মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

কেশবপুরে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের মধ্যে মারামারি

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫, ০১:৫৪ পি. এম.

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেশবপুর ॥ কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের মধ্যে শুক্রবার রাতে হামলা, ভাংচুর ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শহরে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের জের ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আজিজুর রহমানসহ ৫/৭ জন শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে শহরে সোনালী ব্যাংকের সামনে মেহেরে মার্কেটের দুই তলায় গিয়ে যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুজ্জামান শহিদকে মারপিট করে। এরপর যুগলীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে ওই রাতেই শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। শহিদ গ্রুপ পাইলট স্কুলের সামনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর বিপুল সিদ্ধিকীর বাড়ি হামলা করে ভাংচুর করে। এ সময় শহরে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। রাত পৌনে এগারটার দিকে বিপুল সিদ্দিকীর গ্রুপ উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমীর হোসেনের বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর করে। এতে চেয়ারম্যানের স্ত্রী ও কন্যা আহত হয়েছে।

বিপুল সিদ্দিকী জানান, পূর্বশত্রুতার জের ধরে শহিদকে মারার সূত্র ধরে উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমীর হোসেন তার বাড়িতে হামলা করিয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান জানান, শহিদকে মারার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্যেশে বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর করা হয়েছে। বিপুল সিদ্দিকী ও আমীর হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। যদিও তারা সম্পর্কে শালা-ভগ্নিপতি। ঘটনার পর থেকে শহরে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে সার্বক্ষনিক শহরে পুলিশ টহল দিচ্ছে। থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন জানান, আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের কারনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় উভয় পক্ষের মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫, ০১:৫৪ পি. এম.

০৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: