রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

মারাত্মক বায়ু ও শব্দদূষণে রাজধানী ঢাকা

প্রকাশিত : ২৩ জুন ২০১৫
  • শাহজাহান মিয়া

ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা। নদী দখল ও দূষণ এবং বিপর্যয়কর বায়ু ও মারাত্মক শব্দদূষণের কবলে পড়ে ঢাকার পরিবেশ ভয়ঙ্কর দূষিত হয়ে পড়ছে। ফলে এসব এলাকায় বসবাসকারী অসহায় মানুষকে প্রতিনিয়ত প্রচ- স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে দিনযাপন করতে হচ্ছে। বুড়িগঙ্গার ভয়ঙ্কর দূষিত পানি, ভারি সীসাযুক্ত বাতাস, মারাত্মক শব্দদূষণ এবং ত্রুটিপূর্ণ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিয়েছে মহানগরী ঢাকাকে। বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে মেগাসিটি ঢাকা। পরিস্থিতি বিস্ফোরণোন্মুখ। গবেষকদের মতে, ঢাকায় বায়ুদূষণ সহনীয় মাত্রার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। বিস্ময়ের বিষয় হচ্ছে, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে এ মাত্রা আরও বেশি। এসব এলাকার নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ শূন্যের কোঠায়। এছাড়া শব্দদূষণও কোথাও সহনীয় মাত্রায় নেই। দূষণের মাত্রা সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এসব জায়গায় বিশুদ্ধ পানি ও বায়ুর অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ জরিপে বায়ুদূষণের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান চতুর্থ। বিশ্বের ৯১টি দেশের এক হাজার ছয় শ’ শহরের সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণের শিকার ২৫টি শহর। এরমধ্যে ভারতের রাজধানী দিল্লী সবচেয়ে বেশি দূষিত। রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকার নাম। সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণের দেশ হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান। এর পরের ১০টি দেশের মধ্যে কাতার, ইরান, মিসর, আরব আমিরাত ও ভারতের নাম রয়েছে।

ঢাকার চারপাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চারটি নদী দখল ও দূষণের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন মহল তীব্র প্রতিবাদ করলেও, তা তেমন একটা আমলে নিচ্ছে না কেউ। বিচ্ছিন্নভাবে দু’একটি পদক্ষেপ নেয়া হলেও তাতে তেমন কোন কাজ হয়নি। পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ ও নিবন্ধ লেখা এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে নদী দখল, বায়ু ও শব্দদূষণ সম্পর্কে সচিত্র প্রতিবেদন প্রদর্শন করার পর লোক দেখানো পদক্ষেপ নেয়া হলেও, ধারাবাহিকতা বজায় না থাকার কারণে দখল-দূষণকারীরা উৎসাহবোধ করে তাদের ঘৃণ্য কাজ অব্যাহত রাখছে। প্রশাসনও যথারীতি দেখেও না দেখার ভান করে। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। পরিবেশ মানুষের জীবন নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবেশ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হলেও বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের ভূমিকা চোখে পড়ার মতো নয়।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটি গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল পারফর্মেন্স এ্যান্ড ইনডেক্স নামে যে বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ করেছে, তাতে মোট ১৭৮টি দেশের সার্বিক পরিবেশগত পরিস্থিতি ও জীবনমান বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৯তম। শুধু বিশুদ্ধ পানিদূষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৮তম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার আশপাশের চারটি নদীর সমস্যা মূলত দুটি। প্রধান সমস্যা হলো নদীর পানিদূষণ। শুধু বর্ষাকাল ছাড়া চারটি নদীর পানিই একেবারে আলকাতরার মতো কালো হয়ে যায়। এর জন্য মূলত দায়ী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা। ঢাকার চারপাশে নদীর তীরে গড়ে ওঠা অধিকাংশ শিল্পকারখানার কোন বর্জ্য শোধনাগার নেই। স্বল্পসংখ্যক শিল্পকারখানায় থাকলেও খরচের কথা চিন্তা করে বেশিরভাগ সময় তা ব্যবহার করা হয় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী-খাল-বিল এবং অন্য জলাশয়গুলো দূষণ ও দখলের প্রতিযোগিতা এবং শব্দদূষণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বায়ুদূষণ। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ আজ ভয়ঙ্কর বায়ুদূষণের কবলে। কয়েক বছর আগে যদিও সীসাযুক্ত পেট্রোল আমদানি বন্ধ করা হয়েছে এবং রাজধানী থেকে দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট ইঞ্জিনের বেবিট্যাক্সি উঠিয়ে দেয়া হয়েছে; তারপরও ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ মারাত্মক পর্যায়ে রয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ঢাকা মহনগরীর চারপাশে ইটভাঁটি, তীব্র যানজট, পুরনো মোটরগাড়ি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া এবং ধুলা। সারাদেশের প্রায় দশ হাজার ইটভাঁটির অর্ধেকই ঢাকা মহানগরীর আশপাশে। সেকেলে পদ্ধতিতে এসব ইটভাঁটিতে পোড়ানো হচ্ছে ইট। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুয়ায়ী আমদানিকৃত নিম্নমানের কয়লা ইটভাঁটিতে পোড়ানো হচ্ছে। ইটভাঁটি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া কমপক্ষে শতকরা ৩০ ভাগ বায়ুদূষণের জন্য দায়ী। কারণ নির্গত ধোঁয়ায় সালফারের পরিমাণ প্রায় ১০ ভাগ। অথচ পরিবেশসম্মত সর্বোচ্চ সীমা হচ্ছে মাত্র এক ভাগ। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যমতে, রাজধানী ঢাকার বাতাসে এখন প্রতি কিউবিক মিটারে এয়ারবর্ন পার্টিকুলেট ম্যাটারের পরিমাণ ২৫০ মাইক্রোগ্রাম, যা সহনীয় মাত্রার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। সহনীয় মাত্রা ৫০ মাইক্রোগ্রাম। ঢাকা মহানগরীতে ধুলা আরেক মহাজঞ্জাল। রাস্তায় মোটরযান চলার সময় এ ধুলা চারদিকে বাতাসে ছড়িয়ে অনেক সময় ঘন কুয়াশার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, শ্বাসনালী ও ফুসফুসের প্রদাহ, শ্বাসকষ্ট, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া ও ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ বায়ুদূষণজনিত কারণে হয়ে থাকে। আমাদের দেশে পূর্বে পানিবাহিত রোগই মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল। এখন দেশে মৃত্যুর প্রধান কারণ হচ্ছে বায়ুবাহিত রোগ। ঢাকা থেকে বিতাড়িত দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট ইঞ্জিনের বেবিট্যাক্সিগুলো অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরে চলাচল করে সৃষ্টি করছে তীব্র বায়ুদূষণ। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত শহর ও তার আশপাশের জনবসতি ও কৃষিজমিতে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে গড়ে ওঠা ইটভাঁটি দূষণ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বছর পঁচিশেক আগেও বুড়িগঙ্গার বুক ভরা থাকত স্বচ্ছ কাঁচের মতো টলটলে পানি। অথচ তখন বুড়িগঙ্গার ওপরে নির্মিত বাবুবাজার ব্রিজ দিয়ে সড়কপথে বিক্রমপুরে বাড়ি যাওয়ার সময় ব্রিজের ওপরে না উঠতেই পচা পানির গন্ধে নাকে রুমাল ধরতে হয়। এক সময় বুকে টলটলে পানি ধারণ করা নদীটির পানি এখন অবিশ্বাস্যভাবে দূষিত, ময়লা-আবর্জনায় পরিপূর্ণ, পূতিগন্ধময়, পানিশূন্যতায় হাহাকার তোলা এক হতশ্রী নদী। প্রতিনিয়ত বুড়িগঙ্গার পানিতে জমা হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে এ্যামোনিয়া, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, সালফিউরিক এসিড, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা, তামা, দস্তা, সীসা, আর্সেনিক, ব্রোমিন, নিকেল, ক্যাডমিয়াম, থ্যালিয়াম ও ক্রোমিয়াম। অনেক সময় এই পানিতেই হতদরিদ্র মানুষদের গোসল করতে দেখা যায়। অথচ বিশেষজ্ঞদের মতে, বুড়িগঙ্গার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ যা আছে, তাতে কোনমতেই ঐ পানির ধারেকাছে যাওয়াও নিরাপদ নয়। বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চার নদীর পানি প্রায় অক্সিজেনশূন্য। প্রায় দু’দশকের বেশি সময় ধরে হাজারীবাগ ট্যানারি, নদীর পাড়ের শিল্পকারখানার মালিকরা কোনরকম পরিশোধন ছাড়াই তাদের বিপুল পরিমাণ ময়লা এই নদীতে ফেলছে। বার বার বলা সত্ত্বেও শিল্পমালিকরা তাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বর্জ্য শোধনযন্ত্র লাগাচ্ছে না। অথচ তাদের কারখানায় বর্জ্য শোধনযন্ত্র লাগালেই ময়লা আলাদা হয়ে নদীতে এসে পড়বে পরিষ্কার পানি। নদীর পাড়ের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর, বাসার পানি ও বর্জ্যরে ড্রেনগুলো প্রকাশ্যে বা গোপনে নদীর পানিদূষণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

২০১৩ সালের ১৩ অক্টোবর বিসিক ও ট্যানারি মালিকদের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে হাজারীবাগের সব ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরিত করতে মালিকপক্ষ সম্মত হয়েছিল; অথচ তা হয়নি। সব সরকারের আমলেই প্রভাব-প্রতিপত্তিতে শক্তিশালী একটি স্বার্থান্বেষী মহল শুধু ঢাকার চারপাশের নদীগুলোই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা নদী ও জলাশয়গুলো ভরাট করে তা দখলে নিচ্ছে অব্যাহত ধারায়। ঢাকাকে বাঁচাতে হলে ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখল ও দূষণমুক্ত করার কোন বিকল্প নেই।

পাশাপাশি আরেক ভয়াল-ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসমূলক দূষণের নাম হচ্ছে শব্দদূষণ। সহনীয় মাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি শব্দের মধ্যে বাস করতে হচ্ছে রাজধানী ঢাকার মানুষকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৮০ ডেসিবেলের বেশি মাত্রার শব্দ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, নিরাপদ শব্দমাত্রা ৪৫ ডেসিবেল। ৬০ ডেসিবেলের বেশি মাত্রার মধ্যে দীর্ঘদিন বাস করলে শ্রবণশক্তি কমে যায়। হৃদযন্ত্রের স্পন্দন বৃদ্ধি পায়। শিশুদের বেড়ে ওঠা হয় বাধাগ্রস্ত। শব্দদূষণের কারণে উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, মাথাধরা-মাথাব্যথা এমনকি অস্বাভাবিক আচরণ করার মতো নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। তবে বিভিন্নভাবে সৃষ্ট শব্দ ছাড়াও ঢাকা মহনগরীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে কর্ণবিদারী এই জঘন্য শব্দসন্ত্রাসের আগ্রাসনের জাঁতাকলে প্রতিমুহূর্তে পিষ্ট হচ্ছে নগরবাসী। ঢাউস ঢাউস সাইজের বাস আরেক কথায় যন্ত্রদানবগুলোর চালক নামক দুর্বৃত্তদের দস্যুতা সীমা ছাড়িয়ে গেছে। বেআইনীভাবে বেশিরভাগ বড় বাসগুলো হাইড্রোলিক হর্ন লাগিয়ে অযথা তা বাজিয়ে রাস্তায় ত্রাস সৃষ্টি করে। রাজধানী ঢাকায় কান ফাটানো হর্ন বাজানো যেন একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। রাস্তা ফাঁকা থাকলেও চালকরা জোরে হর্ন বাজায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, যানজটে আটকা পড়ে আছে সব ধরনের যানবাহন। কোনদিকে যাওয়ার উপায় নেই। তারপরও বড় বড় বাসের চালকরা হাইড্রোলিক হর্ন বাজিয়ে রিক্সার যাত্রী, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী এমনকি পথচারীদের কানের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে। এটা স্রেফ পশুর মতো আচরণ। কোন রিক্সায় বা বাবা-মায়ের সঙ্গে কোন অবুঝ শিশু থাকলে ঐ কোমলমতিদের কী অবস্থা হয়, তা সহজেই অনুমেয়।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষীয় উদাসীনতায় শব্দদূষণ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ২০০৬ সালে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণীত হলেও এর কোন প্রয়োগ নেই বললেই চলে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান, বিভাগ, অধিদফতর এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে সমন্বিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিগত দশ বছরে আমি বেশ কয়েকবার বিষয়টির গুরুত্ব সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃপক্ষেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। বেশ কয়েক বছর আগে বর্তমান আইজিপি শহীদুল হক যখন রাজধানী ঢাকার পুলিশ কমিশনার ছিলেন, তখন একটি লেখায় তার দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছিলাম। আইজিপি বাস-ট্রাকে হাইড্রোলিক হর্ন বাজানো বন্ধে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেন বলে আমি মনে করি। জনস্বার্থে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে মাননীয় হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে এ বিষয়ে দয়া করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। কারণ এর আগেও অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাননীয় হাইকোর্ট অনেক কিছু করেছে। তাই মাননীয় হাইকোর্টকেই এ বিষয়ে শেষ ভরসা বলে মনে করছি।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

প্রকাশিত : ২৩ জুন ২০১৫

২৩/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: