মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫
  • দশমিনায় চরের জমি থেকে ২২ ভূমিহীন পরিবার উচ্ছেদ

স্টাফ রিপোর্টার, গলাচিপা ॥ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরবোরহান থেকে ২২টি ভূমিহীন পরিবারকে জমি ও বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চরের চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের একটি চক্র অত্যন্ত নির্মম পন্থায় তাদের উচ্ছেদ করে জমি বাড়ি দখল করে নিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করে কোন প্রতিকার মেলেনি। চরের জমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া ২২টি ভূমিহীন পরিবারের সকলে শুক্রবার দুপুরে দশমিনা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, তারা ২২টি প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার গত ২০০৮-০৯ সালে চরবোরহান মৌজার ১ নম্বর সিটে পরিবার পিছু দেড় একর করে মোট ৩৩ একর জমি সরকারীভাবে স্থায়ী বন্দোবস্ত পান। ওই জমিতে তারা ঘরবাড়ি তুলে এবং চাষাবাদ করে কোন রকমে দিন যাপন করছেন। কিন্তু বন্দোবস্ত পাওয়ার পর থেকে চরটির চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা তাদের উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা শুরু করে। বন্দোবস্ত পাওয়া ভূমিহীন কৃষক মোমিন গাজী, মাহাবুল সরদার, আলম পেয়াদা, হোসেন মোল্লা, খলিল জমাদ্দারসহ অন্যরা অভিযোগ করেন, চরের জমির দখল পাওয়ার পর থেকেই ভূমিদস্যুরা নানা ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছেন। কিন্তু এরপরেও তারা জমির দখল ছাড়েননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভূমিদস্যুদের লেলিয়ে দেয়া লাঠিয়াল-সন্ত্রাসী বাহিনী গত বছরের ২৯ জুন রাতের আঁধারে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। তাদের বেধড়ক মারধরও করা হয়। এ ঘটনায় মাহাবুল মুন্সির স্ত্রী শাহানুর বেগম ওই বছরের ২ জুলাই বাদী হয়ে ভূমিদস্যু নাজির সরদারকে প্রধান আসামি করে ২২ জন চিহ্নিতসহ আরও অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী দ্রুত বিচার আদালতে মামলা দায়ের করেন। এতে ভূমিদস্যুরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ভূমিদস্যুরা তাদের ওপর নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে। ভূমিদস্যুদের অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ ২১টি ভূমিহীন পরিবার গত বছরেই শেষ পর্যন্ত চর ছাড়তে বাধ্য হয়। সর্বশেষ দিন কয়েক আগে পরিবার নিয়ে ভূমিহীন কৃষক মোমিন গাজীও চর ছেড়ে এসেছেন। চরে তাদের বাড়িঘরে মালামাল ও গরু-ছাগল রয়ে গেছে।

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫

২০/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: