আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ৩০ °C
 
১ অক্টোবর ২০১৬, ১৬ আশ্বিন ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ঢাকার ৪ নদী দূষণমুক্ত করতে চাই জরুরী এ্যাকশন প্ল্যান

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী ২০১৬
  • রাইন ও টেমস নদীর দৃষ্টান্ত কাজে লাগানো যেতে পারে

শাহীন রহমান ॥ ঢাকার চার নদীকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরী ভিত্তিতে এ্যাকশন প্লান নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে গঙ্গা এ্যাকশন প্ল্যানের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা, অভিজ্ঞতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা গ্রহণ করা যেতে পারে। এছাড়া রাইন ও টেমস নদীর উদাহরণও কাজে লাগানো যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদী দূষণ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হলেও দূষণরোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপই নেয়া হয়নি। দখলরোধে কিছু অভিযান চালানো হয়েছে মাত্র। এছাড়া অন্য কোন উপায়ে ঢাকার নদীগুলো রক্ষা করা যাবে না।

তারা বলছেন গাজীপুর, টঙ্গী, সাভার, কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, রূপগঞ্জ ঢাকা শহরের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যঞ্চল থেকে নির্গত তরল বর্জ্যরে নির্গমনের মুখগুলো নদীর দিক থেকে ঘুরিয়ে নিতে হবে যাতে নদীতে বর্জ্য নিক্ষিপ্ত হতে না পারে। নতুন লাইন তৈরি করে নদীর ধার বরাবর কিনারা দিয়ে দূরে বিশাল বাঁধানো কূপ, শোধনাগার বা কারখানা (রিসোর্স অব রিসাইকেল ইউনিট) স্থাপন করতে হবে। ইউরোপে বর্জ্য নিক্ষেপের ৪ হাজার রিসাইকেল ইউনিট রয়েছে। এর মাধ্যমে মিথেন গ্যাস দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুত উৎপাদন করা হয়। ভারতের গঙ্গা এ্যাকশন প্ল্যানে অনুরূপ প্রযুক্তি গ্রহণ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতের এ্যাকশন প্ল্যানের হিসাবে দেখা গেছে প্রতি এক লাখ নাগরিকের জন্য এ ধরনের একটি ইউনিট স্থাপন করা হলে মাথাপিছু ২৫ টাকা ব্যায় হবে। আর ৩৬ টাকা আয় হবে। এতে প্রকল্প গ্রহণকালীন সময়েই মাথাপিছু ১১ টাকা লাভ হবে।

এছাড়াও ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন ও শিল্প বর্জ্য গৃহস্থালি বর্জ্য নিষ্কাশন, পাগলা পয়ঃনিষ্কাশন শোধনাগার, মেডিক্যাল বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধন, হাজারীবাগ টেনারি স্থানান্তর ও সেখানে সেন্ট্রাল পরিশোধনাগার স্থাপন করা যেতে পারে। শোধানাগারের নির্গত গ্যাস দ্বারা বিদ্যুত উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এছাড়াও শিল্প কারাখানার বর্জ্য শোধনাগার বাধ্যতামূলক করা, বাসা বাড়ির পায়খানার জন্য সেপটিক ট্যাংক ও চোক অয়েল দ্বারা শোধনাগার বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। পানিতেও বিশেষ আলোড়নের মাধ্যমে অক্সিজেন সৃষ্টি করে রোগ জীবাণু ও বীজাণু বংশবিস্তার রোধ করা ও উজানের প্রবাহ দ্বারা ঢাকার চারদিকের নদীর প্রবাহ বৃদ্ধি ও নদীর পানি নবায়ন করা যেতে পারে।

তারা বলেন, ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও হাতিরঝিলের চারদিকে ২/৩ কিলোমিটার দূরত্বে রামপুরা খালে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। ঢাকার বর্জ্য পর্যায়ক্রমে বা স্তরে স্তরে শোধন পরিশোধনের মাধ্যমে ভাটিতেও মেঘনা ও সাগরের সংযোগস্থলে ৩শ’ কিলোমিটার দূরত্বে নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করে সাগরের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে বর্জ্য নেয়া যেতে পারে।

তারা বলেন, দূষণের ভয়াবহ পরিণতি বিবেচনা করে ঢাকা থেকে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ ও টঙ্গী খালের ধার দিয়ে বর্জ্যরে নতুন লাইন স্থাপন করে বর্জ্য পরিবহন করে ডাকাতিয়া নদী অতিক্রম করে মেঘনা ও সাগরের মোহনায় নিরাপদ স্থানে প্রতিস্থাপন সম্ভাব্যতা যাচাই করা যেতে পারে। এতে সাগরের শুষ্ক ও বর্ষাকালের জোয়ারের উর্ধগামী দূরত্ব ও শক্তি বিবেচনা নিতে হবে। দূষিত বর্জ্যের বিষক্রিয়া জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে না পারেÑ এর জন্য পথিমধ্যে বিভিন্ন পরিশোধনাগার স্থাপন করে ক্ষতিকারক বিষাক্ততা হ্রাস করে বর্জ্য নিয়ে যেতে হবে।

পৃথিবীর বহু সভ্যতা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সঙ্গে মারাত্মক দূষণেরও শিকার হয়েছে। প্রাথমিক শোধন করে দূষণের মাত্রা ও বিষাক্ততা হ্রাস করে তরল বর্জ্য সঞ্চালন লাইন টেনে তা নিরাপদ দূরত্বে পরিবহন করে নিয়েছে। বাড়ি বাড়িতে সেপটিক ট্যাংক ও শোধনের চোক অয়েল নির্মাণের প্রযুক্তি জনগণের হাতে পৌঁছে দেয়া এবং প্রতিটি শিল্প কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করে দূষণের মাত্রা হ্রাস করেছে। অথচ ঢাকার পাগলা শোধনাগারের ক্ষমতা ১ লাখ ২০ হাজার ঘন মিটার পানি শোধন করার ক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে এক-তৃতীয়াংশ শোধন করছে। এর ফলে ঢাকা শহরের মাত্র ২০ভাগ শোধন ক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে ২ ভাগ পয়ঃবর্জ্য শোধন হচ্ছে। দূর্বল ও শোচনীয় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় গৃহস্থালি পয়ঃর্বজ্য পানিকে দূষিত করছে। এর সঙ্গে কসাইখানার বর্জ্য, ট্যানারি, ব্লিচিং ও ডাইং রোগীর মলমূত্র রাসায়নিক বর্জ্য সঙ্গে বৃষ্টির পানি একাকার হয়ে নিষ্কাশিত হচ্ছে। নাগরিক সমাজের সভ্যতাকে টেকসই ও সুষম করা যাচ্ছে না।

অথচ লন্ডনের টেম্পস নদী শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দূষণের শিকার হয়েছে। টানেল স্থাপন ও সঞ্চালন লাইন দ্বারা লন্ডন ও ওয়েস্টমিনিস্টারে বিদ্যামান স্যুয়ারেজ লাইন বিভিন্ন মেরেডিয়ানে ভাগ করে এবং একত্রে সংযোগ করে ৩৪৫ কিলোমিটার দূরে নর্থ সি এলাকায় বর্জ্য ডাম্পিং করে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম শহরের দূষিত টেমস নদীকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করেছে। জীববৈচিত্র্য দ্বারা পরিবেশ প্রতিবেশ ভারাসম্য করেছে। পরলোকগত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের শাসনামলে টেমস নদীর দূষণ ও দখলমুক্ত করা হয়। বর্তমানের লন্ডন শহরে বর্জ্য শোধন পরিশোধনের মাধমে আধুনিক ও যুগোপযোগী অভিযোজনের সংস্কার করছে।

বিআইডব্লিটিএর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ তার দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য নদীর পানির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই নদী দূষণরোধে টেকসই ও স্থায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে আত্মস্থ করা, বিভিন্ন দেশে কারিগরি প্রযুক্তিও কাজে লাগানো যেতে পারে। যেহেতু আমাদের সভ্যতা সুদীর্ঘকাল ধাবমান থাকবে তাই। দেশে অনেক মেধাবী, পরিবেশ বিজ্ঞানী, বিজ্ঞ প্রাজ্ঞ অনুরূপ পেশায় বিশেষায়িত ব্যক্তি রয়েছেন। যারা দেশ ও জাতিকে এক মারাত্মক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা তীর থেকে গাজীপুরে উত্তর সীমানা, পশ্চিমে ধলেশ্বরী পূর্বে মেঘনী নদীর মধ্যবর্তী ১ হাজার ৫২০ বর্গকিলোমিটার এলাকার সঙ্গে ঢাকার চারদিকের জেলাগুলোয় একীভূত হচ্ছে। ফলে ঢাকার ২ কোটি নাগরিক ও বৃহত্তর ঢাকার ৭ হাজার শিল্প কারখানা থেকে নির্গত ১.৩ মিলিয়ন ঘনমিটার বর্জ্য। এসব শিল্প কলকারখানার দূষণের ৬০ ভাগই ঢাকার চারদিকে নদনদী খাল জলাশয়ে পড়ছে। এর মধ্যে ০.৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গৃহস্থালি ও শিল্প তরল ও কঠিন বর্জ্য সরাসরি নিকটবর্তী নদ-নদী, জলাধার, খাল, নর্দমার পানির সঙ্গে পরিবেশ বিষাক্ত করে তুলেছে। আশংকা করা হচ্ছে নদী দূষণের কারণে যে কোন সময় মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। এ কারণেই দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা আজ এক কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়ে পড়ছে। তাদের মতে জাতিসংঘের মিলিনিয়াম গোল-এর সাফল্য নির্ভর করছে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাপর উপর। এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ড ১১ হাজার ৬শ’ কি.মি. পয়ঃসঞ্চালন লাইন ও ২৩৩টি পাম্প স্টেশন দ্বারা প্রাথমিকভাবে রোগজীবাণু ও বীজাণু পরিহার করে পানি শোধনে দক্ষতা অর্জন করেছে। দেশে এ ব্যবস্থা নেয়া গেলে নদীর দূষণরোধ করা সম্ভব হবে।

তারা পশ্চিম ইউরোপে সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও নেদারল্যান্ডের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত রাইন নদীর উদাহরণ দিয়ে বলেন, জনবহুল সমৃদ্ধ অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে উত্তর সাগরে পড়েছে নদীটি। রাইনের তীরে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের বহু বিদ্যুতকেন্দ্র অবস্থিত। এক সময় মারাত্মক দূষণের শিকার হয়ে ৫৭ প্রজাতির মাছ ধ্বংস হয়ে বিষাক্ত হয়েছিল পানি। জার্মান সরকার ও ইউরোপীয় কর্তৃপক্ষ রাইনকে জাগিয়ে তুলেছেন বিশাল প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে রাইন জীবন ফিরে পায়। বর্তমানের বুড়িগঙ্গার জীর্ণশীর্ণ নোংরা ও দূষণকে মধ্য ইউরোপের রাইন ও লন্ডনের টেমস নদীর দূষণকালীন কৃষ্ণ বর্ণ ও মলিনতার সঙ্গে তুলনা করা হয়ে থাকে।

শুধু রাইন নয়, ২১৫ মাইল দৈর্ঘ্যরে টেমস নদীও একসময় লন্ডন ও ওয়েস্ট মিনিস্টার এলাকার বর্জ্য দ্বারা কালো কুচকুচে রূপ ধারণ করে। লন্ডনের টেমস নদী ১৯ শতকের মাঝামাঝি থেকে নয়, বহুপূর্বে রোমান সাম্র্রাজ্যের শাসনামল থেকে খোলা উন্মুক্তভাবে কাঁচা পায়খানা নির্বিচারে নির্গত হতো। লন্ডন ব্রিজের উপর পাবলিক টয়লেট অবস্থিত ছিল। একসময় টেমসের তীরে অবস্থিত কারাগারের কয়েদীরা অভিযোগ উত্থাপন করে যে তাদের টেমসের বিষাক্ত দুর্গন্ধের সাহায্যে ধীরে ধীরে হত্যা করা হচ্ছে। তৎকালীন লন্ডন শহরে ৩ মিলিয়ন বর্তমানে প্রায় ১০ মিলিয়ন নাগরিকে বর্জ্য নিক্ষিপ্ত হওয়া টেমস খোলা নর্দমায় পরিণত হয়। বিশ্বের বৃহত্তম শহরের সকল মলমূত্র টেমসে প্রবাহিত হতো। ১৫৩৫ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আইন পাস করে টেমসের মধ্যে মলমূত্র আবর্জনা, গার্বেজ নিক্ষেপ ও নিঃসরণ নিষিদ্ধ করা হয়। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। চরম অবনতিশীল অবস্থায় উপনিত হয় টেমস। বর্জ্য ভাসতে থাকে পানির উপরে, নগরে মহামারী ছড়ানোর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়া ও এ্যালবার্ট টেমস ভ্রমণে বের হলে নদীর পানির দুর্গন্ধে টিকতে না পেরে দ্রুত তীরে নেমে পড়তে বাধ্য হন।

অথচ বর্তমানে এসব আন্তর্জাতিক নদীর মতোই রাজধানী ঢাকা ও শহরকেন্দ্র থেকে বহির্মুখী পয়ঃবর্জ্য এবং ঢাকার চারপাশে ঘুরে থাকা শিল্পবর্জ্য সরাসরি প্রবাহিত হয়ে নদী, জলাশয়গুলো প্রতিনিয়ত ভয়াবহ দূষণের শিকার হচ্ছে। তাদের মতে, নয়টি চিহ্নিত অঞ্চল থেকে শিল্প বর্জ্য নির্বিচারে নদী দূষণ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে টঙ্গী, হাজারীবাগ, তেজগাঁও, তারাবো, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, ডিইপিজেড, গাজীপুর, ঘোড়াশাল এর ফলে ঢাকা চারদিকে ১১০ কিলোমিটার নদী ও পার্শ¦বর্তী এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ দূষণের শিকার আজ।

তাদের মতে, গঙ্গা পৃথিবীর অন্যতম বহুল দূষিত নদী। কলকাতা অংশে হুগলি নদী দূষিতের প্রধান কেন্দ্র। ভারত সরকার ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা কর্তৃপক্ষ গঠন করে ১২টি রাজ্যের ৩৯টি পয়েন্টে পানির নমুনা পরীক্ষা করেন। পানির দূষণের পরিমাণ বিবেচনা করে ৪টি অঞ্চলে ভাগ করেছে। হরিদ্বার থেকে কনৌজ, কনৌজ থেকে বেনারস, বেনারস থেকে পশ্চিমবঙ্গ বহরমপুর ঘাট ও বহরমপুর থেকে উলুবেড়িয়া। প্রথমে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা গঙ্গার গতিপথে ১০০টি শহরের পানি আটকিয়ে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে পরিশোধন করে ৯২ ভাগ দূষিত পদার্থ দূর করে গঙ্গার জলকে পানযোগ্য করার চেষ্টা নেন। ১৯৮৫ সালে গঙ্গা এ্যাকশন প্ল্যান চালু করে ২৬২টি ছোট ও মাঝারি আকারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এতে অববাহিকার ৭৫ ভাগ দূষণকারী পৌর পয়ঃনিষ্কাশন তরল শিল্পবর্জ্য শোধন টয়লেট কমপ্লেক্স ও মানুষের অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া সম্পন্নে বৈদ্যুতিক দাহন চুল্লি নির্মাণ ও স্নানঘাটের উন্নয়ন ও নদী পয়েন্টের উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বর্তমানে হরিদ্বার থেকে কনৌজ পর্যন্ত অনেকটা দূষণমুক্ত। গঙ্গার জল গোসল করার উপযোগী করা হয়েছে।

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী ২০১৬

১৪/০১/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: