কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিশ্ব অর্থনীতির

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫
  • নিম্নমুখী ভারতের রফতানি

টানা ছয় মাস ধরে ভারতের রফতানি বাণিজ্য নিম্নমুখী। তেলের দরপতন, উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে ভারতের রফতানি বাজারে নিম্নমুখিতা বিরাজ করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। দেশটির রফতানি কমার গতি এশিয়ার যে কোন দেশের তুলনায় বেশি ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতির এই দেশটির রফতানি বাণিজ্যের এই পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলটির অর্থনীতিকে মন্দার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মে মাসে ভারতের রফতানি ২০ দশমিক ১৯ শতাংশ কমে ২২ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এপ্রিলে রফতানি সঙ্কুচিত হয়েছিল ১৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ভারতের রফতানি বেশি হারে হ্রাস পেলেও এশিয়ার অন্য দেশগুলোতেও রফতানি তুলনামূলকভাবে কমছে।

আয়বৈষম্য বিতর্ক

বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত আয়বৈষম্য বেড়েই চলছে। এই বেড়ে চলা বিশ্বকে নিয়ে যাচ্ছে এক অসমতাভিত্তিক সমাজের দিকে। আয়বৈষম্য যে কতটা ক্ষতিকর হতে পারে তা বলতে গিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল নতুন এক বির্তকের জন্ম দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ধনীরা যদি আরও ধনী হতে থাকে তাহলে একটি দেশের পুরো অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর যদি সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠী সম্পদের সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সুযোগ পায় তাহলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেগবান হয়। আইএমএফ আয় বণ্টনের সঙ্গে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করে। আয়বৈষম্যের কারণে শুধু সামাজিক বৈষম্যই সৃষ্টি হয় না, এতে দেশের অর্থনীতিতে যে নেতিবাচকতা সৃষ্টি হয়, তা দেখিয়েছে। আইএমএফের মতে, ধনীদের প্রভাব বৃদ্ধিতে এবং দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি থমকে যাওয়ায় অর্থনৈতিক সঙ্কটের আশঙ্কা বেড়ে যায়। এতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদেও জাতীয় প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়।

সৌদি স্টক এক্সচেঞ্জে বিদেশী

সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো লেনদেনের অনুমতি পেলেন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। আরব বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই স্টক এক্সচেঞ্জে বিদেশীদের বিনিয়োগের অনুমতি দেয়া হয়েছে মূলত আন্তর্জাতিক মূলধনী বাজারে নিজেদের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গড়ে তুলতে। দেশটির শেয়ারবাজারে নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন যোগ্য বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। তবে বিদেশী ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস, তহবিল ব্যবস্থাপক ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের মাধ্যমে দেশটির স্টক একচেঞ্জে সরাসরি বিনিয়োগ করতে পারবে। বর্তমানে আরব দেশটির বাজারে মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৫৬০ বিলিয়ন ডলার, যা উপসাগরীয় বাকি দেশগুলোর সমন্বিত মূলধনের চেয়েও বেশি। বাজারটিতে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁঁছবে বলে প্রত্যাশা করছেন বিশ্লেষকরা। বিদেশী মূলধনের ওপর নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করায় সৌদি আরবের শেয়ারবাজার অধিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন ওসুল এ্যান্ড বাখিত ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির প্রধান বেশর বাখিত।

অর্থনীতি ডেস্ক

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫

২১/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: