কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মহেশখালীতে সংযোগ সড়কের অভাবে অচল সোনাদিয়া সেতু

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, মহেশখালী, ২০ জুন ॥ মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা-সোনাদিয়া ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে ব্রিজটি চালু না হওয়ায় জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ২০০৬ সালে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুইটি ব্রিজ সংযোগ সড়কের অভাবে র্দীঘ দশ বছর ধরেও চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সোনাদিয়ার প্রায় ১০ হাজার লোক নৌকা দিয়ে যাতায়াত করতে নানা দুর্ভোগের কবলে পড়ছে। জানা গেছে, উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাংগা-সোনাদিয়ার ব্রিজের সংযোগ সড়কের কাজ ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয়। আর ঠিকাদার নির্মাণ শুরুতেই কাজের ধীরগতির পাশাপাশি নিম্নানের সামগ্রী ব্যবহারসহ মাটির পরিবর্তে বালি দিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ করে আসছে। এলাকার লোকজন নিম্নমানের কাজে বাধা দিলেও ঠিকাদার বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে নেন। মাটির পরিবর্তে বালি দিয়ে সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই গত ২০১০ সালের জুন ও জুলাই মাসে তা আবার সাগরে বিলিন হয়ে গেছে। পরে কিছু দিন কাজ করলেও ২০১০ সালের নবেম্বর মাস থেকে ওই সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। কুতুবজোম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা শফিউল আলম বলেন, মাটি না দিয়ে শুধু বালি দিয়ে সংযোগ সড়ক করার দুই মাসের মধ্যে তা সাগরে বিলিন হয়েছে। ফলে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে।

তালতলীতে সিডরে বিধ্বস্ত সেতু ৮ বছরেও মেরামত হয়নি

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী, বরগুনা, ২০ জুন ॥ আমতলী ও তালতলী উপজেলার সীমান্তবর্তী কচুপাত্রা নদীর উপর ৩৩ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু গত ৮ বছরে নির্মাণ হয়নি। শুধু হয়েছে অর্থ লোপাটের ঘটনা।

জানা গেছে, আমতলী ও তালতলী উপজেলার সীমান্তবর্তী কচুপাত্রা বাজার সংলগ্ন ৩৩ মিটার দৈর্ঘ্য ফুট ব্রিজটি ১৭ বছর আগে নির্মাণ করা হয়। ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরে ব্রিজের মাঝখানের পাটাতন নদীতে ভেঙ্গে পরে যায়। এ প্রেক্ষিতে কচুপাত্রা, শারিকখালী, কড়াইবাড়ীয়া, পচাকোড়ালীয়া, ছোটবগী, কলারং, হুলাটানা, হাড়িপাড়া, চান্দুখালী ও কড়াইতলা এ ১০ গ্রামের মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ার পরে স্থানীয় জনগণ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার শুরু করে। ২০১২ সালের পূর্বে ৫ বছর ব্রিজটি ছিল আমতলী উপজেলা পরিষদ ও কড়াইবাড়ীয়া ইউনিয়নের আওতায়। তৎকালীন জন প্রতিনিধিরা ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের দিকে লক্ষ্য না দিলেও কাঠের পুল নির্মাণ ও মেরামতের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন দফতর থেকে বেশ কয়েকবার চাউল ও গম বরাদ্দ নিয়ে হরিলুট করে বলে স্থানীয় জনগণের অভিযোগ।

প্রকাশিত : ২১ জুন ২০১৫

২১/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: