কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

কোপায় প্যারাগুয়েকে হারিয়ে তৃতীয় পেরু

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫, ১১:১৭ এ. এম.
কোপায় প্যারাগুয়েকে হারিয়ে তৃতীয় পেরু

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ল্যাটিন আমেরিকার বিশ্বকাপ খ্যাত ‘কোপা আমেরিকা-এর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পেরু। খেলার প্রথমার্ধে কোন গোল হয়নি। এ জয়ে কোপা আমেরিকায় সপ্তমবারের মতো তৃতীয় স্থান অর্জন করলো ৬১ ফিফা র‌্যাঙ্কিংধারী এবং দ্য হোয়াইট এ্যান্ড রেড খ্যাত পেরু। পক্ষান্তরে এ হারে কোপা আমেরিকায় সপ্তমবারের মতো চতুর্থ হলো প্রায়ই একই নিকনেম হোয়াইট এ্যান্ড রেড-এর অধিকারী এবং ৮৫ ফিফা র‌্যাঙ্কিংধারী প্যারাগুয়ে। উভয় দলের এটা ছিল ৪৯তম লড়াই। পেরু জিতলো দ্বাদশবারের মতো (প্যারাগুয়ের জয় ২৪ ম্যাচে, ১৩ ম্যাচ ড্র হয়)। আর কোপা আমেরিকায় দুই দলের এটা ছিল সপ্তদশ দ্বৈরথ, যাতে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো জিতলো পেরু (প্যারাগুয়ের জয় ৭ ম্যাচে, ড্র ৭ ম্যাচে)।

কোপা আমেরিকার ৪৪তম আসরের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি শনিবার ভোরে চিলির এস্তাদিয়ো মিউনিসিপালে ডি কনসেপশন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৬-১ গোলে হেরে বিধস্ত হওয়া প্যারাগুয়ে সেই হারের ধাক্কা সামলাতে যে পারেনি, তারই প্রমাণ প্রতিপক্ষের চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়েও পেরুর কাছেও তাদের এই হার। একাধিক গোলপ্রচেষ্টা ব্যর্থ না হলে পেরুর গোলসংখ্যা আরও বেশি হতে পারতো। ম্যাচের প্রথম থেকেই প্যারাগুয়ের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে খেলতে থাকে পেরু। পরে প্যারাগুয়েও পাল্টা আক্রমণ করে খেলে ম্যাচটি জমিয়ে তোলে। বল নিয়ন্ত্রণে অবশ্য পেরুই ছিল এগিয়ে (৫১ শতাংশ)।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোলের সন্ধান পায় পেরু। ৪৮ মিনিটে রেইনা কর্নার করেন। সেই উড়ে আসা বল বিপদমুক্ত করেন প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডাররা। তবে ফিরতি বলে টপ-ডি বক্স থেকে শট নেন আন্দ্রেই ক্যারিলো। গোলরক্ষক জাস্টো ভিলারের প্রাণপণে ঝাঁপিয়ে পড়েও বল ধরতে পারেননি (১-০)। ২০১২ সালের আগস্টের পর এই প্রথম কোন আন্তর্জাতিক গোল করলেন ক্যারিলো।

ম্যাচের ৮৯ মিনিটে জোয়েল সানচেজের বাড়ানো বলে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকের সামনে থেকে আলতো শটে লক্ষ্যভেদ করেন পেরুর ফরোয়ার্ড পাওলো গুয়েরেরো (২-০)। টুর্নামেন্টে এটি গুয়েরেরোর চতুর্থ গোল, যা এখন পর্যন্ত যুগ্মভাবে সর্বাধিক (চারটি গোল করেছেন চিলির এডুয়ার্ডো ভারগাস-ও)।

বলিভিয়ান রেফারি রাউল অরোসকো খেলা শেষ হবার বাঁশি বাজালে ২-০ গোলের তৃপ্তিকর ও স্বান্তনার জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেরু দল।

এবারের এ আসরে প্যারাগুয়ে ছিল বি গ্রুপে। সেখানে তারা আর্জেন্টিনার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে, জ্যামাইকাকে ১-০ গোলে হারায় এবং উরুগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। সেখানে তারা টাইব্রেকারে ৪-৩ (১-১) গোলে ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে। সেমিতে আর্জেন্টিনার কাছে ৬-১ গোলে হেরে যায় তারা। পক্ষান্তরে সি গ্রুপে পেরুর শুরুটা হয় ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে। পরের ম্যাচে ভেনেজুয়েলাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। এরপর কলম্বিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে হয় গ্রুপ রানার্সআপ। শেষ আটে বলিভিয়াকে হারায় ৩-১ গোলে। তবে সেমিতে ২-১ গোলে হার মানে স্বাগতিক চিলির কাছে।

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫, ১১:১৭ এ. এম.

০৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: