কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

২৫ বছরে প্রায় ৪ লাখ নারীকর্মী বিদেশে

প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৫, ০৩:২৯ পি. এম.

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ১৯৯১-২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৬৫৬ জন নারীকর্মী পাঠানো হয়েছে।

দশম সংসদের দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বুধবার রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনের টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের দেয়া লিখিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

পাঁচ দিনের সরকারী সফরে মোশাররফ হোসেন বর্তমানে মালয়েশিয়া রয়েছেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেনের দেয়া অনুযায়ী, ১৯৯১ সাল হতে বাংলাদেশ হতে বিদেশে নারীকর্মী প্রেরণ করা শুরু হয়। সে হিসাবে ১৯৯১-২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৬৫৬ জন নারীকর্মী প্রেরণ করা হয়েছে। ২০১৪ সালে ৭৬ হাজার সাতজন নারী কর্মী বিদেশ গমন করেছে, যা মোট গমনের ১৭.৮৫ শতাংশ। ২০১৫ সালের জানুয়ারি-মে পর্যন্ত ৪০ হাজার ৩৮৭ জন নারীকর্মী বিদেশ গমন করেছেন, যা মোট গমনের ২০.৩শতাংশ।

বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর তথ্যে জানা যায়, জর্ডান, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ বিশ্বের ৬৭টি দেশে নারীকর্মীরা গমন করছেন।

চট্টগাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, নারীকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের তত্ত্বাবধানে সেফহোম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, কিছু অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সির অতিরিক্ত অর্থলিন্সায় অধিক অভিবাসন ব্যয়ে বিদেশ গমনের কারণে ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও দীর্ঘকাল অবৈধভাবে অবস্থানের প্রবণতা এবং বেশি বেতনের আশায় নিয়োগকর্তার নিকট পালিয়ে অন্যত্র কাজ করা প্রভৃতি কারণে বেশকিছু সংখ্যক কর্মী অবৈধ হয়ে পড়ে। সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়া, সৌদিআরব ও ইরাকে অবৈধ হয়ে পড়া প্রায় ১১ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে কর্মের বৈধকরণের আওতায় কর্মেও বৈধতা দেয়া সম্ভব হয়েছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসন-৫ সংসদ সদস্য বেগম আখতার জাহানের প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন-২০১৩ আওতায় বিদেশে কর্মী প্রেরণ করা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে মন্ত্রাণালয় অধীনস্থ বিএমইটি হতে ‘বহির্গমন ছাড়পত্র’ গ্রহণ না করে ছাত্র ও ট্যুরিস্ট ভিসায় গমন করে বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে কাজ করার জন্য আটক হন। আবার অনেকই অবৈধভাবে কোনো দেশে প্রবেশের কারণেও কারাভোগ করেন। এছাড়াও বৈধভাবে যাওয়া পরও সেদেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করে ফৌজদারি অপরাধে কারাভোগ করেন। বিদেশের কারাগারে আটক ব্যক্তিদের আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনের বাংলাদেশের দূতাবাসের ২৮টি শ্রম উইংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যারা ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হননি, তাদের দূতাবাস হতে প্রয়োজনীয় সহয়তা দিয়ে দেশে ফেরত আনা হয়।

কুমিল্লা-৮ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মিলনের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ৪ লাখ ২৫ হাজার ৬৮৪ জন বাংলাদেশী কর্মী চাকরি নিয়ে বিদেশ গমন করেছেন এবং রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৪ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৬০ দেশে ৩০ লাখ ৩০ হাজার ৪৩৮ জন কর্মী বিদেশী কর্মসংস্থান লাভ করেছেন।

প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৫, ০৩:২৯ পি. এম.

২৪/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: