কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বান্দরবানের তিন্দু ও রেমাক্রিতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত : ১ জুলাই ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, বান্দরবান, ৩০ জুন ॥ বান্দরবান পার্বত্য জেলার থানছি উপজেলার তিন্দু, রেমাক্রি ইউনিয়নের পর্যটন স্পটগুলোতে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। পহেলা জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে থানছি উপজেলা পরিষদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, থানছি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ওমর আলী, থানছি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন থেকে টানা অতি বৃষ্টিতে জেলার সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে থানছির অন্যতম পর্যটনস্পট তিন্দু ও রেমাক্রির নৌ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নদীর তীব্র স্রোত ও স্পটগুলো পাথুরে পিচ্ছিল হওয়ার কারণে স্পটগুলোতে ভ্রমণের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পর্যটনস্পটগুলোতে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকার ফলে নৌ যোগাযোগের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় তথা পর্যটকরা।

থানছি উপজেলা সদর থেকে ঝুঁকিপূর্ণ নদীপথে ২০ কিঃ মিঃ পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় বড় পাথর এলাকায়। পাহাড়ের বুক চিরে প্রবহমান সাঙ্গু নদীর বুকের ওপর শত শত বড় বড় পাথর থাকার কারণেরই পর্যটনস্পটগুলো পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। থানছির স্থানীয় সাংবাদিক অনুপম মারমা বলেন, সাঙ্গু নদীতে পানি বাড়ার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় পর্যটক নিয়ে কোন নৌযান চলাচল করছে না। থানছির রেমাক্রি মুখ থেকে পাথরের ভাঁজে ভাঁজে প্রবাহিত ঝিড়ি-ঝর্ণা, পাহাড় ও বন মাড়িয়ে ১৩ কিঃ মিঃ হেঁটে যেতে হয় নাফাকুমে। ঝর্ণার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিবছর পর্যটক এলেও অনুন্নত যাতায়াত, পাথুরে পিচ্ছিল হওয়ার কারণে প্রতিবছর নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে পর্যটনস্পটগুলোতে।

শাহজাদপুরে ধর্ষক প্রধান শিক্ষক জেল হাজতে

সংবাদদাতা, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ, ৩০ জুন ॥ শাহজাদপুরে স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি উপজেলার ভাটদিঘুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সবুরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ সাড়ে আট মাস আত্মগোপনে থাকার পর ধর্ষক সবুর মাস্টার সোমবার সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জানা গেছে, ভাটদিঘুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সবুর গত বছরের ১৮ অক্টোবর ঠুঁটিয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় এবং ৯ দিন অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে চেতনানাশক খাইয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে একই বছরের ২৬ অক্টোবর ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শিক্ষক আব্দুস সবুরকে প্রধান আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরদিন ২৭ অক্টোবর রাতে সবুর মাস্টার লোক মারফত ওই ছাত্রীকে শাহজাদপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

প্রকাশিত : ১ জুলাই ২০১৫

০১/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: