মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

খুলনায় কৃষিঋণ আদায়ে আড়াই হাজার সার্টিফিকেট মামলা

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ খুলনায় ৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার কৃষিঋণ অনাদায়ী রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো কৃষকদের কাছ থেকে এ পরিমাণ ঋণ আদায় করতে পারেনি। এ কারণে খুলনার ১০টি সরকারী ব্যাংক আড়াই হাজার কৃষকের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করেছে।

কৃষকরা বলছেন, আমন ও বোরোর ন্যায্য মূল্য না পাওয়া, হিমায়িত চিংড়ি রফতানি বাণিজ্যে ভাটা, পাট কলে কাক্সিক্ষত উৎপাদন না হওয়া এবং হরতাল-অবরোধের কারণে দক্ষিণের অর্থনীতির চাকা অচল হওয়ায় ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি ।জেলা কৃষিঋণ কমিটির সূত্র জানায়, ৫২ কোটি ৭২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আদায়ে জেনারেল সার্টিফিকেট আদালতে এক হাজার ৪৭টি এবং ৪ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা আদায়ে উপজেলা সার্টিফিকেট আদালতে এক হাজার ৪৯২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে কৃষি, সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বিআরডিবি, কর্মসংস্থান, শিল্প, সমবায় জমি বন্ধকী ও সমবায় ব্যাংক। এ কমিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চ মাসে উপজেলা সার্টিফিকেট আদালতে ৪টি মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় এক লাখ ৪৮ হাজার টাকা এবং জেনারেল সার্টিফিকেট আদালতে ৬টি মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় দুই লাখ ৫২ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। কৃষিব্যাংক, মুখ্য আঞ্চলিক কার্যালয় খুলনার উপ-মহাব্যবস্থাক শরীফ ইকবাল হামিদ জানান, সার্টিফিকেট মামলাগুলো নিষ্পত্তি করার চেষ্টা চলছে। নতুন করে মামলা দায়ের করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিরুৎসাহিত করছে। ঋণগ্রহীতা কৃষক অপারগতা প্রকাশ করলে সুদ মওকুফের চিন্তা করা হবে। জেলা কৃষিঋণ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল মে মাসের ঋণ বিতরণ কমিটির সভায় সার্টিফিকেট মামলার কার্যক্রম তদারকি করতে পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, সার্টিফিকেট আদালতের মামলাগুলো সঠিকভাবে তদারকি না হওয়ায় মামলার নিষ্পত্তি আশানুরূপ নয়। মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়ানোর নির্দেশনাও দেন তিনি। সার্টিফিকেট আদালত থেকে ইস্যুকৃত ওয়ারেন্টগুলো থানায় জমা দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও তিনি দিয়েছেন।

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫

০৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

অর্থ বাণিজ্য



ব্রেকিং নিউজ: