মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বাজেটে বেসরকারী শিক্ষা খাতে ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার দাবি

প্রকাশিত : ২৭ জুন ২০১৫, ০১:১০ এ. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারী শিক্ষা খাতে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সমালোচনা করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনীতি শিক্ষক সমিতি (বেটা)।

শুক্রবার রাজধানীর ইস্কাটনে অর্থনীতি শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে এক সেমিনারে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি তোলা হয়। ওই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ না থাকাসহ নানামূখী কারণে শিক্ষার্থীরা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা মেডিক্যালে ভর্তি হয়। অল্প কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বেশিরভাগ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর। তাদের অনেকে নিজস্ব জমি বিক্রি করে পড়াশোনার খরচ চালায়। এর ফলে তারা সরকারের ব্যয়ও সাশ্রয় করছে। অথচ তাদের উপরই বর্ধিত ভ্যাট বসানো হলো।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরদার সৈয়দ আহমেদ। বাজেট ২০১৫-১৬ : উন্নয়ন ও বৈষম্য শীর্ষক এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর এমপি। এ সময় অর্থনীতি বিষয়ের শিক্ষকরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাজেট নিয়ে তাদের বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বাজেট অন্তর্ভূক্তির জন্য ২২ সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর দেশ থেকে বিশাল অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, দেশে সঞ্চয়ের হার ৩২ শতাংশ। এর পুরোটাই বিনিয়োগে আসার কথা। কিন্তু এ সঞ্চয়ের মধ্য প্রকৃত অর্থে বিনিয়োগে আসছে ২৪ থেকে ২৫ শতাংশ। অর্থ কোথায় যাচ্ছে। এর একটি বড় অংশ বাইরে চলে যাচ্ছে। মালয়েশিয়া ও কানাডার বেগম পাড়ার কথা শোনা যায়। আর একটি অংশ হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে। এটি খতিয়ে দেখা দরকার। সাম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সিদ্ধান্ত এ অর্থ পাচারকে আরও উস্কে দিচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

এ সময় তিনি এডিপিতে ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বছরের ৯ মাসে বরাদ্দের ৩৭ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়। অবশিষ্ট তিন মাসে বাকি অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা যাবে - এটি বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। ড. কাজী খলীকুজ্জমান জলবায়ুর ক্ষতির প্রভাব তুলে ধরে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। এ ক্ষতি না থাকলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরো দেড় শতাংশ বেশি হতো। জলবায়ু পরিবর্তনের শঙ্কা আরো বাড়ছে। এ জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে যেতে হবে। এ সময় সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সিকদার ছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হান্নানা বেগম, ড. আজিজুর রহমান ও আফরোজা বেগম প্রমুখ।

প্রকাশিত : ২৭ জুন ২০১৫, ০১:১০ এ. এম.

২৭/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: