মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

রানা প্লাজার ২ মামলা: অভিযোগপত্র গ্রহণের আদেশ ৮ জুলাই

প্রকাশিত : ২৮ জুন ২০১৫, ০১:২৬ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সাভারে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় হত্যা ও ইমারত নির্মাণ আইনে দায়ের করা আলাদা দুটি মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণের আদেশ ৮ জুলাই দেওয়ার দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান রবিবার এ আদেশ দেন। এদিন অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। বিচারক নথি পর্যালোচনা করে অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আদেশে নতুন তারিখ ধার্য করেন।

২০১৫ সালের পয়লা জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট জিআর শাখায় সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার বিজয় কৃষ্ণ কর অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দুই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, তার বাবা আব্দুল খালেক ওরফে খালেক কুলু, সাভার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, বর্তমান কমিশনার মোহাম্মদ আলী খানসহ ৫৯ জনকে আসামি করা হয়। তবে একই আসামি দুই মামলায় থাকায় মোট ৪২ জন ধরা হয়েছে।

রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল সাভার থানায় আলাদা দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটি অবহেলাজনিত মৃত্যু চিহ্নিত করে পুলিশের হত্যা মামলা, অপরটি ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের ইমারত আইনে দায়ের করা মামলা।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সাভার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়ালী আশরাফ ১১৩৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে একটি অবহেলাজনিত হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন ১৩ জনকে আসামি করে একই দিনে সাভার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— সোহেল রানা, মোহাম্মদ আলী খান, এমায়েত হোসেন, আবদুল খালেক, রেফাত উল্লাহ, বজলুল সামাদ আদনান, মাহমুদুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, রফিকুল ইসলাম ও সরোয়ার কামাল।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল নয়টার দিকে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজা। এ সময় ভবনের নিচে চাপা পড়েন সাড়ে পাঁচ হাজার পোশাকশ্রমিক। এ ঘটনায় ১১৩৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত ও পঙ্গু হন প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২৪৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

প্রকাশিত : ২৮ জুন ২০১৫, ০১:২৬ পি. এম.

২৮/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: