ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন প্রত্যাহার

প্রকাশিত: ১৯:২২, ২১ অক্টোবর ২০২০

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন প্রত্যাহার

অনলাইন রিপোর্টার ॥ কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে টিউশন ফি কমানোসহ কয়েক দফা দাবিতে টানা তিনদিন আন্দোলন চালান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) ক্যাম্পাসের সামনে সমবেত হয়ে তারা এ আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এ সময় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরনিকা তাসনিম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপর ২০ শতাংশ ছাড়, অ্যাকটিভিটিস ফি বাতিলের দাবিতে তিনদিন ধরে আমরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আন্দোলন চালিয়ে আসছি। আমাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ টিউশন ফি ও অ্যাকটিভিটিস ফির ওপর ২০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আংশিক দাবি মেনে নিয়েছে। ২২ অক্টোবর নতুন সেমিস্টারের ক্লাস শুরু হচ্ছে, তাই আমাদের স্যারদের ওপর শতভাগ আস্থা রেখে আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনকে যাতে কোনো দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা না হয়, সে জন্য সব সাধারণ শিক্ষার্থী আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। সবার সঙ্গে আলোচনা করে আন্দোলন প্রত্যাহার করার ঘোষণা করছি। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা সব আন্দোলন ছেড়ে ক্লাসে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন।’ এদিকে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার টিউশন ও শিক্ষার্থীদের একটিভিটিস ফি’র ওপর ২০ শতাংশ ছাড় দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীদের একাংশ এ দাবি মেনে নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও আরেক অংশ দেয়াল টপকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মধ্যে প্রবেশ করে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তারা আন্দোলন ছেড়ে বাড়ি ফিরে যান। পরে বুধবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ সমবেত হয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এর আগে রবিবার (১৮ অক্টোবর) ২০ শতাংশ টিউশন ফি কমানো ও অ্যাকটিভিটিস ফি মওকুফের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীরা। সেদিন আন্দোলনকারীরা উপাচার্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।
×