হালকা কুয়াশা, তাপমাত্রা ১৭.৮ °C
 
২০ জানুয়ারী ২০১৭, ৭ মাঘ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

দুই সপ্তাহেও স্বাভাবিক হয়নি শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস

প্রকাশিত : ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৬:৪৮ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি সার্ভিস ১৩ দিনেও স্বাভাবিক হয়নি। বুধবার ফেরি ক্যামেলিয়া, কুসুমকলি, ফরিদপুর ও কাকলী চলেছে। তবে নাব্য সঙ্কপে ভোরে লৌহজং টার্নিংয়ে আকা পরে ফেরি ক্যমেলিয়া। খান্টাখানেক পরে উদ্ধা হয়। একই ফেরি কাকলী মঙ্গলবার একই পয়েন্টে আটকা পরে ফিরে আছে শিমুলিয়ায়। তবে জোয়ারে বুধবার আবার গন্তব্যে গেছে কাকলী। নাব্য সঙ্কট ও তীব্র ¯্রােতে এখনও ফেরি সার্ভিস মারত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে।

এদিকে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের পলি অপসারণে সিনো হাইড্রো কর্পোরেশনের একটি ড্রেজিং বুধবার পুরোদমে কাজ কাজ করছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে পদ্মা সেতুর নদী শাসনের চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ড্রেজার লৌহজং টানিং এই কাজ শরু করছে। এ

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (ড্রেজিং) সুলতান আহমেদ খান জানান, সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন বিকাল থেকে ডুবোচরটি কাটতে শুরু করেছে। প্রায় ১২ শ’ ঘনমিটার বিস্তৃত এ চরটির ৫ থেকে ৬ লাখ ঘন মিটার মাটি কেটে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ছিল। তবে প্রকৃতিও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রাকৃতিক কারণে ও পদ্মার ¯্রােতে প্রায় ৬ শ’ বর্গমিটার এলাকা হতে ডুবোচরটি ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। এখন শুধু ৫-৬ শ’ বর্গমিটার এলাকা হতে মাটি অপসারণ করবে সিনো হাইড্রো করর্পোরেশন। বিআইডব্লিউটিএর ৪টি ড্রেজার নাব্যতা সংকট নিরসনে কাজ করলেও পদ্মার প্রচন্ড ¯্রােতের সাথে পাল্লা দিয়ে খনন কাজ চালাতে পারছিলনা। তাই অন্ত: মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদ্মা সেতুর নদী শাসনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রোর চীন থেকে আনা দুটি শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে লৌহজং টানিং পয়েন্টে ড্রেজিংয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

শুক্রবার পদ্মা সেতুর দোগাছি সার্ভিস সেন্টারের অফিসে এক যৌথ সভায় সিদ্ধান্ত হয় গত শনিবার থেকে সিনো হাইড্রোর ড্রেজার দুটি মাটি অপসারণের কাজ শুরু করার। কিন্তু পদ্মায় প্রচন্ড ¯্রােতসহ প্রতিকূল পরিবেশ থাকায় ড্রেজার দুটি স্থাপন না করতে পারায় ড্রেজিংয়ে কিছুটা বিলম্ব ঘটলো। তিনি আরো জানান, এ দুটি ড্রেজার প্রতিদিন কম করে হলে ৫০ হাজার ঘনমিটার মাটি কাটতে সক্ষম।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া অফিসরে ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, পদ্মার ¯্রােতধার অপরিবর্তিত থাকায় ফেরি পারাপারে আগের মতই অচলবস্থা বিরাজ করছে। তবে ‘কুসুমকালি’ ও ‘ক্যামেলিয়ার’ সাথে ‘ফরিদপুর’ ফেরিসহ ৪টি ফেরি চলাচল করেছে। কিন্তু এর ট্রিপ সংখ্যা ছিল কম।

উল্লেখ্য নাব্যতা সংকটের কারণে তিন সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে রো রো ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর পর পদ্মায় প্রচন্ড ¯্রােত শুরু হলে গত ১৩ দিন ধরে নাব্য সঙ্কট ও তীব্র ¯্রােতে ছোট ও মাঝারী ফেরিগুলো ¯্রােতের প্রতিকূলে চলতে না পারায় শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচলে অচলবস্থার সৃষ্টি হয়।

প্রকাশিত : ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৬:৪৮ পি. এম.

০২/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: