ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

পরিবেশ রক্ষার জন্য যৌন ধর্মঘটের ডাক

প্রকাশিত: ১৪:৪৪, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

পরিবেশ রক্ষার জন্য যৌন ধর্মঘটের ডাক

শারীরিত মিলনে ধর্মঘটের ডাক পেটার

খাদ্যাভ্যাস না পালটালে যৌনতার পথেও কাঁটা। এই মর্মেই পরোক্ষে পুরুষদের হুঁশিয়ারি দিল পিপল ফর দ্য এথিক্যাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিম্যালস তথা পেটা। সরাসরি নারীদের কাছেই তারা আরজি জানিয়েছে, যাতে এক বিশেষ শ্রেণির পুরুষের সঙ্গে তারা যৌন মিলনে লিপ্ত না হন। ওই পুরুষেরা পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতির জন্য দায়ী। তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে পশুপ্রেমী সংগঠনটি। আর সে কারণেই এবার তাদের ক্ষেত্রে যৌন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে পেটা।

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়‌েছে, পুরুষরা নারীদের তুলনায় বেশি মাংস খায়। তার প্রভাব পড়ে জলবায়ুর উপর। পেটার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য জানিয়েছে, প্লস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, জলবায়ু বিপর্যয়ের জন্য পুরুষরা নারীদের তুলনায় বেশি দায়ী। এর কারণ তারা বেশি মাংস খান। তাদের এই খাদ্যাভাসের কারণেই পরিবেশে ৪১ শতাংশ বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস তৈরি হয়। একটি সাক্ষাৎকারে চিকিৎসক ক্যারিস বেনেটও বলেছেন, গবেষণা জানাচ্ছে, পুরুষরা নারীদের তুলনায় বেশি কার্বন তৈরি করেন। কারণ, তারা বেশি মাংস খান। 

এই প্রসঙ্গে পেটার জার্মানি দফতরের অধিকর্তা ড্যানিয়েল কক্স আরও বলেছেন, ‘মদের বোতল আর বারবিকিউ-এর কাঁটা ধরা সেইসব পুরুষদের কে না চেনেন? এই ‘গ্রিল মাস্টার’-রা মনে করেন মাংস খেয়েই তাদের পৌরুষের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। কিন্তু তারা যে কেবল পশুদের ক্ষতি করেন এমনটা নয়, পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি করছেন এই শ্রেণির পুরুষেরা। আর সেই ক্ষতি রোধ করতেই বিশ্বজুড়ে নারীদের কাছে সেক্স স্ট্রাইক তথা যৌন ধর্মঘটের আবেদন রেখেছে পেটা।

যদিও পেটার এই দাবি ঘিরে ইতোমধ্যেই বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ায়। অনেকেই এই বক্তব্যকে একপেশে বলে চিহ্নিত করেছেন। কেউ কেউ উল্টো এ কথাও বলেছেন যে, মাংস খান এমন নারীর সংখ্যাও তো কম না। সেক্ষেত্রে পুরুষেরাও যদি একইভাবে যৌন ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বসেন, সেক্ষেত্রে বিষয়টি কী দাঁড়াবে? কেউ আবার এই আরজিকে উড়িয়ে দিয়ে অন্য কোনো মাংসাশী পুরুষের সঙ্গেই ঘুরে বেড়ানো এবং আরও বেশি পরিমাণে মাংস খাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে পেটার এই দাবি নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছেন নেটিজেনরা।

এমএইচ

monarchmart
monarchmart