আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে ভারত যৌথ নৌমহড়া করবে

প্রকাশিত : ২৮ জুন ২০১৫
  • যোগ দেবে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মিয়ানমার ও অন্যরা

চীনের দিকে কড়া দৃষ্টি রেখে ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মিয়ানমার ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে নৌমহড়া অনুষ্ঠান করবে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভারত চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় আকারের নৌমহড়া করবে। তবে ভারত এতে যোগ দিতে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশকে আমন্ত্রণ জানাতে এখনও হয়ত দ্বিধাবোধ করছে। এর অন্যতম কারণ হলো চীন গতবার বঙ্গোপসাগরে এরূপ কোন বহুপক্ষীয় নৌমহড়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, ভারতের কোন কৌশলগত পরিকল্পনা হাতে নেয়া হচ্ছে না।

শুক্রবার বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়, ভারত গুরুত্বপূর্ণ এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে আগামী মাসগুলোতে কয়েক দফা দ্বিপক্ষীয় নৌমহড়া করবে। এসব দেশের মধ্যে থাকবে অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ইন্দোনেশিয়া থেকে শুরু করে শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও সিঙ্গাপুর। এর ফাঁকে ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র (মঙ্গলবার) যুক্তরাজ্য (কঙ্কন) ও রাশিয়ার (্ইন্দ্র) সঙ্গে মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে এপ্রিল মে মাসে আরব সাগরে ফ্রান্সের (বরুণ) সঙ্গে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারত অক্টোবরে বঙ্গোপসাগরে ১৯তম ভারত-যুক্তরাষ্ট্র মালাবার নৌকম্ব্যাট মহড়া অনুষ্ঠানের প্রাথমিক পরিকল্পনা থেকে জাপানকে এ পর্যন্ত বাইরে রেখেও এসেছে। সেপ্টেম্বর ও জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত মোদি-ওবামা শীর্ষ বৈঠকে বার্ষিক যুদ্ধ মহড়ার মানোন্নয়ন করতে মতৈক্য হওয়া এবং জাপান ও অস্ট্রেলিয়া উভয়েই ওই মহড়ায় যোগ দিতে আগ্রহী হওয়া সত্ত্বেও ভারত ওই অবস্থানে রয়েছে। পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকার ২০০৭ সালে বঙ্গোপসাগরে মালাবার নৌমহড়া অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে চীন প্রতিবাদ জানানোর পর এরূপ মহড়াকে বহুলাংশে দ্বিপক্ষীয় মহড়াতেই সীমিত রাখে। ২০০৭ সালের ওই মহড়াতে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরের নৌবাহিনী যোগ দেয়া চীন আপত্তি জানিয়েছিল। সেই সময় থেকে কেবল যখন মালাবার নৌমহড়া ২০০৯ ও ২০১৪ সালে উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অনুষ্ঠিত হয়, তখনই জাপানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ভারত ৩০ অক্টোবর থেকে ৪ নবেম্বর বঙ্গোপসাগরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এবং এরপর নবেম্বরের মাঝামাঝি জাপানের সঙ্গে নৌমহড়া করবে। প্রায় একই সময়ে ভারতীয় ও থাই যুদ্ধ জাহাজগুলো তাদের আন্তর্জাতিক নৌসীমানা রেখা বরাবর সমন্বিত উপায়ে টহল দেবে। এরপর আগামী ফেব্রুয়ারি মার্চে মিয়ানমারের সঙ্গে অনুরূপ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। ভারত মহাসাগর ও এর বাইরে চীনের বিরাট কৌশলগত অনুপ্রবেশ মোকাবেলার সামগ্রিক পরিকল্পনার আওতায় ভারত ক্রমশ ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও নৌ যোগাযোগ গড়ে তুলছে। যেমন ভারতের চারটি যুদ্ধ জাহাজ এখন এ্যাক্ট ইস্ট নীতির সঙ্গে মিল রেখে দক্ষিণ ভারতীয় মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরে দীর্ঘ সময়ের জন্য মোতায়েন রয়েছে।

প্রকাশিত : ২৮ জুন ২০১৫

২৮/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: