আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণে প্যাকেজ ভ্যাট বৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য নয়

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫, ০৩:০২ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রস্তাবিত প্যাকেজ ভ্যাট বৃদ্ধি করে এলাকাভিত্তিক দোকান ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতারা। ক্ষুত্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণে প্যাকেজ ভ্যাট বৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য নয় এমন অভিযোগ এনে তা কমানোর দাবীও জানিয়েছেন তারা। এসময় তারা বলেন, প্যাকেজ ভ্যাট ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ন্যায় অব্যাহত রাখার দাবী জানাচ্ছি। দোকান মালিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যারা প্যাকেজ ভ্যাট প্রদান করেন তাদেরকে স্থান ও স্থাপনার মূসক থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। প্যাকেজ ভ্যাট বৃদ্ধি করায় ক্ষুদ্র ও খুচরা ব্যবসায়ীদের উৎসাহ উদ্দিপনায় ব্যাঘাত ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন ব্যবসায়িক এ সমিতির নেতারা।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বিরাজমান ব্যবসায়ীক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে এসব অভিযোগ তোলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি তৈফিক এহসান।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্যাকেজ ভ্যাট বৃদ্ধি করায় দোকান মালিক তথা ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ীদের উৎসাহ উদ্দিপনায় ব্যাঘাত ঘটবে। তাই প্যাকেট ভ্যাট চলতি অর্থ বছরের ন্যায় অব্যাহত রাখার দাবী জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির চেয়ারম্যান এস এ কাদের কিরন বলেন, ধানমন্ডি সার্কেলের ডিসি ইতোমধ্যে চিঠি পাঠিয়ে বাড়তি অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন। সুপার শপে পূর্বে ভ্যাট ছিল ২ শতাংশ, বর্তমানে তা ৪ শতাংশ করা হয়েছে। এটা তাদের নোটিশ করা হয়েছে, কিন্তু তা বাজেট পাশ হওয়ার পূর্বে সম্পূর্ণরুপে অনৈতিক। ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রেও দোকানদারদের প্রচুর হয়রানি করা হয়। অডিট পরিচালনা না করেই তারা দোকনদারদের খাতা-পত্র নিয়ে যায়, যা স¤পূর্ণভাবে বে-আইনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ক্ষুদ্র ও খুচরা ব্যবসায়ী বা দোকানের এলাকাভিত্তিক বছরে ১১ হাজার টাকা (ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন), ৮ হাজার টাকা ( অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন), ৬ হাজার টাকা ( জেলা পৌরসভা) ও ৩ হাজার টাকা (দেশের অন্যান্য এলাকায় নির্ধারিত ছিল কিন্তু বর্তমানে প্রস্তাবিত বাজেটে ১৪ হাজার টাকা, ১২ হাজার টাকা, ৭ হাজার ২০০ টাকা, ৩ হাজার ৬০০ টাকায় বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যার ফলে একদিকে দোকান মালিকগণ একটা বাড়তি চাপে থাকবে, অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব কর্মকর্তাদের হয়রানীর মাত্রা বাড়বে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মো: শাহ আলম খন্দকার, যুগ্ম মহাসচিব আবুল কাশেম পাটোয়ারী, সংগঠনের কামাল হোসেন কামাল, এস এম সাইদ সুফি, রফিকুল ইসলাম আইয়ুব প্রমুখ।

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫, ০৩:০২ পি. এম.

২০/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: