রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ বাস্তবায়ন চান ৭৭ ভাগ মানুষ

প্রকাশিত : ২৭ জুন ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সুন্দরবন রক্ষায় দ্রুত সময়ের মধ্যে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ বাস্তবায়ন চান প্রকল্পসংলগ্ন বাগেরহাটের রামপাল, মংলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৭৭ শতাংশ মানুষ। এজন্য এলাকার সব খালের অবৈধ বাঁধ ও পরিবেশবিনাশী চিংড়িঘের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

শুক্রবার রাজধানীর পুরনা পল্টনে কমরেড মণি সিংহ সড়কের মুক্তি ভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি (এনসিপিএসআরআর) এই তথ্য প্রকাশ করে। ‘মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের ওপর পর্যবেক্ষণ ও স্থানীয় জনমত জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ’ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রাকৃতিক তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ রক্ষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, যুগ্ম সম্পাদক মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, সেকেন্দার হায়াত ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাবেক পরিচালক এমদাদুল হক বাদশা। পর্যবেক্ষণ ও জরিপ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের সহসভাপতি তুসার রেহমান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিপকালে তিন উপজেলার ২০ গ্রামের ২২টি পেশার ৫০০ মানুষের মতামত নেয়া হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, রাজনীতিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ছাত্র, কৃষক, ক্ষেতমজুর, চিংড়ি ঘেরমালিক, ক্ষুদ্র চিংড়ি ব্যবসায়ী, মৎস্যজীবী, নৌকার মাঝি, দিনমজুর, গৃহিণী, এনজিওকর্মী, প্রাক্তন ছাত্রনেতা, ভ্যানচালক, পরিবেশকর্মী, সাধারণ ব্যবসায়ী ও বয়সের ভারে কর্মক্ষমতাহীন পরিবার-প্রধান। তাঁদের মধ্যে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ বাস্তবায়নের পক্ষে ৩৮৪ জন, বিপক্ষে ৮৭ জন মত দিয়েছেন। ১১ জন জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কিংবা না হলে তাঁদের লাভ-ক্ষতি কিছুই হবে না। আর এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি ১৮ জন। অর্থাৎ স্থানীয় প্রায় ৭৭ (৭৬ দশমিক ৮) শতাংশ জনগণ মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ বাস্তবায়ন চান। এই নৌপথ চান না ১৭ (১৭ দশমিক ৪) শতাংশ মানুষ। আর প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে ভাবনা নেই এবং মন্তব্যহীন মানুষের হার যথাক্রমে ২ দশমিক ২ শতাংশ এবং ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়, মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন এলাকায় ২৩৩টি সরকারী (সিএস ও এসএ রেকর্ডীয়) খালের ওপর এখনও এক হাজার ৯৩টি বাঁধ রয়েছে।

প্রকাশিত : ২৭ জুন ২০১৫

২৭/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: