কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

রমজানে চাঙ্গা অর্থনীতি

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫

বিশ্বজুড়েই উৎসবের অর্থনীতি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন উৎসব ঘিরে নানা ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকা- অর্থনৈতিক গতি প্রবাহ বাড়িয়ে তোলে। ভগ্ন অর্থনীতিকে দেখায় আশার আলো। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এদেশে প্রায় তিন কোটির মতো লোক ছোট কিংবা বড় ব্যবসায়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে এদের ব্যবসায় হয়ে ওঠে রমরমা। বিশেষ করে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে। দিনকে দিন মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়ছে, বাড়ছে ক্রয়ক্ষমতা। ফলে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়ের আকার বাড়ছে, দেশের অর্থনীতিতেও যোগ হচ্ছে বেশি পরিমাণ অর্থ। এ বছর এই রোজার মাসে দেশের অর্থনীতিতে সোয়া এক লাখ কোটি টাকা যোগ হবে বলে প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এটি ঘটলে তা সত্যিই বিরাট ব্যাপার হবে। দেশের অর্থনীতিতে রাজনৈতিক নষ্টামির কারণে যে কালো ছায়া নেমেছিল, তা দূর হয়ে যাবে। ঘুরে দাঁড়াবে দেশের অর্থনীতি।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার

রমজান মাস মানেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসায়ীদের রমরমা অবস্থা। এবারও ব্যতিক্রম দেখা গেল না। রমজান মাসে মানুষ একটু ভাল জিনিস ভোগ করতে চায়। এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে নিত্যপণ্যের ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে পণ্যের দাম। সৃষ্টি করছে কৃত্রিম সঙ্কট। টিসিবি থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। সরকার থেকে বলা হয়েছিল, এবারের পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে, সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও বলেছিল দাম বাড়বে না। কিন্তু আদৌতে সবই কথার কথা হয়ে পড়েছে। বাজারে গিয়ে দেখা গেল পণ্য প্রতি দাম দশ থেকে বিশ টাকা এবং কোন কোন পণ্যের দাম দ্বিগুণও হয়ে গেছে। কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের পাইকারি ব্যবসায়ী উজ্জ্বলকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তার উত্তর, রোজার মাস আইলে জিনিসপত্রের দাম সবসময়ই বাড়ে। এটা নিয়ে জিজ্ঞেস করণের কিছু নাই ভাই। কারা দাম বাড়ানোর সঙ্গে জড়িত, এমন প্রশ্নের জবাব দিতে চাননি তিনি। উজ্জ্বলকে জিজ্ঞেস করে জানা যায়, তিনি রোজা আছেন। রোজার শিক্ষা তো অতিমুনাফা নয়। তাহলে মানুষের গলায় পাড়া দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া কী ঠিক হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে বাবুলের উত্তর, ‘ভাই ব্যবসায়ের সঙ্গে ধর্মরে মিলাইয়েন না। কেন, এ মাসে পুলিশ কি ঘুষ খায় না, সরকারী চাকরিওয়ালারা কি ঘুষ খায় না? হগ্গলেই ধান্ধা করে, কেবল আমরা করলেই আপনারা পেপারে এডা নিয়া বেশি মাতামাতি করেন।’ উজ্জ্বলের কথা থেকেই বোঝা যায়, দাম কারা কেন বাড়িয়েছে। দাম বৃদ্ধি নিয়ে পূর্ব রাজাবাজারের ভ্যানে তরকারি বিক্রেতা সেলিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বেশি দামে মাল কিনতাসি, কম দামে বিক্রি করুম ক্যামনে? রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি সীমিত আয়ের মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে তেজতুরী বাজারে সবজি কেনারত মিসেস রীতা হোসেনকে দাম বৃদ্ধির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ভাই ব্যবসায়ীরা সব এক একটা ডাকাত। দেখেন না বেগুনের কেজি একশ’ দশ টাকা চাচ্ছে। বলেন ভাই, আমাদের মতো চাকরিজীবীদের এত বেশি দামে এগুলো কেনা সম্ভব? একটা কিনতে গিয়ে আরেকটার বাজেট কমিয়ে দিতে হচ্ছে।’ রীতা হোসেনের কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, দাম বৃদ্ধির পাগলা ঘোড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পেরে তার মতো সীমিত আয়ের মানুষদের সংসার চালাতে হচ্ছে টানাটানি করে। খোলা বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে স্বপ্ন, আগোরা, মীনাবাজারের মতো আউটলেটগুলোতেও পণ্যের দাম সমানতালে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে। সংযমের মাস রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষকে অনেকটা জিম্মি করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছেন, যা কাম্য হতে পারে না। তবে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে পণ্য কিনলেও, রমজান উপলক্ষে বেচা-কেনার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থনীতিতে গতি সৃষ্টি হয়েছে। জনর্দুভোগ সৃষ্টি করে অর্থনীতিতে গতি সৃষ্টি কখনই কাম্য হতে পারে না।

ইফতারি ও সেহরি আইটেম

রমজান মাসে ইফতারি ও সেহরি আইটেমের রমরমা ব্যবসা দেখা যায়। ফুটপাথের দোকান থেকে শুরু করে দামী দামী রেস্টুরেন্ট সর্বত্রই ইফতারি ও সেহরির আয়োজন করা হয়। দিনের বেলায় খাবারের দোকানগুলোতে ব্যবসা কম হলেও ইফতার, রাতের খাবার এবং সেহরির আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নেয়া হয় বলে জানালেন পান্থপথ মোড়ের ক্যাপসিকাম রেস্টুরেন্টের মালিক। এতে বোঝা যায়, রমজানের মাস বলে হোটেল ও রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় মন্দা হয় বলে যে ধারণা করা হয়, তা ঠিক নয়। সাধারণ সময়ের থেকেও এ মাসে রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় বেশি চাঙ্গা থাকে। হরেক রকমের ইফতারির পসরা সাজিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয় ন্যায্যমূল্যের চেয়ে বেশি অর্থ। এখন অনেক রেস্টুরেন্ট ইফতারি পার্টির সঙ্গে সঙ্গে সেহরি পার্টির আয়োজনও করছে। এতে ফুলেফেঁপে উঠছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। পুরান ঢাকা বিশেষ করে চকবাজারে এ মাসে জমে ওঠে জমজমাট ইফতারির ব্যবসা। দুপুর থেকেই থরে থরে সাজানো হয় ঐতিহ্যবাহী সব ইফতার আইটেম। সারা ঢাকা শহর থেকে মানুষ এখানে আসে ইফতারি কেনার জন্য। আইটেমগুলোর দাম অনেক বেশি হলেও, মানুষ হামলে পড়ে এখানকার ইফতারির জন্য। কথা হলো, চকবাজারের ইফতারির দোকানদার জামানের সঙ্গে। তিনি আসলে পেশায় মুদি দোকানদার। কিন্তু এ মাসে অধিক লাভের জন্য ইফতারির দোকান দিয়েছেন। এ মাসে শুধু ইফতারি বিক্রি করে সকল খরচ বাদ দিয়ে লাখখানেক টাকা মুনাফা প্রত্যাশা করছেন।

পোশাকের বাজার

রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় পোশাকের বাজার। সবশ্রেণীর মানুষই তার সার্মথ্য অনুযায়ী নতুন পোশাক পরতে চায় ঈদের দিন। সেজন্য পোশাকের বাজার রমজান মাসে জমজমাট হয়ে ওঠে। ফুটপাথের দোকান থেকে শুরু করে বড় বড় শপিংমল-সর্বত্রই চলে নতুন পোশাকের বিকিকিনি। কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জে রমজানের আগ থেকেই চলে বেচা-কেনার ধুম। এখানে ছোট বড় প্রায় হাজার চৌদ্দ পোশাক কারখানা আছে। দেশের স্থানীয় চাহিদার প্রায় ষাট ভাগ এখান থেকে পাইকারি বাজারে সরবরাহ করা হয়। ইসলামপুর, বঙ্গবাজারসহ সারাদেশের পাইকাররা এখান থেকে ট্রাকে ট্রাকে পোশাক কিনে নিয়ে যায়। কালীগঞ্জের ব্যবসায়ী সুমন হালদার প্রত্যাশা করেন, এ মাসে তার কারখানা থেকে প্রায় চার কোটি টাকার পোশাক বিক্রি হবে। ইসলামপুর, বঙ্গবাজার ও গাউছিয়া ঘুরে দেখা গেল ব্যাপক তোড়জোড়, ব্যাপক ভিড়। সারাদেশ থেকে বিভিন্ন শোরুমের খুচরা ব্যবসায়ীরা এ পাইকারি মার্কেটগুলো থেকে পোশাক কিনে সাজাচ্ছেন নিজেদের শোরুম ও দোকানগুলো। নতুন কোন কোন আইটেম বাজারে এসেছে, সেদিকেই মূলত সবার নজর বেশি। বঙ্গবাজারে পোশাক কেনারত লক্ষ্মীপুর রায়পুরের শুচিতা কমপ্লেক্সের আনোয়ারের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, রমজান শুরু হলেও আমাদের এখনও বেচাকেনা তেমনভাবে শুরু হয়নি। কিন্তু আগেভাগে সব নতুন আইটেমগুলো কিনে রাখছি। এবার কেমন ব্যবসা হতে পারে বলে মনে করেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার বলেন, ‘ভাই আমরা সারা বছর দোকানে বসে মাছি মারি। কোন মতে দোকান খরচ ওঠাই। দুটি ঈদে আমাদের যে ব্যবসা হয় তা দিয়েই আসলে আমাদের সারা বছর চলে। গত বছর বেশ ভাল ব্যবসা হলেও এবার আমার মনে হচ্ছে তেমন ব্যবসা করতে পারব না। সব কিছুতেই মন্দা। মানুষের হাতে টাকা পয়সা নেই। পোশাক কিনবে কোত্থেকে?’ আনোয়ারের কন্ঠে তিনমাসের দুর্ভোগের প্রতিধ্বনিই হয়। শপিং সেন্টার ও ফ্যাশন হাউসগুলোতে নানা নতুন আইটেমের পোশাক আনা হয়েছে। তবে এখনও ক্রেতার ভিড় নেই। বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের ইনফিনিটি শোরুমের এক সেলসম্যান বলেন, এখনও তেমন কাস্টমার না এলেও রমজানের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রচুর কাস্টমার আসবে বলে আশা করছি। পোশাক কারখানা, পাইকারি বাজার জমজমাট হয়ে উঠলেও এখনও সাধারণ ক্রেতারা ঈদের পোশাক কেনা শুরু করেননি। ঈদের দিন দশেক আগ থেকে শপিংসেন্টার ও মার্কেটগুলো সাধারণ ক্রেতাদের কারণে জমজমাট হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

জুতোর বাজার

এ মাসে জুতোর বাজার জমজমাট থাকে। ঈদে পোশাকের সঙ্গে নতুন জুতো কেনা চাই। এজন্য এ মাসে জুতোর বাজারের অবস্থাও বেশ রমরমা থাকতে দেখা যায়। তবে এখনও জুতোর দোকানগুলো রমরমা হয়ে ওঠেনি। ফার্মগেটের বাটার দোকানে ডিসকাউন্ট চলছে, তবু প্রত্যাশা অনুযায়ী তারা জুতো বিক্রি করতে পারছে না। তবে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আশা করছেন রমজানের মাঝামাঝি সময় থেকে কাক্সিক্ষত মাত্রায় বিক্রি করতে পারবেন। ফার্মগেটে ফুটপাথের জুতোর দোকানদার মিলন বলেন, আগে যেমন বিক্রি করতাম, এখনও সেরহমই হইতাসে। তয় সামনের দিকে বিক্রি বাড়ব। তবে ভিন্ন চেহারা হাজারীবাগ ও বংশালের জুতোর কারখানাগুলোতে। বেজায় ভিড়। ফুলবাড়িয়ার পাইকারি জুতোর মার্কেটেও বেজায় ভিড়। জমে উঠেছে পাইকারদের জুতোর ব্যবসা। সারাদেশের জুতোর দোকানিরা এ জায়গাগুলো থেকে জুতো কিনে সাজাচ্ছে নিজেদের দোকান। এখনও সেগুলো জমে না উঠলেও অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই জমে উঠবে বলে আশা করা যায়।

আরও সব রমরমা ব্যবসা

রমজান ও ঈদ উপলক্ষে টুপি, তসবি, আতর ও ধর্মীয় গ্রন্থের ব্যবসায়-বাণিজ্য বেশ জমে ওঠে। মসজিদের পাশে টেবিল কিংবা দোকান দিয়ে বসেন অনেকে। রমজানজুড়েই বেশ বেচাবিক্রি চলে এগুলোর। কারওয়ান বাজার জামে মসজিদের পাশের টুপির দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর তার দোকানে যে বেচা-বিক্রি হয়, তার থেকে অনেক বেশি বেচা বিক্রি হয় এই একমাসে। রমজান ও ঈদ উপলক্ষে জমে ওঠে অলংকার, কসমেটিক্সের ব্যবসাও। ঈদের দিনে নারীদের সাজগোজের অনুষঙ্গ হিসেবে অলংকার ও কসমেটিক্সের ব্যবসায় রমরমা হয়ে থাকে। নিউমার্কেটের কসমেটিক্সের দোকানি ইয়াকুব বলেন, এখনও তেমন বেচতে পারতাছি না, আর কয়দিন পর বেচা বিক্রি বাড়ব। ফার্নিচার, তৈজসপত্র এবং টিভি, ফ্রিজের দোকানগুলোতেও এ সময় বেশ রমরমা অবস্থা বিরাজ করে। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে এসব ব্যবসায়ী এ সময়টাই বিভিন্ন হারে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। পান্থপথের ফার্নিচার দোকানি মোসাদ্দেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রমজান মাসে অন্যান্য মাসের থেকে দ্বিগুণ বেচা বিক্রি হয়।

ব্যাংকিং লেনদেন, রেমিটেন্স ও অন্যান্য

রমজান ও ঈদ উপলক্ষে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে যে জোয়ার সৃষ্টি হয়, তার ঢেউ লাগে ব্যাংকি সেক্টরেও। এ সময়টাতে ব্যাংক লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে যায় কয়েকগুণ। ফলে অনেক সময় ছুটির দিনেও ব্যাংক খোলা রাখতে হয়। এ সময়টাতে দেশে রেমিটেন্সের পরিমাণও অন্যান্য মাস থেকে বেড়ে যায় কয়েকগুণ। প্রবাসীরা রোজা ও ঈদ উপলক্ষে বেশি করে টাকা পাঠানোয় বেড়ে যায় রেমিটেন্সের পরিমাণ। ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন সেবাখাতেও এই মাসে বেশ রমরমা অবস্থা দেখা যায়। বিশেষ করে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্টদের আয় বেড়ে যায়। আয় বৃদ্ধি পায় শ্রমিকদেরও। সেলুনের দোকানদার থেকে শুরু করে রিক্সাওয়ালা- সবারই আয় এ মাসে অন্যান্য মাসের তুলনায় বেড়ে যায়।

রমজান মাস আসায় প্রায় ঘুমিয়ে পড়া অর্থনীতি জেগে উঠেছে। সর্বত্র সঞ্চার হয়েছে প্রাণ। অর্থনৈতিক এই চাঞ্চল্য টানা তিন মাসের ক্ষতকে শুকিয়ে দেবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এই প্রত্যাশা কাক্সিক্ষত। কিন্তু তাই বলে অসাধু ব্যবসায়ীরা রমজান ও ঈদে সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে টাকা কড়ি ডাকাতের মতো হাতিয়ে নেবেন, তা কাম্য নয়, বরং ঘৃণ্য ও পরিত্যাজ্য।

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫

২১/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: