কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

তিস্তার পানি কমছে, বাড়ছে ভাঙ্গন

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ কখনো খরা, কখনো বন্যা। আর বন্যা শেষ হতে না হতেই নদী ভাঙ্গন। খরা, বন্যা আর নদী ভাঙ্গন এই তিন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে তিস্তা অববাহিকার লাখো মানুষ। চলমান বন্যায় পানি নামতে শুরু করায় কিছু কিছু পরিবার ঘরে ফিরতে শুরু করলেও অনেকেই তিস্তার গাইড বাঁধসহ এলাকার স্কুল-কলেজ ও উঁচু স্থানেই রয়েছেন। পরিবারগুলো গবাদিপশু নিয়েই বেশি অসুবিধায় পড়েছে। তিস্তার গাইড বাঁধে মানুষ আর গবাদিপশুতে একাকার অবস্থা। প্রকৃতি এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সবাইকে। ফলে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে তাদের।

গর্জে উঠা তিস্তার রুদ্রমূর্তি আপতত ক্ষ্যান্ত হয়েছে। উজানের ঢল কমেছে। বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত ঢল নেমে এসে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ডালিয়া পয়েন্ট তিস্তার পানি এখন বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০) দুই সেন্টিমিটর নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবার পর বিকাল ৩টায় তা ২৫ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে । ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের অংশের দুই পাড়ে যে রেড এ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তিস্তায় ভাঙ্গন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২২টি পরিবারের ঘববাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি এলাকায় তিস্তা ডান তীর প্রধান বাঁধ ও ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের পূর্বখড়িবাড়ি এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্বপন বাঁধটি হুমকির মুখে রয়েছে। পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিস্তার বন্যার আপাতত কিছুটা উন্নতি ঘটেছে তবে যে কোন সময় ফের উজানের ঢল আঘাত হানতে পারে। ডাউয়াবাড়ি এলাকায় তিস্তা ডান তীর বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

প্রকাশিত : ৪ জুলাই ২০১৫

০৪/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: