মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ

প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৫, ০৩:২৬ পি. এম.

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ২০১৪ সালে বাংলাদেশে আগের বছরের তুলনায় সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে।

জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স অন ট্রেড এন্ড ডেভেলপমেন্ট(আঙ্কটাড)এর ‘বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন-২০১৫’ এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আঙ্কটাডের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৪ সালে বাংলাদেশে নিট এফডিআই এসেছে ১৫২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। যা ২০১৩ সালে ছিল ১৫৯ কোটি ৯১ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড বুধবার এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

রাজধানির দিলকুশায় জীবন বীমা ভবনে এ রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধূরী।

এছাড়া সরকারি হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন খান আলমগীর, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ফিকি) সভাপতি রূপালী চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এস এ সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনিীতি বিভাগের অধ্যাপক এম ইসমাইল হোসেন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে। এই খাতে মোট বিনিয়োগ এসেছে ৭২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

এরপরেই রয়েছে ট্রেড এন্ড কমার্স খাতের বিনিয়োগ। এই খাতে বিনিয়োগ এসেছে ৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। এরপরে ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ এসেছে ট্রান্সপোর্ট, স্টোরেজ এন্ড কমিউনিকেশন খাতে।

একক খাত হিসেবে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে বস্ত্র ও পোশাক খাতে। এরপরেই রয়েছে ব্যাংকিং খাতের ৩১ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারের বিনিয়োগ। যদিও ব্যাংকিং খাতে আগের বছরের তুলনায় বিনিয়োগ কমেছে।

এসব বিনিয়োগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর বাংলাদেশে উপার্জিত আয়কে পুনবিনিয়োগ করার মাধ্যমে। এই পুনঃবিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগ হয়েছে ৯৮ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এছাড়া ইক্যুইটি বা নিজস্ব মুলধন এসেছে ২৮ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের। আর আন্ত”কোম্পানি ঋণের মাধ্যমে বিনিয়োগ হয়েছে ২৫ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।

কি কারণে বিনিয়োগ কমেছে জানতে চাইলে বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এস এ সামাদ বলেন, “বিনিয়োগ কমে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। বরং আমরা আশা করেছিলাম বিনিয়োগ বাড়বে। কারণ বিনিয়োগ করার সকল ব্যবস্থা আগের চেয়ে সহজ করা হয়েছে।”

প্রধান অতিথি তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী আঙ্কটাডের এই প্রতিবেদনের তথ্যকে যথাযথ বলে মনে করেন না উল্লেখ করে বলেন, “এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে পুরো বিনিয়োগ চিত্র যথাযথভাবে ফুটে ওঠেনি। এখানে যেসব সূচক ধরে এফডিআই হিসাব করা হয়েছে এর বাইরেও অনেক বিনিয়োগ রয়েছে।’’

প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৫, ০৩:২৬ পি. এম.

২৪/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: