মূলত মেঘলা, তাপমাত্রা ২৮.৯ °C
 
২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, ১০ ফাল্গুন ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ফেরি চলাচল শুরু

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট ২০১৫, ১১:৪৭ এ. এম.
ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ফেরি চলাচল শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা,ভোলা॥ টানা ৭ দিন বন্ধ থাকার পর ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ফেরিচলাচল শুরু হয়েছে। ভোলার ইলিশা বিশ্ব রোডের নতুন ফেরিঘাটটি গত ২৩ আগষ্ট মেঘনা নদীর ভাঙ্গনে বিধ্বস্ত হলে বিআইডব্লিউটিএ সংস্কার করার পর রবিবার সকাল ১০ টায় এ ঘাটটি চালু হয়। এতে করে দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার সাথে বন্দর নগরি চট্রোগ্রামের সহজ যোগাযোগ আবার স্বাভাবিক হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, উজান থেকে ধেয়ে আসার পানির তোরে ও মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনের মুখে গত ২৬ জুলাই প্রথম ভোলা-লক্ষীপুর মহা সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তখন ১৫ দিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর বিআইডিব্লিউটিএ ইলিশা বিশ্ব রোডের মাথায় দ্বিতীয় ফেরিঘাট নির্মান করে। কিন্তু ২ সপ্তাহ যেতে না যেতেই গত ২৩ আগষ্ট আবার ভাঙ্গনের মুখে পড়ে বিশ্ব রোডের মাথার নতুন ফেরিঘাটটি। ফেরিঘাটের এপ্রোচ রোডের মাথার পাইলিং এবং গ্যাংওয়ের নিচের মাটি ধ্বসে পড়ে। এতে করে যাত্রীসহ ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়ে।

বিআডব্লিউটিসির ভোলা ফেরি সার্ভিসের ব্যবস্থাপক আবুল আলম হাওলাদার জানান, লক্ষীপুর মৌজু চৌধুরীর ঘাট থেকে বিআইডব্লিউটিসির কনক চাপা নামে একটি ফেরি রবিবার সকাল ১০ টায় ভোলা ইলিশা বিশ্বরোডের মাথায় ফেরিঘাটে বাস ট্রাক নিয়ে আসে। এর পর ভোলা থেকে আটকে থাকা পরিবহন নিয়ে নিয়ে লক্ষীপুরের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়।

তবে বর্তমানে এই ঘাটটি ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় হওয়ায় যে কোন সময় আবারও বিধ্বস্ত হতে পারে। তাই জরুরী ভিত্তিতে নদী শাসন করে স্থায়ী ভাবে একটি ফেরিঘাট নির্মান জরুরী বলে মনে করছে স্থানীয়রা।

বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল অঞ্চলের সহকারি প্রকৌশলী মোঃ মতিউল ইসলাম জানান,তারা এ ঘাটে সার্বক্ষনিক নজর রাখছেন। যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তা হলে তাৎক্ষনিক তা সংস্কার করা হবে।

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট ২০১৫, ১১:৪৭ এ. এম.

৩০/০৮/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: