কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

খাদ্য আদালত গঠনের দাবিতে পবার মানব বন্ধন

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫, ০১:০৮ পি. এম.

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ রোজার মাসকে কেন্দ্র করে খাদ্যে ভেজাল মেশানো ব্যবসায়ীরা আরোও সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। সেহরি ও ইফতারের খাদ্য সামগ্রিতে মেশানো হচ্ছে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য। রাজধানীর বিভিন্ন ইফতারির দোকানের খাদ্য সামগ্রিতে টেক্সটাইল গ্রেড রং ব্যবহার করা হচ্ছে, জিলাপি, পিয়াজু, চপসহ প্রায় প্রতিটি ইফতারি খাদ্য সামগ্রিতেই এডিবল ওয়েলের পরিবর্তে পেট্রোল ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে দেশের প্রতিটি সচেতন ও বিবেকবান মানুষ উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। তাই রাজধানীসহ দেশের প্রতিটি জেলায় খাদ্য আদালত গঠন করা সময়ের দাবি। শনিবার সকাল পৌনে বারোটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বক্তারা এ দাবি জানান। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং আইনের পাঠশালা এবং পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটি কর্মসূচিটির আয়োজন করে।

মানবন্ধনে আইনের পাঠশালার সহ-সম্পাদক সুব্রত দাস খোকনের উপস্থাপনায় এবং পবার সহ-সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পবার সদস্য সচিব জাকিয়া শিশির, সহ-সম্পাদক আবুল হাসনাত, মো. সেলিম, পরিবেশ উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি বোরহান উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নীলয় প্রমুখ। মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক লোক অংশ নেয়।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, খাদ্য-দ্রব্যের সাথে মেশানো রাসায়নিক পদার্থসমূহ মানব দেহে মারাত্মক বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। ভেজাল খাদ্য স্লো পয়জোনিংয়ের মাধ্যমে আমাদেরকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিষযুক্ত খাবারের কারণে দেশে এক ধরনের নীরব এবং ধীর গণহত্যা চলছে। বিষয়টি নিয়ে দেশের প্রতিটি সচেতন ও বিবেকবান মানুষ উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। বিষযুক্ত খাবারের কারণে দেশে এক ধরনের নীরব এবং ধীর গণহত্যা চলছে।

বক্তারা আরও বলেন, ২০১৩ সালে নিরাপদ খাদ্য আইন আইন প্রনয়ণের পর দেশবাসী সাধুবাদ জানিয়েছিলো কিন্তু সে আইনের কোনো বাস্তবায়ন নেই। আইন প্রনয়ণের পর প্রায় বিশ মাসের মতো অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে অসংখ্য মানুষ কিডনী, যকৃত এবং গলার ভিতরে অসুখে আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু এই আইনের কোনো প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে না বললেই চলে। তাই নিরাপদ খাদ্য আইনের বাস্তবায়নও এখন সময়ের দাবি।

ভবিষ্যত প্রজন্মকে খাদ্যে ভেজালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, একটি একটি সুখি ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন একটি সুস্থ প্রাণোচ্ছ্বল আগামী প্রজন্ম। তাই আগামী প্রজন্মকে বিষাক্ত রাসায়নিক ও ভেজাল খাদ্যের হাত থেকে বাঁচাতে ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫, ০১:০৮ পি. এম.

২০/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: