ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

মুক্তিযুদ্ধে রক্তাক্ত একাত্তর

সেনদিয়া-কালকিনির গণহত্যা স্বজনদের আজও কাঁদায়

সুবল বিশ্বাস

প্রকাশিত: ২২:৫৩, ৯ ডিসেম্বর ২০২২

সেনদিয়া-কালকিনির গণহত্যা স্বজনদের আজও কাঁদায়

মাদারীপুরের সমাদ্দার ব্রিজ অঙ্গন। ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর সম্মুখযুদ্ধে হানাদার বাহিনী এখানে আত্মসমর্পণ করে। ইনসেটে- খলিল বাহিনীর প্রধান খলিলুর রহমান

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা মাদারীপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বিচারে গণহত্যা, গ্রামের পর গ্রাম অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নারী নির্যাতন চালিয়ে বিশ্ব মানবতাকে স্তম্ভিত করে দেয়। শহরে গ্রামে গণহত্যা চালিয়ে লাশগুলো ফেলে চলে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের স্বজনদের লাশ গর্ত খুঁড়ে মাটিচাপা দিয়ে রাখে। তৎকালীন মাদারীপুর মহকুমার যত্রতত্র অসংখ্য বধ্যভূমি রয়েছে। এসব বধ্যভূমির মধ্যে ১৫টি বধ্যভূমি উলেখযোগ্য। এসব বধ্যভূমি সংরক্ষণের অভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কথাগুলো বললেন ’৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলের ‘খলিল বাহিনী’ প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খান। তিনি আরও বর্ণনা করলেন হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধ, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও পাকিবাহিনীর বর্বরতার কথা।
‘খলিল বাহিনী’ প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খান বলেন, ‘মিত্রবাহিনীর সহযোগিতা ছাড়া আমার নেতৃত্বে ৩০০ বীর মুক্তিযোদ্ধা বর্তমান সদর উপজেলার ঘটকচর থেকে সমাদ্দার ব্রিজের পশ্চিম পাড় পর্যন্ত মহাসড়কের দুপাশে প্রায় ৪.কিমিব্যাপী অবস্থান নেয়। ৮ ডিসেম্বর ভোর ৫টায় হানাদার বাহিনী গোলবারুদ, অস্ত্র ও কনভয়সহ তাদের বাঙালি দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘটকচর ব্রিজ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ শুরু“ করে। মুক্তিযোদ্ধাদের তাড়া খেয়ে হানাদার বাহিনী দ্রুত গাড়ি চালাতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে তারা একটি কনভয় থেকে নেমে কভার ফায়ার করতে করতে আরও দ্রুত সব গাড়ি নিয়ে এগোতে থাকে। এ সময় হানাদার বাহিনীর ফেলে যাওয়া কনভয় থেকে মুক্তিযোদ্ধারা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করে নেয়। মুক্তিযোদ্ধাদের গুলি বর্ষণে ভীত হয়ে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করে হানাদার ও তাদের দোসরদের একটি অংশ সমাদ্দার ব্রিজের দুইপাশে পূর্বে তৈরি করা বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়ে পাল্টা গুলি ছুড়তে থাকে।

৮ ডিসেম্বর সারা দিন সারারাত, ৯ ডিসেম্বর সারাদিন সারারাত এবং ১০ ডিসেম্বর সারাদিন সম্মুখ যুদ্ধ চলে মুক্তিযোদ্ধা ও হানাদার বাহিনীর মধ্যে। তুমল যুদ্ধের একপর্যায়ে হানাদার বাহিনীর গোলা-বারুদ শেষ হয়ে পড়লে ১০ ডিসেম্বর বিকেলে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে হ্যান্ডমাইকযোগে পাকি বাহিনীকে আত্মসর্পণের আহ্বান জানানো হয়। এতে সাড়া দিয়ে হানাদার বাহিনী রাইফেলের মাথায় সাদা কাপড় উড়িয়ে বাঙ্কার থেকে বেরিয়ে আসে। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণার সিগন্যাল হিসেবে মিস ফায়ার করা হয়। কিন্তু পাকিস্তানী সেনারা চতুরতার আশ্রয় নিয়ে বাঙ্কার থেকে বেরিয়ে পাশের খাল থেকে পানি, গাড়ি থেকে শুকনো খাবার ও গোলাবারুদ নিয়ে পুনরায় বাঙ্কারে  গোলাগুলি শুরু করে। এতে আমরা ক্ষিপ্ত হয়ে মূহুর্মুহু গুলি বর্ষণ করতে থাকি। মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে সন্ধ্যার আগেই হানাদার বাহিনীর মেজর আবদুল হামিদ খটক আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলেন, ‘মেজর খলিলকো ভেজ দো’। এ সময় মেজর আবদুল হামিদ খটক আমার হাতে রিভলবার, সামরিক টুপি ও বেল্ট খুলে দিয়ে ৩৭ সেনা সদস্য ও ১৬ রাজাকার মুজাহিদ নিয়ে ৫৩ পাকি জলাদ আত্মসমর্পণ করে। এ যুদ্ধে শত্রুর বাঙ্কারে গ্রেনেড চার্জ করে ফেরার সময় শহীদ হন মাদারীপুরের সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু। যুদ্ধে ২০ হানাদার সেনা নিহত হয়। সমাদ্দার ব্রিজে ৩ দিন ২ রাত বিরতিহীন সম্মুখযুদ্ধে পর্যুদস্তু হয় হানাদার বাহিনী। আত্মসমর্পণের পর আমরা আত্মসমর্পণকারীদের অস্ত্রশস্ত্র কভার করে সারারাত সমাদ্দার ব্রিজে অবরোধ করে রাখি। পরদিন ১১ ডিসেম্বর সকালে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কলাগাছিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে। ১২ ডিসেম্বর তাদেরকে মাদারীপুরে এনে সাব-জেলে বন্দি করে রাখা হয়।’
জেলার গণশহীদ পরিবার ও একাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘স্বাধীনতা অর্জনের ৫১ বছর পেরিয়ে গেলেও শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। সরকারি ভাবে ২০১৩ সালে মাদারীপুরের ১০টি বদ্ধভূমি উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্য কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আজও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগ একটি সমীক্ষা করে তা ঢাকায় প্রেরণ করে। যেসব গণকবর বা বধ্যভূমির নাম উলেখ করা হয়েছে তাতেও রয়েছে স্থান নির্বাচনে ব্যাপক ভুলভ্রান্তি। কোন গণকবরে কতজন শহীদের লাশ রয়েছে, কোন তারিখে কিভাবে ঘটনা ঘটেছে তারও কোনো সমীক্ষা করা হয়নি। এদিকে ১৫ বছর আগে মাদারীপুর স্বাধীনতা অঙ্গনে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নাম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতার অভাবে স্মৃতিস্তম্ভে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত স্টোন আজও লাগানো হয়নি। যে কারণে বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে নাম ছাড়াই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।’
বীর মুক্তিযোদ্ধারা আরও বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন (গণহত্যার শিকার বা গণশহীদ) তাদেরকে আজও শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। যাদের আত্নত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, ৫১ বছরে তাদের পরিবার অবহেলিত এবং অবহেলিত তাদের কবরগুলো। এ ছাড়া কালকিনির ফাসিয়াতলা ও শিবচরের গুয়াতলা গণহত্যার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। শিবচরের গুয়াতলার অনেক মুক্তিপাগল মানুষকে হাত-পা বেঁধে পার্শ্ববর্তী আড়িয়াল খাঁ নদে ফেলে দেয় হানাদার বাহিনী। এ ছাড়া সদর থানার মিঠাপুর গণহত্যা, কালকিনির ফাসিয়াতলা গণহত্যা, রাজৈরের সেনদিয়া গণহত্যা ও কালকিনির ভুরঘাটার লালব্রিজ গণহত্যার স্মৃতি আজো স্বজনদের তাড়িয়ে বেড়ায়।’
সরেজমিন অনুসন্ধান করে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলায় ৭টি এবং রাজৈর উপজেলায় ৮টি বদ্ধভূমি রয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার কুকরাইল মৌজার এ. আর হাওলাদার জুট মিলের অভ্যন্তরে জেলার সর্ববৃহৎ বধ্যভূমি। এখানে প্রায় ৭৫০শত মুক্তিকামী নর-নারী ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। বর্তমানে স্থানটি গো-চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। মিলের ডি-টাইপ বিল্ডিংয়ের টর্চার সেলে অসংখ্য নারীকে মাসের পর মাস আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ সুফিয়ার পরিবার অন্যতম।
বীর মুক্তিযোদ্ধ ললিত মোহন ভক্ত বলেন, ‘সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের পূর্ব কলাগাছিয়া সুষেন হালদারের বাড়ির পুকুর পাড় বধ্যভূমি। এখানে ৩৫ জন মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের তারাপদ শিকারীর বাড়ির পুকুর পাড় বধ্যভূমি। এখানে ৬২ জন মুক্তি পাগল মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের মিঠাপুর শিকদার বাড়ি বধ্যভূমি। বর্তমানে এই বধ্যভূমির উপরে গড়ে উঠেছে দ্বিতল ভবন, রয়েছে সরকারি ব্যাংক ও অন্যান্য অফিস। এখানে স্মৃতি ফলক নির্মাণের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের মিঠাপুর গোপীঠাকুরের বাড়ির পিছনে পুকুরের উত্তর পাশে বধ্যভূমি। বর্তমানে সেখানে বাঁশঝাড় ও মরিচ-বেগুনের চাষ করা হচ্ছে। উলেখিত দুটি বধ্যভূমিতে ৫১ জন মুক্তি পাগল মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তথ্য অনুসন্ধান করে ৩৮ জনের নাম পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের চৌহদ্দি হাটখোলা বধ্যভূমি। এখানে ৩০ জন মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছিল। সদর উপজেলার পৌরসভার অধীন কুলপদ্বী সাবেক সরকারি শিশু সদন ভবনের পূর্ব পাশে বধ্যভূমি, যেখানে দোল-যাত্রার ভাঙ্গা মঠ রয়েছে। এখানে ১৬ জন মুক্তিপাগল মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। কুলপদ্মী জেলেপাড়া বধ্যভূমিতে ১১ জন শহীদের লাশ রয়েছে।
রাজৈর থানার সেনদিয়ার শহীদ পরিবারের সদস্য প্রভাষ বাড়ৈ ও শহীদ পরিবারের সদস্য শচীন বারিকদার বলেন, ‘বাজিতপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের কেষ্ট বৈদ্যর বাড়ির পুকুরপাড় একটি গণকবর রয়েছে। এখানে প্রায় ৭০ জন মুক্তি পাগল মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়নের পাখুলা গ্রামের রাসু গাটিয়ার বাড়ির পুকুরপাড় বধ্যভূমি। এখানে প্রায় ৩০ জন মুক্তি পাগল মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের গণেশ পাগলের সেবা আশ্রমের পূর্ব পাশে, যেখানে মেলা অনুষ্ঠিত হয়, সেই পুকুর পাড় বধ্যভূমি। এখানে প্রায় ৭৫ জন মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের সেনদিয়া গ্রামের আলেক ফকিরের বাঁশঝাড় (বুড়ির ভিটা) সংলগ্ন ৩ খালের সংযোগ স্থানে বধ্যভূমি। রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের সেনদিয়া গ্রামের সিদ্দিক মাতুব্বরের বাড়ির দক্ষিণ পূর্ব কোনে বধ্যভূমি। রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের সেনদিয়া গ্রামের শচীন বারিকদারের বাড়ির দক্ষিন পাশে খালের পাড় (গনেশ বারিকদারের বাড়ির সামনে) বধ্যভূমি। রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের সেনদিয়া গ্রামের ডা. রাসু বারিকদারের বাড়ির পাশে বাগানের ভিতরের খালপাড় দক্ষিন পূর্ব কোনে বধ্যভূমি। রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানবাড়ি গ্রামের পূর্ণ চন্দ্র বৈদ্য এর বাড়ির উত্তর পাড় পুকুরের মধ্যে বধ্যভূমি।
রাজৈর উপজেলার সেনদিয়া ছাতিয়ান বাড়ি ও পলিতা গ্রামের ৬টি বধ্যভূমিতে ১২৭ জন নর-নারী শহীদের লাশ রয়েছে। ১৯৭১ সালে (বাংলা ১৩৭৮ সালের ৫ জৈষ্ঠ্য) এই ৩টি গ্রামে এক হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটে। টেকেরহাটের এক চিহ্নিত রাজাকার মহিউদ্দিন মনি হাওলাদারের সহযোগিতায় পাকি সেনা ও তাদের দোসররা ঐ ৩ গ্রামের নিরিহ নর-নারী-শিশুকে ব্রাস ফায়ার করে হত্যা করা হয়। পরে ওইদিন সন্ধায় লাশগুলি উলেখিত ৬টি বধ্যভূমিতে মাটি চাপা দেয় গ্রামবাসি। ওই ঘটনাকে স্মরণ করে স্থানীয় শহীদ পরিবারের সদস্যরা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ২০০৯ সালের ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ ১৪১৬) সেনদিয়া গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে একটি শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করেন। ওই স্মৃতিস্তম্ভে ১২৬ জন শহীদের নাম, সম্বলিত একটি স্টোন লাগানো হয়েছে। সেদিন গণহত্যার সময় পাকিবাহিনী ও তাদের দোসররা অমূল্য কু-ুর ঘরে আগুন দিয়ে ঘরসহ তার বৃদ্ধা মাকে পুড়িয়ে হত্যা করে। বৃদ্ধার নাম না জানার কারণে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে তার নাম খোদাই করা সম্ভব হয়নি। ওই দিন শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহম নের ঘনিষ্ঠ সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাদার মারিনো রিগন।’

 

monarchmart
monarchmart