আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

১০ থেকে ১৯ জুলাই সব সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে

প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আসন্ন ঈদে যাতায়াত নির্বিঘœ করতে আগামী ১০ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ১০ দিন দেশের সব সিএনজি স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়াও ঈদের তিনদিন আগে ও পরের তিনদিন জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান এবং লরি বন্ধ থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্ট পণ্য, ওষুধ, জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।

মঙ্গলবার বিয়াম মিলনায়তনে ‘আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সড়ক পথে যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণের যাতায়াত নির্বিঘœ করার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়’ মন্ত্রী এসব সিদ্ধান্ত জানান। সব সিএনজি স্টেশন ১০ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয় পদক্ষেপ নেবে বলে জানান তিনি। মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের কারণে অসহনীয় যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রত্যেকে। এজন্য এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা হয়। বৈঠকে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন, ঈদের তিনদিন আগে ও পরের সাতদিন পর্যন্ত স্পেশাল ট্রেন চলবে। নয় জুলাই থেকে বিক্রি হবে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট। ৩২ দফা কার্যপত্র তুলে ধরেন সড়ক সচিব এম এন সিদ্দিক। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ, যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা মোকাবেলা, যত্রতত্র হর্ন বাজানো বন্ধসহ নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ১৫ দফা সিদ্ধান্তের কথা জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বৈঠকে আসন্ন ঈদে নিরাপদ সড়ক যোগাযোগের জন্য ঢাকায় যানজট রোধ, রাস্তা মেরামত, সকল হাইওয়েসহ রাজধানীতে বাজার, টার্মিনাল উচ্ছেদ, পার্কিং বন্ধ রাখা, ফুটপাথ পরিষ্কার রাখা, মহাসড়কে অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা, লক্কর ঝক্কর যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা, বাড়তি ভাড়া না নেয়া, দুর্ঘটনা রোধে ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত রেকার ও এ্যাম্বুলেন্স রাখা, রেশনিং পদ্ধতিতে গার্মেন্টস ছুটির, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হাইওয়ে ও ফেরিঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দেয়া হয়।

নয় জুলাই থেকে টেনের অগ্রিম টিকেট ॥ আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নয় জুলাই থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু কথা জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। বৈঠকে তিনি বলেন, রেলওয়ের তিনটি কারখানায় ইঞ্জিন ও কোচ মেরামত করে ঈদের সময় অতিরিক্ত ট্রেন দেয়া হবে। তিনি জানান, স্বাভাবিক সময়ে রেলওয়েতে এক লাখ ৭০ থেকে ৮০ হাজার যাত্রী দিনে পরিবহন করা হয়। ঈদের সময় প্রতিদিন রাজধানী থেকে আড়াই লাখ যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ছুটির দিনে আন্তঃনগরসহ সকল কোচ চলবে ঈদের সময়। ঈদে রেলওয়ের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিদের ছুটি বাতিলের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, রেল স্টেশনে ভিজিলেন্স ও মনিটরিং টিমের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। খোলা হবে কন্ট্রোল রুম। টিকেট কালোবাজারি ও নাশকতা রোধে ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে রেল স্টেশনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

নৌপথে অতিরিক্ত যাত্রী ও বাড়তি ভাড়া নয় ॥ নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বৈঠকে জানান, ঈদের সময় নৌপথে অতিরিক্ত যাত্রী ও বাড়তি ভাড়া নেয়া হবে না। কেউ নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, ঈদের সময় খারাপ আবহাওয়া থাকলে লঞ্চ বন্ধ থাকবে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়াসহ মাওয়া রুটে সকল সমস্যা সমাধান করা হবে। দেশের ১৪টি ফেরিঘাটে ইজারা না নেয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টোলের টাকা ফেরির টিকেট নেয়ার সময় পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোন লঞ্চঘাটেই ইজারাদার থাকবে না। ঈদের ৭-১০ দিন আগে সব ফেরি সচল হওয়ার কথা জানান তিনি।

বৈঠকে র‌্যাব ডিজি বেনজীর আহমেদ বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ৭০-৮০ লাখ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে র‌্যাবের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাস, লঞ্চ ও রেল স্টেশনে নজরদারিসহ আকাশ পথে টহল দেয়ার কথা জানান তিনি। এছাড়াও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগের জন্য হাইওয়ে এ্যাক্ট পরিবর্তন করা, সড়ক ও জনপথের রাস্তা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা না করে মৌচাক-মালিবাগ ফ্লাইওভারের কাজ করায় প্রকল্প পরিচালকে দোষারোপ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, গার্মেন্টেসগুলোতে সময় মতো বেতন পরিশোধ না হওয়ায় ঈদের আগে ছুটি নিয়ে ঝামেলা হয়। আশা করি এবারের ঈদের আগে বেতন ভাতা দেয়া হবে। ঢাকা সিটিকে কোন বাসস্ট্যান্ড না থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজধানীতে লক্কর ঝক্কর গাড়ি থাকবে না যদি দুই শতাংশ হারে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ওভারলোড, ওভারটেকিং ও ওভারস্পিড বন্ধসহ মহাসড়কে এ্যাম্বুলেন্স ও রেকারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তাব দেন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, কারওয়ানবাজারে নিয়মিত বাজার বসার কারণে রাজধানীতে যানজট হচ্ছে প্রতিদিন। এজন্য মহাখালী, যাত্রাবাড়ী ও আমিনবাজারে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা খরচ করে আলাদা তিনটি বাজার নির্মাণ হয়েছে। তাই কারওয়ান বাজার সরিয়ে নেয়ার কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, যে কনস্ট্রকশন কোম্পানি রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রীসহ ময়লা রাখবে তাকে আগামী মাস থেকে ঢাকা শহরে কাজ করতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, সব ঠিক থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে ৫০ ভাগ জ্যাম কমে যাবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, মাওয়া ও কাওরাকান্দি ঘাটে গাড়ি সিরিয়ালের নামে সাড়ে নয়শ’ টাকার স্থলে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ করেন। শিমরাইলে নূর হোসেনের সন্ত্রাসীরা যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়াও তিনি দেশের বিভিন্ন সড়ক ও স্থান উল্লেখ করে যানজট রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। আমিনবাজার ব্রিজের নিচে ইউলুপ অকার্যকর থাকায় সেতু মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পরিবহন নেতা ফারুক তালুকদার সোহেল।

বাবুবাজার ব্রিজে ডিভাইডারের কথা উল্লেখ করে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, আমিনবাজার-হেমায়েতপুর ও সাভার বাজারের কারণে ঢাকা মানিকগঞ্জ সড়কে যানজট হয়। এছাড়াও বাইপাইল-আশুলিয়ায় ব্যাপক যানজটে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। এ সময় ওবায়দুল কাদের মহাসড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বৃষ্টিকে বিলেন হিসেবে চিহ্নিত করে সমস্যা সমাধান করবেন না এমন কথা আর শুনব না। সারা বছর নাকে তেল দিয়ে ঘুমান। প্রতিবছর আশুলিয়া বাইপাইল সড়কে যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। আপনারা সারা বছর কি করেন।

হাইওয়ে ডিআইজি মল্লিক ফখরুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগেই হাইওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ওয়াচ টাওয়ার বসানো হবে। চন্দ্রা-কালিয়াকৈড়-বঙ্গবন্ধু নেতু পর্যন্ত যানজট রোধে আমরা সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। গার্মেন্টসের ভেতর থেকে শ্রমিকদের উঠিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।

বিকেএমইএ প্রেসিডেন্ট সেলিম ওসমান বলেন, ২৫-২৮ রোজার মধ্যে রেশনিং পদ্ধতিতে ৬৫ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিকের ছুটির ব্যবস্থা করা হবে। সব গার্মেন্টস যেন একদিনে না খোলে এ বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল ইসলাম রেশনিং পদ্ধতিতে গার্মেন্টস ছুটির দাবি জানান। ঢাকা রেঞ্চের পুলিশের ডিআইজি শফিক বলেন, বর্ষায় মাটি সড়ে রাস্তায় আসায় ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে গাড়ি যেতে পারে না। এ কারণে গাড়ি বিকল হলে অল্প সময়ের মধ্যে দীর্ঘ যানজট হয়।

স্থানীয় সরকার সচিব আব্দুল মালেক বলেন, মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভার প্রকল্পের জন্য ভোগান্তি নিরসনে ঈদের আগেই কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এ সময় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের পিডি ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে জনদুর্ভোগ কমছে না। তিনি বলেন, তারা মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে কথা দিয়ে কথা রাখেন না। এখানে দুর্ভোগের কোন শেষ নেই। আপনারা সবাই মিলে জনদুর্ভোগ কমান। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনেন। কাজ না করতে পারলে কার্যাদেশ বাতিল করুন। ঠিকাদারকে কালো তালিকাভুক্ত করুন। কারণ সে মানুষকে জিম্মি করেছে।

পুলিশের আইজি শহিদুল হক বলেন, সকল সমস্যা সমাধানে পুলিশ বাহিনী আন্তরিকভাবে কাজ করবে। এজন্য ডিআইজিসহ পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, মহাসড়কে স্প্রিড ব্রেকার সরানো, পর্যাপ্ত রেকারের ব্যবস্থা, হাইওয়েতে নসিমন, করিমন, ভটভটি, সিএনজিসহ অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভারের কারণে জনদুর্ভোগের ভিডিওচিএ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সবাই সহায়তা না করলে এই প্রকল্পের কারণে সামনের দিনগুলোতে আরও দুর্ভোগ বাড়বে। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে বের হতে ১৩টি পয়েন্টে যানজটের সমস্যা হবে না। মার্কেটসহ গোটা শহরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও যানজট রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের সময় মহাসড়কে যানজট হবে না, এমন গ্যারান্টি দিতে পারব না। তবে সড়কের কারণে কোন ভোগান্তি হবে না। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ হাইওয়েগুলো এখন ভাল। তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন প্রকল্পটির কাজ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। এই হাইওয়ের ১৪টি বাইপাসের মধ্যে ১২টি কাজ শেষ। তিনি আরও বলেন, উত্তরবঙ্গের সব রাস্তা ভাল। যশোর, খুলনা, ঢাকা, নবাবগঞ্জ, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল সড়কে যানজট সামলাতে খেয়াল রাখতে হবে। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা থাকলে মহাসড়কে কোথাও সমস্যা হবে বলে মনে করি না।

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের ২১ জেলার গেটওয়ে হলো মাওয়া ঘাট। ২১ অযোগ্য লঞ্চ যেন ঈদের সময় যাত্রী পরিবহন না করতে পারে এজন্য তিনি নৌপরিবহনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক পাটুরিয়া ঘাটে তিনটি রো-রো ফেরি বন্ধ থাকার কথা জানান।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, লেখক আবুল মকসুদ, চ্যানেল আই বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ প্রমুখ।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে রয়েছে, বাস টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে গৃহীত ব্যবস্থা, মাগবাজার রোডসহ সিটি কর্পোরেশন ও সকল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রাস্তাসমূহ মেরামত, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যস্থা গ্রহণসহ বিনা প্রয়োজনে গাড়ি না থামানো। যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনা এবং যে কোন অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবেলা, মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী বাজার অপসারণ, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্রাক-লরি ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ রাখা, সর্বক্ষণিক সিএনজি স্টেশন চালু, যত্রতত্র হর্ন বাজানো বন্ধ ও মহিলা আসন সংরক্ষিত রাখা। মহিলা ও শিশু যাত্রীদের সুবিধার্থে মহাসড়কে টয়লেট ব্যবহারের উপযোগী রাখা, জরুরী সার্ভিসসমূহ প্রস্তুত রাখা, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত রাখা, স্পেশাল বাস, ট্রেন ও লঞ্চ চালু, বিকল্প সড়ক ব্যবহার ও কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন।

প্রকাশিত : ২৪ জুন ২০১৫

২৪/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: