মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

তিন ব্রিটিশ স্কুলছাত্রী এখন সিরিয়ায়

প্রকাশিত : ৫ জুলাই ২০১৫
  • আইএস সদস্যকে বিয়ে করেছে দু’জন ॥ টেলিগ্রাফ ও গার্ডিয়ানের তথ্য

জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিতে সিরিয়ায় যাওয়া তিন ব্রিটিশ স্কুল ছাত্রীর খোঁজ পেয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফ। সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, আইএসের শক্তঘাঁটি সিরীয় শহর রাক্কার একটি কম্পাউন্ডে সংগঠনটির প্রতি আনুগত্য পরীক্ষার জন্য প্রথম কয়েক মাস তাদের কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখা হয়। কম্পাউন্ডটি বিধবা ও হবু জিহাদি কনেদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এদিকে এই তিনজনের মধ্যে দু’জন আইএসের অনুমোদিত দুই ব্যক্তিকে বিয়ে করেছে বলে তাদের পরিবার আরেক ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানকে জানিয়েছে। পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রীন স্কুলের তিন ছাত্রী শামিমা বেগম (১৫), খাদিজা সুলতানা (১৬) ও আমিরা আবাস (১৫) ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটেন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় যায়। বিবাহিত দুই কিশোরীকে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এদের একজন ফোনে, অপরজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিবারকে জানায়, তাদের বিয়ে হয়েছে এবং তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় আতঙ্কের মধ্যে আছে। পরিবারের অনুরোধে গার্ডিয়ান এই দু’জনের নাম প্রকাশ করেনি। তাদের বিয়ের খবরে তাদের পরিবার ভেঙে পড়েছে এবং তাদের মেয়েদের যে ফিরে আসার ক্ষীণ আশা ছিল তাও মিলিয়ে গেল। ছাত্রীরা বলেছে, রাক্কার ভেতরে এবং এর আশপাশে কয়েক সপ্তাহ একসঙ্গে থাকার পর এখন তারা আলাদা আলাদা আছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০-এর কোটার ওই দুই স্কুলছাত্রীর বিয়ে বয়স্ক দুই ব্যক্তির সঙ্গে হয়েছে। ছাত্রীদের পরিবারের আইনজীবী তাসনিম আকুঞ্জি বলেছেন, তাদের বিয়ের খবরে তাদের পরিবার খুবই মর্মাহত। টেলিগ্রাফের শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, স্বয়ংক্রিয় কালাশনিকভ রাইফেলধারী এক নারীর সঙ্গে রাক্কার রাস্তায় বাজার করছে দুই স্কুলছাত্রী। তবে ওই ছাত্রীদের পরিবার বিশ্বাস করে না যে, এরাই তাদের মেয়ে। ভিডিওর তিন মেয়েকে চিহ্নিত করা যায়নি। কারণ তারা সবাই বোরকা ও নেকাব পরা ছিল। আইএস বিরোধী একটি সংগঠন ‘আই অন দ্য হোমল্যান্ড’ ভিডিওটি আট সপ্তাহ আগে করেছে। সংস্থাটি বলেছে, ওই মেয়েরা যখন রাক্কায় পৌঁছায়, তখন তাদের একটি কম্পাউন্ডে আটকে রেখে আইএসের প্রতি আনুগত্য পরীক্ষা করা হয়। সেখানে তাদের উম লাইছ (মাদার অব দ্য লায়ন) নামে পরিচিত এক নারীর তত্ত্বাবধানে রেখে খিলাফত চর্চার মাধ্যমে ধীরে ধীরে ‘তাদের পশ্চিমা মন শুদ্ধ’ করার কাজ করা হয়। সংস্থাটি দাবি করেছে, প্রথম মাসগুলোতে রাক্কার নেতারা তাদেরকে বিশ্বাস করেনি।

প্রকাশিত : ৫ জুলাই ২০১৫

০৫/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: