কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক সমীপে

প্রকাশিত : ২ জুলাই ২০১৫

মধুর প্রতিশোধ

শেষ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল দারুণ শুভ সূচনা করেছিল, বাংলাদেশের ক্রিকেট পাগল মানুষের হৃদয় জয় করতে সক্ষম হয়েছিল, বিশেষ করে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে জয় লাভ করার পর মনোবল দারুণভাবে চাঙ্গা হয়েছিল টাইগার বাহিনীর। পাকি আম্পায়ার এবং ইংলিশ আম্পায়ারের বাজে আম্পায়ারিংয়ের কারণে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়েছিল বাংলাদেশ। হারিয়ে দেয়া হয়েছিল বাংলাদেশকে। সারা পৃথিবীর বিশ্ব ক্রিকেট তখন সমালোচনা করেছিল পাকি এবং ইংলিশ দুই আম্পায়ারের। অবশেষে ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ মিশনে সিরিজ জয় করে মধুর প্রতিশোধ নিল টাইগার বাহিনী। বিশ্ব ক্রিকেটের মোড়লিপনা এবং শেষ বিশ্বকাপে শ্রী নির্বাসনের অপকর্মের সঠিক জবাব দিতে সমর্থ হয়েছে বাংলাদেশ দল। এই জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন, সেই দিন আর বেশি দূরে নয়, সব কিছুর মতো ক্রিকেটেও বাংলাদেশ অভূতপূর্ব নৈপুণ্য দেখিয়ে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ট্রফি নিয়ে নিজ দেশে ফিরবে। সেই মোক্ষম সময়ের অপেক্ষায় থাকলাম।

রণজিত মজুমদার

সোনাগাজী, ফেনী

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের

উৎসব ভাতা

সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা ১০০% পেনশন সমর্পণ করেছেন তাদেরও বছরে দুটি উৎসব বোনাস দেয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ২৪-২-২০০৮ তারিখে জারিকৃত পরিপত্রে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশে এই উৎসব ভাতা ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে কার্যকরী করা হলেও সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশ পালনের জন্য প্রতিটি শাখায় গত ১৫-০২-২০১৫ তারিখে নির্দেশ পাঠায়। এই নির্দেশে সময়ে সময়ে সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্ধিত হারে উৎসব বোনাস দেয়ার নির্দেশ থাকলেও ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে বকেয়া প্রদানের জন্য কোন নির্দেশনা না থাকায় কোন শাখা ব্যবস্থাপক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বকেয়া উৎসব ভাতা দিচ্ছেন না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মোঃ বেলায়েত হোসেন

ফরিদপুর

ন্যাশনাল সার্ভিসের বেতন বৃদ্ধি

বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। শিক্ষা, শিল্প, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেই উন্নয়ন ঘটছে। এছাড়াও বেকারত্ব দূরীকরণ ও যুবশক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচী। এই কর্মসূচীর আওতায় একদিকে বেকার যুব ও যুব মহিলারা কর্মসংস্থান পাচ্ছেন, অন্যদিকে তারা কিছুটা হলেও স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

গত ১ এপ্রিল থেকে নাটোরের সিংড়ার এই কর্মসূচীর আওতায় প্রায় ১৬০০ বেকার যুব ও যুব মহিলা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দুই বছরের জন্য নিয়োগ পাবেন।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজার হিসেবে ন্যাশনাল সার্ভিসের বেতন-ভাতা যৎসামান্য। মাত্র ছয় হাজার টাকা দিয়ে একজন মানুষের জীবনযাপন করা বড়ই কঠিন। বর্তমান সরকারী চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধিতে ৬০% চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেই আলোকে এই ন্যাশনাল সার্ভিসের বেতন ৬০% বৃদ্ধি করা হলে বেকার যুব ও যুব মহিলারা একটু স্বস্তিতে জীবন অতিবাহিত করতে পারবেন।

এমতাবস্থায় বিষয়টিতে অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

দিলরুবা রিজওয়ান দিনা

সিংড়া, নাটোর

গণতন্ত্রহীনতা?

নরেন্দ্র মোদির কাছে খালেদা জিয়া এই বলে নালিশ জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই। এ নালিশ খালেদার একার নয়, আরও অনেকের। নালিশটি আংশিক সত্য, পুরোটা নয়। কারণ গণতন্ত্রের কোন ধনংড়ষঁঃব রূপ নেই। দেশ, জাতি ও সমাজভেদে গণতন্ত্রের ব্যাখ্যা ভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন ঢ়ৎবংরফবহঃরধষ ফবসড়পৎধপু, ঢ়ধৎষরধসবহঃধৎু ফবসড়পৎধপু, ংড়পরধষ ফবসড়পৎধপু, ঢ়ৎড়ষবঃধৎরধঃ ফবসড়পৎধপু, ইধংরপ ফবসড়পৎধপু ইত্যাদি। তবে গণতন্ত্র একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্কৃতি, এতে কোন সন্দেহ নেই। এখন বাংলাদেশে গণতন্ত্র আছে কি নেই, দেখা যাক। গণতন্ত্রের কয়েকটি পূর্বশর্ত আছে। যেমন- বাংলাদেশে বর্তমানে সংসদীয় গণতন্ত্র সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। এর পূর্বশর্ত একটি কার্যকর সংসদ, কার্যকর সংসদীয় বিরোধী দল, রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন ব্যবস্থার বিদ্যমানতা, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মৌলিক মানবাধিকারের স্বীকৃতি, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা। বর্তমানে এর কোন্্টা নেই বাংলাদেশে? সাংবিধানিকভাবে এর সবকটি বাংলাদেশে বিদ্যমান। বলা যেতে পারে, এর কিছু সীমাবদ্ধতা ও দুর্বলতা থাকতে পারে এবং হয়ত আছেও।

কিন্তু এর কোন কোনটার আদৌ কোন অস্তিত্ব নেই তা বলা যাবে না। যেমন দেশে মাঝে মধ্যে কোন কোন স্থানে সাম্প্রদায়িক গোলাযোগ দেখা দেয়। কিন্তু বলা কি যায় যে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আদৌ নেই? বরং বলা হয় বাংলাদেশ অটুট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্ম বা ইসলামের নামে মাঝে মাঝে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ের প্রকাশ দেখা যায়। তাই বলে কি বলা হবে যে, ইসলাম জঙ্গী ও সন্ত্রাসের ধর্মে রূপান্তরিত হয়েছে? না, তা তো নয়।

সুতরাং গণতন্ত্র দুর্বল হতে পারে, নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে, মৌলিক অধিকার কখনও কখনও ক্ষুণœ হতে পারে, ধর্ম কারও কারও কাছে ব্যবসায় পরিণত হতে পারে কিন্তু তার কোন অস্তিত্ব নেই বলা যাবে না। কারণ ইধফ ফবসড়পৎধপু রং নবঃঃবৎ ঃযধহ হড় ফবসড়পৎধপু. গণতন্ত্র অনুপস্থিত বললে বুঝতে হবে যে, দেশে সাংবিধানিক শাসন, নির্বাচনী ব্যবস্থা, মৌলিক মানবাধিকার ইত্যাদি অনুপস্থিত। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর কোনটিই প্রযোজ্য নয়। যে কোনরূপ দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতা ব্যতিক্রম হিসেবেই গণ্য হবে, অনুপস্থিত হিসেবে নয়।

রাখাল চন্দ্র মিত্র

পটুয়াখালী

প্রকাশিত : ২ জুলাই ২০১৫

০২/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: