কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সুখ-স্বপ্ন-সাধ ভেসে যায় বানের পানিতে

প্রকাশিত : ২৭ জুন ২০১৫

প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি ভাটিবাংলা খ্যাত হাওড় অঞ্চল। জলজ সংস্কৃতির এই অঞ্চলে বছরের ছয় মাস থাকে পানি। বাকি সময় এসব বিশাল হাওড়ের বুকে দেখা যায় সোনালি ধানের অবারিত প্রান্তর। এই সময়টুকু ফসল উৎপাদন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় হাওড়বাসীকে। বছরের এই সঞ্চয় থেকে নির্বাহ করতে হয় খাদ্য-শিক্ষা-চিকিৎসাসহ মৌলিক চাহিদা। মৎস্য চাষ আর কৃষিভিত্তিক প্রকল্প গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা রয়েছে এই হাওড়কে ঘিরে। ষড়ঋতুর এই দেশে হাওর অঞ্চল মূলত বর্ষা ও শুল্ক মৌসুম এই দুই ভাগে বিভক্ত। দেশের অর্থনীতিতে ধান এবং মাছের চাহিদা পূরণে আবহমান কাল থেকে অবদান রেখেছে হাওড়বাসী। অসীম সম্ভাবনার এই হাওড় অঞ্চলে কর্মসংস্থানের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অর্ধলাখ মানুষ বছরের ছয় মাস বেকার সময় কাটায়। হাওড়ের উন্নয়নে সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগসমূহের সমন্বয়ের অভাবে স্থায়ী ও কার্যকরী সুফল পাচ্ছে না হাওড়বাসী। দেশের জাতীয় উন্নয়নে হাওড়বাসী মনে করে, এই জনগোষ্ঠী ও সম্পদের অপার সম্ভাবনাকে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা গেলে পাল্টে যেতে পারে হাওড় অঞ্চলসহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চেহারা।

বর্ষায় সাগরের মতো অনন্ত অসীম মিঠাপানির জলাধার। হাওড় অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ মাছ। দেশের আহরিত মাছের শতকরা ২৫ ভাগ হাওর অঞ্চল থেকে আহরণ করা হয়। বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার অধিক মাছ পাওয়া যায় হাওড়ে। বাহারি প্রজাতির দেশীয় মাছ আহরণ করা হয় টাঙ্গুয়ার হাওড়, দেখার হাওড়, শনির হাওড়, টগার হাওড়, মাটিয়ান হাওড়, চন্দ্রসোনার থাল হাওড়, ডিঙ্গাপুতা হাওড়সহ ৪২০টি হাওড় ও অসখ্য ছোট-বড় নদ-নদী, খাল-বিল থেকে।

Ñএমরানুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ থেকে

প্রকাশিত : ২৭ জুন ২০১৫

২৭/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: