মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১১৬

প্রকাশিত : ১ জুলাই ২০১৫

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উত্তরাঞ্চলীয় মেদান শহরে একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নারী-শিশুসহ ১১৬ আরোহী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার উড্ডয়নের কিছু সময় পর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। হারকিউলিস সি-১৩০ নামক বিমানটি মেদানের দুটি ভবন এবং একটি হোটেলের ওপর বিধ্বস্ত হয়। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই সেনা পরিবারের সদস্য, এবং সেনাবাহিনীতে কর্মরত লোকজন। তবে, এ ঘটনায় ঠিক কতজন লোক নিহত হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর বিবিসি, এএফপি ও জাকার্তা পোস্ট অনলাইনের। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দেশটির বিমানবাহিনী প্রধান অগাস সুপ্রিয়াতনা বলেন, বিমানের কোনও আরোহীই বেঁচে নেই। ঘটনাস্থল থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৯ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, উড্ডয়নের কিছু সময়ের মধ্যে বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে পাইলট বিমান ঘাঁটিতে যোগাযোগ করে। পরে তাকে ফিরে আসতে বলা হয়। আর ফিরে আসার সময়ই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তিনি উল্লেখ করেন, হয়ত বিমানটির ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। তবে ১৯৬৪ সালে তৈরি বিমানটির কন্ডিশন ভাল ছিল বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনাস্থলে মঙ্গলবার উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল।

ইন্দোনেশিয়ার সামরিক মুখপাত্র ফুয়াদ বাসিয়া জানিয়েছেন, সি-১৩০ হারকিউলিস বিমানটিতে পাইলটসহ ১১৩ আরোহী ছিলেন। এদের মধ্যে ১২ চালক এবং অপর ১০১ জন যাত্রী। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, বিমানের কোনও আরোহী হয়ত আর বেঁচে নেই।

স্থানীয় টেলিভিশনের ফুটেজে একটি আবাসিক এলাকার ঘরবাড়িতে ও কয়েকটি হোটেলে আগুন জ্বলতে ও কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। বিমানটি মেদান থেকে প্রত্যন্ত নাটুনা দ্বীপে যাচ্ছিল। নবি নামে এক স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আমরা বিমানটি অনেক নিচু দিয়ে উড়তে দেখি। তারপর এটি প্রচ- শব্দ এবং কালো ধোঁয়া উড়িয়ে ভবন এবং হোটেলের ওপর বিধ্বস্ত হলে এতে আগুন ধরে যায়। উল্লেখ্য এ ঘটনার ১০ বছর আগে মেদানে অপর বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। মেদান শহরটি ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

প্রকাশিত : ১ জুলাই ২০১৫

০১/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: