মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিশ্ব প্রযুক্তি খ ব র

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫
  • থ্রিডি প্রিন্টারে হৃৎপিণ্ডের মডেল

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রকাশনা সায়েন্স ডেইলি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মানব হৃৎপিণ্ডের ওই হাইব্রিড মডেল তৈরি করেছেন ‘স্পেকট্রাম হেলথ হেলেন ডেভোস চিলড্রেনস হসপিটাল’-এর বিজ্ঞানীরা। সাইটটি জানিয়েছে, কম্পিউটেড টোমোগ্রাফির মাধ্যমে মানব হৃৎপিণ্ডের বাহ্যিক গঠন সম্পর্কে ডাটা সংগ্রহ করেন বিজ্ঞানীরা। আর হৃৎপিণ্ডের ভেতরের গঠনের ডাটার যোগান দেয় থ্রিডিই। দুই মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করা ডেটা একক ছবিতে পরিবর্তন করা হয় বেলজিয়ামভিত্তিক সফটওয়্যার নির্মাতা ‘ম্যাটেরিয়ালাইজ’-এর তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে। আর ওই ছবি থেকেই থ্রিডি প্রযুক্তিতে প্রিন্ট করা হয় মানব হৃৎপিণ্ডের মডেল। রোগীদের হৃৎপিণ্ড স্ক্যান করে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হৃৎপিণ্ডের মডেলগুলো বিশ্লেষণ করে সহজে রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের সুযোগ পাবেন চিকিৎসকরা। সিটি এবং থ্রিডি প্রযুক্তির সঙ্গে এমআরই প্রযুক্তির ব্যবহার সম্ভব বলে এর মাধ্যমে তৈরি মডেলগুলো থেকে হৃৎপিণ্ডের অভ্যন্তরীণ পেশি এবং কোষ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ডাটা পাবেন চিকিৎসকরা জানিয়েছে সায়েন্স ডেইলি।

মহাকাশে হলোলেন্স

আবারও নতুন প্রকল্প নিয়ে সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের সঙ্গে জোট বেঁধেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ‘প্রজেক্ট সাইডকিকের’ অংশ হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (আইএসএস)-এ বসেই মাইক্রোসফটের অগমেন্টেড রিয়ালিটি হেডসেট ‘হলোলেন্স’ ব্যবহার করবেন নভোচারীরা। প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএ্যাবল ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আলাদা আলাদা দুটি মোডে হলোলেন্স ব্যবহার করবেন আইএসএসের নভোচারীরা। ‘রিমোট এক্সপার্ট মোড’-এ স্কাইপের মাধ্যমে পৃথিবীর সঙ্গে মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন তারা। আর অগমেন্টেড রিয়ালিটির আলাদা অভিজ্ঞতা দেবে ‘প্রসিডিওর মোড’। এই মোডে বিভিন্ন বস্তু ওপর হলোগ্রাফিক তথ্য দেখতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। প্রসিডিওর মোডের ব্যবহার অনেকটাই হলোলেন্সের বাণিজ্যিক সংস্করণের মতো হবে বলে জানিয়েছে ম্যাশএ্যাবল। সাইডকিক নাসা আর মাইক্রোসফটের প্রথম প্রকল্প নয়। ‘অনসাইট’ নামের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে দুই প্রতিষ্ঠান। যাতে কিউরিওসিটি রোভার থেকে সংগ্রহ করা ডেটার ভিত্তিতে মঙ্গল গ্রহের সিমিউলেশন বিশ্নেষণ করার সুযোগ পাবেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

আইটি ডট কম প্রতিবেদক

এ্যাপল ওয়ান নিলামে

আগামী সপ্তাহে নিলামে উঠতে যাচ্ছে এ্যাপলের প্রথম কম্পিউটারগুলোর একটি এ্যাপল ওয়ান। বিখ্যাত ক্রিস্টির নিলামে আগামী ৯ জুলাইয়ের মধ্যে দাম হাঁকতে হবে এই প্রযুক্তি পণ্যের। ধারণা করা হচ্ছে, দাম উঠবে ৫ লাখ ডলার পর্যন্ত।

১৯৭৬ সালে তৈরি হয় কম্পিউটার এ্যাপল ওয়াান। স্টিভ জবস আর স্টিভ ওয়াজনিয়াকের তৈরি এই কম্পিউটারকে বলা হয় প্রযুক্তি দুনিয়া পাল্টে দেয়ার অন্যতম হাতিয়ার।

এ্যাপল ওয়াানের মালিক টেড পেরি বললেন, ‘এটি হলো ইতিহাসের অংশ, যা সারা দুনিয়াকে পাল্টে দিয়েছে। এর মধ্য দিয়েই প্রযুক্তি দুনিয়ায় এসেছে বিপ্লব। তিনি বলেন, এ্যাপল ওয়ান মূলত ওয়াজনিয়াকের নক্সা। প্রযুক্তির প্রতি তীব্র আসক্তি থেকেই এর জন্ম। যদিও এখন নতুন নতুন নক্সার কাছে একে অদ্ভুতই মনে হবে।

তিনি আরও জানালেন, এটি প্রথমদিককার কম্পিউটারগুলোর একটি। যা আপনি কিনে নিয়ে এখনই ব্যবহার করতে পারবেন। যদিও এর যন্ত্রাংশ দেখলে এখন মনে হবে, এগুলো এমন কেন? ২৪ জুন থেকে শুরু হওয়া নিলাম শেষ হবে ৯ জুলাই। দাম শুরু হচ্ছে ৩ লাখ ডলার থেকে। তবে গেল মাসে জার্মান নিলাম হাউসে আরেকটি এ্যাপল ওয়ান বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ৬ লাখ একাত্তর হাজার ডলারে।

আইটি ডট কম প্রতিবেদক

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫

০৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: