থাকতেই পারে। সেজন্য ওষুধ খেয়ে মাথাব্যথা কমাতে হবে। মাথা কেটে ফেলা যাবে না। গোপন ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি যারা করে, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরোধিতা করেছে, সেই অশুভ শক্তিকে লালন পালন করা যদি উদ্দেশ্য হয়, সেটি কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। 
ছাত্র সমাজ এটি মানবে না। এই না মানার দায়িত্বটি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি, এটি ছাত্রলীগের দাবি নয়, এটি ছাত্র সমাজের দাবি। আমাদের উচিত দল-মত নির্বিশেষে তাদের পাশে থাকা। 
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, যেখানে গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির পরিসর ও সুযোগ কমে আসে, সেখানে উগ্রবাদী ও মৌলবাদের রাজনীতি প্রসারের একটি আশঙ্কা থেকে যায়। যখন একটি ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক ছাত্ররাজনীতি থাকে তখন সেখানে স্বাভাবিকভাবে এক ধরনের সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠনগুলো গোপনে সবসময় তারা তাদের কার্যক্রম চালায়। প্রত্যক্ষ রাজনীতি সুযোগ যখন বন্ধ থাকে তখন তাদের গোপন কার্যক্রম প্রকাশ্য হয়ে পড়ে। তাদের কাজের ব্যাপ্তিও পরিধি বৃদ্ধি পায়। 
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিশেষায়িত ছাত্ররাজনীতির কথা বলছি। যা আমাদের শিক্ষার্থীদের সমৃদ্ধ করবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বের শিক্ষা মানচিত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে জায়গা করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। যদি এ জন্য কোন রূপরেখা নির্ধারণ করতে হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের আস্থা রক্ষার জন্য যদি কোনো কর্মকা- করতে হয় সেটিকে আমলে নিয়েই আমরা কাজ করব।

×