আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

‘বিষয়টা মাথায় আছে’

প্রকাশিত : ১ জুলাই ২০১৫

‘পেস বোলিং অলরাউন্ডার যে কোন দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে টেস্টে। মুশকিল হচ্ছে, সহসা এখানে একজন ইমরান খান বা কপিল দেবের জন্ম হয় না। আমার মনে হয় এক্ষেত্রে উইকেট ও কন্ডিশন বড় ‘ফ্যাক্টর’। বাংলাদেশ তো বটেই, ভারতেও এখন আন্তর্জাতিকমানের পেস বোলিং অলরাউন্ডারের হাহাকর। ন্যাচারাল ট্যালেন্ট হিসেবে গোটা উপহাদেশে কেবল এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও ওয়াহাব রিয়াজের নাম উল্লেখ করা যায়। নির্বাচক হিসেবে আমি নিজেও এমন একজন তৃতীয় পেসার চাই যে টেল-এন্ডে চমৎকার ব্যাটিং করতে পারবে। তবে নেই বলে কখনই হবে না, তা-ও নয়। বিষয়টা আমাদের মাথায় আছে। সৌম্য সরকারকে দিয়ে টেষ্টা করছি। আবুল হাসান রাজু আছে, মুক্তার আলি প্রতিভাবান, ঘরোয়া পর্যায়ে আরও কয়েকজন তরুণ রয়েছে। প্রয়োজনে বল হাতে সৌম্য মন্দ করছে না, ফতুল্লা টেস্টেও সেটি দেখেছি। মূল সমস্যা কন্ডিশন। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মতো কন্ডিশন হলে ধীরে ধীরে ওরাই আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে যেত। এখন দল ভাল খেলছে। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ জন পেসার নিয়ে সফল হয়েছি। এটি ইতিবাচক বার্তা দেয়। একদিন ঠিকই পেস অলরাউন্ডারও উঠে আসবে। এ নিয়ে আমাদের ভেতরে অবশ্যই ভাবনা কাজ করছে। গতিময় উইকেট তৈরিতে বোর্ডের পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

‘আমি হাল ছাড়িনি’

‘পেস বোলিং অলরাউন্ডার তৈরিতে পিচ-কন্ডিশনের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। শ্রীলঙ্কায় ম্যাথুসদের উঠে আসার কারণ ওদের কন্ডিশন আমাদের তুলনায় পেস-সহায়ক। ওখানে সফরের অভিজ্ঞতা থেকেই এটা স্বীকার করছি। আমাদের তাই ভাল উইকেট তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। খুবই ভাল লাগছে যে, ভারত সিরিজে চার জন স্পেশাল পেসার নেয়া হয়েছিলÑ বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের ক্ষেত্রে যা ইতিহাস হয়ে থাকবে। এই পথ ধরে ভবিষ্যতে পেস বোলিং অলরাউন্ডারের সুযোগ বাড়বে। এখনও জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনে হাল ছাড়িনি। ক্যারিয়ার লক্ষ্য করলে দেখবেন, লঙ্গার ভার্সনেই আমি বেশি সফল। চার দিনের প্রথমশ্রেণীর ম্যাচে দেড়শ’র ওপরে উইকেট (৮০ ম্যাচে ১৫৮ উইকেট), চার হাজারের কাছাকাছি রান (৩৭৯৮)। পাশাপাশি লিস্ট ‘এ’-ম্যাচে দেড়শ’র মতো উইকেট (১৪৮)। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায় এক যুগের ক্যারিয়ারে অনেক কিছু শিখেছি। ২০০৬ সালে যখন প্রথম জাতীয় দলে ডাক পাই, সুজন ভাই তখন (খালেদ মাহমুদ) বলেছিলেন, আমার জায়গাটা তুই পূরণ করবি। যা এখনও আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রণিত করে। যদিও দলের কম্বিনেশনের কারণে খুব বেশি খেলার সুযোগ পাইনি। বয়স ২৯, আমি এখনও আশা ছাড়িনি। দৃঢ় বিশ্বাস, মানসম্পন্ন পেস বোলিং অলরাউন্ডারের অভাব আমাকে আবারও জাতীয় দলে সুযোগ করে দেবে।’

প্রকাশিত : ১ জুলাই ২০১৫

০১/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: