কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আজন্ম অভাবী ১৬৫০ নিঃস্ব পরিবার ॥ কেমন আছে গুচ্ছগ্রামে

প্রকাশিত : ১৯ জুন ২০১৫
আজন্ম অভাবী ১৬৫০ নিঃস্ব পরিবার ॥ কেমন আছে গুচ্ছগ্রামে
  • ৫৩ জেলার ২৫২ গুচ্ছগ্রাম এখন ওদের স্থায়ী ঠিকানা, প্রতিটি ভূমিহীন পরিবার পেয়েছে ৪.৮ শতাংশ নিষ্কণ্টক জমির মালিকানা
  • ১৮৭ কোটি টাকার এই সরকারী প্রকল্প দারিদ্র্য বিমোচনে রাখছে অগ্রণী ভূমিকা
  • ঘর, জীবিকা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদনসহ রয়েছে সব নাগরিক সুবিধা

আনোয়ার রোজেন ॥ সুরাইয়া বেগমের (৪৫) চোখেমুখে খুশির ঝিলিক। ঠোঁট লাল করে পান চিবায় আর ভাবে তার কষ্টের দিন শেষ। কী থেকে কী হলো- আজন্ম অভাবী সুরাইয়া আজ অভাবমুক্ত! নিঃস্ব সুরাইয়ার আজ সব আছে- জমি, ঘর, কাজ, স্বামী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার- গুচ্ছগ্রাম তাকে সব দিয়েছে। সুরাইয়ার নিবাস কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সেকান্দরনগর গুচ্ছগ্রামে। সুরাইয়ার মতো আরও ৭০ নিঃস্ব পরিবারের ভাগ্যবদল ঘটিয়েছে এই গুচ্ছগ্রাম। শুধু সেকান্দরনগরই নয়, দেশের ৫৩ জেলার ১৩২ উপজেলায় সরকার প্রতিষ্ঠিত ২৫২ গুচ্ছগ্রাম এখন বদলে দিয়েছে ১০ হাজার ৬৫০ পরিবারের কষ্টের জীবন। ১৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত গুচ্ছগ্রামে এসব পরিবার সম্বলহীন অবস্থা থেকে আজ বাঁচার স্বপ্ন দেখছে সবকিছু নিয়ে। তারা পেয়েছে মাথা গোঁজার স্থায়ী ঠিকানা, ৪-৮ শতাংশ নিষ্কণ্টক জমির মালিকানা, সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ আর সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সর্বহারা এ মানুষগুলোর স্বপ্ন ফেরানো গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প পরিবেশদুর্গত ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের একটি সফল প্রকল্প।

বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচীর আওতায় জাপান সরকারের ঋণ মওকুফ তহবিলের (জেডিসিএফ) অর্থায়নে ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ প্রকল্পের যাত্রা শুরু। প্রকল্পের পূর্ণনাম ক্লাইমেট ভিক্টিমস রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট (সিভিআরপি), যা গুচ্ছগ্রাম নামেই পরিচিত। কমপক্ষে ২ সদস্যের পরিবারের জন্য দুই কক্ষবিশিষ্ট ৩০০ বর্গফুট মেঝের ঘর, ৫ রিং বিশিষ্ট স্যানিটারি ল্যাট্রিন, পুকুর, খোলা জায়গা, খেলার মাঠ, মাল্টিপারপাস হল/কমিউনিটি সেন্টার, প্রতি পাঁচ পরিবারের জন্য একটি নলকূপ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থাকাই হলো গুচ্ছগ্রামের বৈশিষ্ট্য। প্রাথমিকভাবে ২০১২ সালের জুনের মধ্যে ৬১ জেলার (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) সুনির্দিষ্ট ১৮৮ উপজেলার সরকারী খাস জমিতে ২৬২ গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ১০ হাজার ৬৫০ ভূমিহীন, গৃহহীন, ঠিকানাহীন, নদীভাঙ্গনকবলিত পরিবারকে সম্মানজনক পুনর্বাসনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। তবে নির্ধারিত উপজেলায় উপযুক্ত খাস জমি খুঁজে না পাওয়া, জমি উদ্ধারে আইনী জটিলতা, দেশব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতাসহ নানা কারণে সরকারের এ মহতী উদ্যোগটির বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এ প্রকল্পটি ছিল সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। তাই দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন। নির্ধারিত উপজেলার পরিবর্তে যেখানেই উপযুক্ত খাস জমি পাওয়া যায়, সেখানেই গুচ্ছগ্রাম স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের জুন মাসের মধ্যে সংশোধিত প্রকল্পে নির্ধারিত ২৫২ গুচ্ছগ্রাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এ প্রসঙ্গে সিভিআরপির জাতীয় প্রকল্প পরিচালক ও সরকারের যুগ্ম সচিব সিরাজ উদ্দিন আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, দেশের ৫৩ জেলার ১৩২ উপজেলায় ১৮৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এসব গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কয়েকটি উপজেলায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ের শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। নতুন করে অর্থ ছাড়ের কোন বিষয় নেই। তাই আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের সব ধরনের কাজ সফলভাবে শেষ হওয়ার কথা।

গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের সার্বিক লক্ষ্য হলো জলবায়ু দুর্গত ভূমিহীন পরিবারকে সরকারী খাস জমিতে গৃহ ও সংলগ্ন পরিবেশ প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে পুনর্বাসিত পরিবারসমূহের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণসহ আয়বর্ধক কর্মকা- পরিচালনার মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধন, যা দেশের দারিদ্র্য নিরসনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডসহ (বিআরডিবি) সরকারের একাধিক সংস্থা সরাসরি এ কর্মকা-ের সঙ্গে যুক্ত।

গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের শুরু থেকে নিঃস্ব পরিবারগুলোর কর্মক্ষম সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বিআরডিবি। সাফল্য এসেছে এখানেও। গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দাদের তিনটি পর্যায়ে আট দিনব্যাপী সচেতনতামূলক ও আয়বর্ধক কর্মকা-ের ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। গুচ্ছগ্রামে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। ঋণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে সমবায় সমিতির মাধ্যমে চলতি বছরের মে পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৪৯ সদস্য উপকৃত হয়েছেন। ঋণ তহবিলের গতিশীলতা, ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পরিমাণও সন্তোষজনক। ঋণ খেলাপীর সংখ্যাও আশঙ্কার চেয়ে কম। শুরুতে প্রকল্পের ঋণ তহবিলের পরিমাণ ছিল ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। ঋণ গ্রহীতারা নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করায় বর্তমানে তহবিলের আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৯১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। মোট ঋণ বিতরণের (ক্রমপুঞ্জিত) পরিমাণ ১২ কোটি ৩০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। আর ঋণ আদায়ের (ক্রমপুঞ্জিত) পরিমাণ ৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা। অনাদায়ী অর্থের বেশিরভাগই তদারকির আওতায় রয়েছে, সে হিসেবে খেলাপী ঋণের পরিমাণ কম। এ প্রসঙ্গে বিআরডিবির উপ পরিচালক (ঋণ) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, পরিবারগুলোর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও কাজের প্রতি তাদের উদ্বুদ্ধ করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। সরকার তাদের ওপর ঋণের বোঝা চাপাতে চায় না। তাই ঋণ আদায়ের পরিবর্তে বিতরণকৃত ঋণের অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে কি না আমরা সে বিষয়ের ওপর বেশি জোর দেয়া হয়। কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করতে না পারলে এককালীন টাকা পরিশোধের সুযোগও দেয়া হয় তাদের। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে (মে পর্যন্ত) এসব গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে মোট ৩ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। বিপরীতে এই সময়ে ঋণ আদায়ও হয়েছে ২ কোটি ১৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা। পরিবার প্রতি প্রাথমিকভাবে সাধারণত ১০ হাজার টাকা ঋণ দেয়া হয়। সফলভাবে পরিশোধ করতে পারলে পরবর্তীতে আরও ২০ হাজার টাকা ঋণ দেয়া হয়। এছাড়া প্রতিটি গুচ্ছগ্রামেই পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য স্কুলের ব্যবস্থা, প্রাথমিক এবং প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ও সামাজিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী চালু রয়েছে।

প্রকল্পের অধীনে সরকারী খাস জমিতে গৃহনির্মাণ করে জলবায়ুদুর্গত, ভূমিহীন ও দুস্থদের পুনর্বাসন ও জমির মালিকানা স্বত্ব প্রদান করা হয়েছে। ২৫২ গুচ্ছগ্রামে ১০ হাজার ৬৫০ মূল ঘরের সঙ্গে সমসংখ্যক রান্নাঘর ও ল্যাট্রিন তৈরি করে সমসংখ্যক পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। বসানো হয়েছে প্রায় ২ হাজার নলকূপ ও গভীর নলকূপ। স্থাপন করা হয়েছে আড়াই শতাধিক কমিউনিটি সেন্টার/মাল্টিপারপাস হল। গুচ্ছগ্রামের প্রতিপরিবারকে ৪-৮ শতাংশ বসত ভিটার জমি নামজারি ও কবুলিয়ত প্রদান করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সেকান্দরনগর গুচ্ছগ্রামের আরেক বাসিন্দা জমিলা খাতুন (৩৭) বলেন, ‘নিজের কোন ঠিকানাই আছিল না। মাইনষের বাড়ি বাড়ি কাম করতাম। সরকারের ইচ্ছায় অহন খালি নিজের স্থায়ী ঠিকানাই না, নিজের নামে জমিও পাইছি। এখন আর দুই পোলাপানের ভবিষ্যত নিয়া ভয় করি না।’

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আরেকটি সফল উদাহরণ মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি গুচ্ছগ্রাম। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১০-২০১১ সালে। সেখানে পুনর্বাসিত পরিবারের সংখ্যা ৫০। প্রতিটি পরিবারের জন্য মূলঘর, রান্নাঘর ও ল্যাট্রিন ছাড়াও সেখানে নির্মিত হয়েছে একটি কমিউনিটি সেন্টার, স্থাপন করা হয়েছে আটটি নলকূপ, খনন করা হয়েছে তিনটি পুকুর। এখানে পরিবারপিছু মোট জমির পরিমাণ ১৪ শতকের বেশি। খেলার মাঠ, কবরস্থান ও মাল্টিপারপাস হলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও রয়েছে। এ গুচ্ছগ্রামবাসীদের বেশিরভাগ পেশায় কৃষি শ্রমিক ও দিনমজুর। শিক্ষিত না হলেও পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণকারী দম্পতির শতকরা হার ৯৫%, স্কুল গমনোপযোগী শিশুদের মধ্যে স্কুলগামী শিশুর শতকরা হার ৮৩%। গুচ্ছগ্রামে পুনর্বাসনের পূর্বে এখানকার ৫০টি পরিবারের মধ্যে ৩০ পরিবার অন্যের জায়গায়, ১০ পরিবার রাস্তার পাশে সরকারী জায়গায়, চারটি পরিবার অন্যের ঘরে এবং ৬ পরিবার পৈত্রিক ক্ষুদ্র ভিটাতে মানবেতর জীবনযাপন করতেন। সমাজের মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় অতীতে পরিবারগুলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, পরিবার পরিকল্পনা ইত্যাদি সম্পর্কে খুব কম সচেতন ছিল। প্রকল্পের অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ ও প্রাপ্ত ঋণকে কাজে লাগিয়ে পরিবারগুলো বর্তমানে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে।

প্রকল্প সূত্রে আরও জানা গেছে, সেকান্দরনগর ও মোল্লাকান্দি গুচ্ছগ্রামের মতো দেশের অন্য গুচ্ছগ্রামগুলোর হতদরিদ্র পরিবারের নারীরাও আগে ছিল অধিকার বঞ্চিত, অবহেলিত ও অর্থনৈতিক কর্মকা- থেকে বিচ্ছিন্ন এক জনগোষ্ঠী। বসতভিটা ও ঘরের মালিকানা স্বত্ব স্বামী-স্ত্রী দু’জনের সমান হওয়া, বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তাদের অগ্রাধিকার দেয়া এবং সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে নারীকে সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করে তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। গুচ্ছগ্রামে তারা ঘরের আঙিনায় শাক-সবজি ও বিভিন্ন গাছপালা রোপণের সুযোগ পেয়েছে। এতে একদিকে তাদের পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত কিছু ফলমূল, শাকসবজি বাজারে বিক্রি করে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হচ্ছে। গুচ্ছগ্রামের পুকুর থেকে সমবায়ী উদ্যোগে মাছ চাষের মাধ্যমেও প্রচুর আয়ের সুযোগ রয়েছে।

গুচ্ছগ্রাম যেখানে ॥ সিভিআরপি সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮-০৯ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশের সাতটি বিভাগের ৫৩ জেলার ১৩২ উপজেলায় পৃথক প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের মাধ্যমে (পিএমইউ) ২৫২ গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর বিভাগের আট জেলার ৩৮ উপজেলায় সর্বাধিক ৬৭ গুচ্ছগ্রাম স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার ২৩ উপজেলায় ৪৭, রাজশাহী বিভাগের ৭ জেলার ২১ উপজেলায় ৪১, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ২০ উপজেলায় ৩৯, বরিশাল বিভাগের ৫ জেলার ১৫ উপজেলায় ৩৬, চট্টগ্রাম বিভাগের ৬ জেলার ৭ উপজেলায় ১৪ এবং সিলেট বিভাগের ৪ জেলার ৮ উপজেলায় ৮টি গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতাপরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের প্রবর্তন করেন। ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী (বর্তমান লক্ষ্মীপুর) জেলার রামগতি থানা পরিদর্শনকালে বঙ্গবন্ধু নদীভাঙা, দুস্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে খাসজমিতে পুনর্বাসন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। সেই সময় বৃহত্তর নোয়াখালী জেলায় চারটি গুচ্ছগ্রামে এক হাজার ৪৭০ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। এরপর সামরিক শাসক এরশাদের আমলে নতুন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত ১০ বছর মেয়াদে নেয়া হয় গুচ্ছগ্রাম (পরে তা আদর্শ গ্রাম নামকরণ হয়) প্রকল্প। আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১৯৯৮ সালের জুলাই থেকে আদর্শ গ্রাম প্রকল্প-২ নামে আবার নতুন প্রকল্প নেয়া হয়। পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনামলে প্রকল্পটি গুরুত্ব হারায়।

গুচ্ছগ্রামগুলো হলো-

রংপুর বিভাগ ॥ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জয়েনপুর, দামোদরপুর, সদরপাড়া, মন্দুয়ার এবং জয়েনপুর-২ গুচ্ছগ্রাম। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লাটশালা, তিস্তা, দক্ষিণ শাহবাজ গুচ্ছগ্রাম(তিনটি)। সাঘাটা উপজেলার সাউথউল্লা চরপাড়া, সাউথ দীঘলকান্দি-২ এবং গোবিন্দি-২ গুচ্ছগ্রাম। ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি গুচ্ছগ্রাম।

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পালানু শাহপুর গুচ্ছগ্রাম, পীরগাছা উপজেলার দাদন এবং সুলিপাড়া মুকসুদ খাঁ গুচ্ছগ্রাম, রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী-গড় ১-২ গুচ্ছগ্রাম, কাউনিয়া উপজেলার বাবুরদীঘি গুচ্ছগ্রাম, বদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাউচ-ি ও ট্যাক্সেরহাট চৌরিবিল গুচ্ছগ্রাম, বদরগঞ্জ উপজেলার বৈরামপুর সরকারপাড়া গুচ্ছগ্রাম, গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ও শংকরদহ গুচ্ছগ্রাম এবং মিঠাপুকুর উপজেলার দৌলতনূরপুর গুচ্ছগ্রাম।

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ধোলাউরী, মাহতাবপুর ও কাশিমনগর গুচ্ছগ্রাম, বিরল উপজেলার উত্তর পলাশবাড়ী ও মহেষদীঘি গুচ্ছগ্রাম, পার্বতীপুর উপজেলার কাশিপুকুর ও ইন্দ্রপুর দুরাকুঠি গুচ্ছগ্রাম, ঘোড়াঘাট উপজেলার নয়নদীঘি গুচ্ছগ্রাম, চিরিরবন্দর উপজেলার ছোট বাউল শ্মশানখালী গুচ্ছগ্রাম, হাকিমপুর উপজেলার আলী হাট, খানসামা উপজেলার সুবর্ণখালী আদিবাসী ও বাসুলী গুচ্ছগ্রাম, নবাবগঞ্জ উপজেলার হাসারপাড়া ও শাহজাদপুর গুচ্ছগ্রাম এবং কাহারোল উপজেলার সিংগাড়ীগাঁও গুচ্ছগ্রাম।

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চেংটাপাড়া, নাগেশ্বরী উপজেলার কুলামুয়া কালারচর, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার উত্তর সাত-গোলাপপুর, ফুলবাড়ী উপজেলার চর গোরকম-ল ও যতীন্দ্রনারায়ণ গুচ্ছগ্রাম, উলিপুর উপজেলার ফকির মোহাম্মদ ও গে-ার আলগা গুচ্ছগ্রাম। লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া গুচ্ছগ্রাম, পাটগ্রাম উপজেলার উফারমারা ও বাংলাবাড়ী গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার হরিণচড়া গুচ্ছগ্রাম।

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গলনা, কুটিপাড়া ও কুটিপাড়া-২ গুচ্ছগ্রাম, সৈয়দপুর উপজেলার নিজবাড়ী, কিশোরীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাহাগিলি এবং ডিমলা উপজেলার শালহাটি গুচ্ছগ্রাম। পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার দারখোর ও বুড়ারবন্দর গুচ্ছগ্রাম, বোদা উপজেলার মারিয়া কমলাপুকুরী এবং দেবীগঞ্জ উপজেলার করতোয়া গুচ্ছগ্রাম। ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার রামপুর, রাণীশংকৈল উপজেলার বসতপুর, বাঁশবাড়ী গুজাহার ও নাগর গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার দক্ষিণ বাতিনা গুচ্ছগ্রাম।

ঢাকা বিভাগ ॥ ধামরাই উপজেলার হাজীপুর, সোনালীবার্তা-রূপালীবার্তা, ভালুম-২, নয়াচর ও সোনালীবার্তা-২ গুচ্ছগ্রাম। ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার চাপুলিয়া-১ ও চাপুলিয়া-২ গুচ্ছগ্রাম, সদর উপজেলার কবিরপুর ১, কবিরপুর-৩, কবিরপুর-৪, নর্থ চ্যানেল-৪ ও বাখুন্ডা-৩ গুচ্ছগ্রাম এবং বোয়ালমারী উপজেলার রূপদিয়া গুচ্ছগ্রাম। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মানিকদহ-৩, হরিদাসপুর, রঘুনাথপুর, ইছাখালী ও পদ্মাবিলা গুচ্ছগ্রাম। জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, জিগাতলা-২ গুচ্ছগ্রাম, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাকাতিয়াপাড়া-২, হালকা হাবরাবাড়ী-৩ গুচ্ছগ্রাম, মাদারগঞ্জ উপজেলার তারতাপাড়া ও হিদাগাড়ী গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার চর যথার্থপুর, রেহাই গজারিয়া ও বাঁশচড়া গুচ্ছগ্রাম। কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার সেকান্দরনগর গুচ্ছগ্রাম। মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার পিয়ারপুর ও শিবচর উপজেলার চর জানাজাত গুচ্ছগ্রাম। মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার সুয়াখারা গুচ্ছগ্রাম। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চুরখাই, চর ঈশ্বরদিয়া-১, চর ঈশ্বরদিয়া-২ এবং হালুয়াঘাট উপজেলার সাংড়া গুচ্ছগ্রাম। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পাটুরিয়া গুচ্ছগ্রাম। শেরপুর জেলার নলিতাবাড়ী উপজেলার ধনভাঙ্গা, নাকুগাঁও ও কালাকুয়া, শ্রীবর্দী উপজেলার ষাইটকাকড়া, সদর উপজেলার গোয়ালগাঁও এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার গমরা গুচ্ছগ্রাম। টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আম্বাড়িয়া গুচ্ছগ্রাম। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি গুচ্ছগ্রাম এবং শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার বাহেরচর গুচ্ছগ্রাম।

রাজশাহী বিভাগ ॥ বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার নর্থ মানিকদৈর, কুমরপুর, লক্ষ্মীখেলা, ধরা বরিষা, ধরাবর্ষা-৪, উত্তর শনপচা ও নান্দিনারচর গুচ্ছগ্রাম, ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ও আড়কাটিয়া গুচ্ছগ্রাম, শিবগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর ও জন্নাথপুর গুচ্ছগ্রাম এবং সোনাতলা উপজেলার সিচারপাড়া-১ ও সিচারপাড়া-২ গুচ্ছগ্রাম। নাটোর জেলার সদর উপজেলার পিরজীপাড়া ও বাসিলা গুচ্ছগ্রাম এবং লালপুর উপজেলার রসুলপুর গুচ্ছগ্রাম। নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার কাশিপুর ও বৈদ্যবাটী গুচ্ছগ্রাম, মহাদেবপুর উপজেলার বিলশিকারী গুচ্ছগ্রাম, নিয়ামতপুর উপজেলার রাউতাল গুচ্ছগ্রাম এবং রাণীনগর উপজেলার রায়পুর, ঘাটাগন ও আগিনাগাড়ী গুচ্ছগ্রাম। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া, চর মিরকামারী ও চর মিরকামারী-২ গুচ্ছগ্রাম এবং আটঘরিয়া উপজেলার পার খিদিরপুর গুচ্ছগ্রাম। রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার কোয়েল গুচ্ছগ্রাম এবং গোদাগাড়ী উপজেলার নরসিংগর গুচ্ছগ্রাম। সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ফুলজোড় গুচ্ছগ্রাম, রায়গঞ্জ উপজেলার চৌধুরী ঘুঘাট ও সিমলা পূর্বপাড়া গুচ্ছগ্রাম, উল্লাপাড়া উপজেলার মাগুড়াডাঙ্গা ও মহিষাখোলা গুচ্ছগ্রাম, তাড়াশ উপজেলার বড়পৌতা গুচ্ছগ্রাম, শাহজাদপুর উপজেলার পাকুরতলা ও পাকুরতলা-২ গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার বাঐতরা গুচ্ছগ্রাম। আর জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার বানারপুকুর ও তাঁতীপুকুর গুচ্ছগ্রাম।

খুলনা বিভাগ ॥ বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলার খেগড়াঘাটি ও মোস্তফাপুর গুচ্ছগ্রাম, মোংলা উপজেলার কানাইনগর, রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর-২, ফকিররহাট উপজেলার শুভাদিয়া, কুমারখালী ও ভাবনা গুচ্ছগ্রাম, কচুয়া উপজেলার বয়ারসিংগা-১, বয়ারসিংগা-২, টেংরাখালী-১ ও টেংরাখালী-২ গুচ্ছগ্রাম। যশোর জেলার সদর উপজেলার শ্রীকান্তনগর ও রামকৃষ্ণপুর গুচ্ছগ্রাম এবং বাঘারপাড়া উপজেলার ভৈরব। খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কাটাবুনিয়া, কাওয়ালী ও পতন বেতবুনিয়া গুচ্ছগ্রাম, ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস-১ ও সাহস-২ গুচ্ছগ্রাম, বটিয়াঘাটা উপজেলার দ্বীপ বরণপাড়া ও মঠবাড়ী গুচ্ছগ্রাম। মাগুরা জেলার সদর উপজেলার কসুন্দি-১ ও কসুন্দি-২ গুচ্ছগ্রাম এবং শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ও বরিষাট গুচ্ছগ্রাম। নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার আস্তাইল-১ ও আস্তাইল-২, হন্দ্রা-রায়গ্রাম-কলাগাছি, মাইগ্রাম, পাংখার চর, শিয়রবর ও মঙ্গলহাটা গুচ্ছগ্রাম। সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনী উপজেলার ছায়াশীতল গুচ্ছগ্রাম, কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ওসমানপুর ও ভবানীপুর গুচ্ছগ্রাম। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার টিপ পাকশী এবং শৈলকুপা উপজেলার পূর্ব মাদলা গুচ্ছগ্রাম। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডালিয়া এবং দামুরহুদা উপজেলার বাগাডাঙ্গা গুচ্ছগ্রাম। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রামনগর গুচ্ছগ্রাম।

বরিশাল বিভাগ ॥ জেলার বানারীপাড়া উপজেলার খেজুরবাড়ী গুচ্ছগ্রাম, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চর ডাইয়া ও উত্তর চর ডাইয়া গুচ্ছগ্রাম। বরগুনার আমতলী উপজেলার নীলগঞ্জ ও শাখারিয়া গুচ্ছগ্রাম, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বাবুগঞ্জ, উত্তর চর কলমী, চর মায়া, শাহবাজপুর-আমিনপুর ও মোহাম্মদপুর গুচ্ছগ্রাম, লালমোহন উপজেলার ফাতেমাবাদ ও ইষ্ট অন্নপ্রসাদ গুচ্ছগ্রাম, তজুমদ্দিন উপজেলার চর লামগাছি কেরালমারা এবং মনপুরা উপজেলার মিয়া জমিরশাহ গুচ্ছগ্রাম। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার খারিজা বেতাগী ও চর বোরহান গুচ্ছগ্রাম, গলাচিপা উপজেলার মৌডুবী, সাউথ চর বিশ্বাস, ইছাদী ও ইস্ট চর কপালভেড়া গুচ্ছগ্রাম, রাঙ্গাবালী উপজেলার আমলীবাড়িয়া, চরলক্ষ্মী, আতিকপুর, আতিকপুর-২, চর বেস্টিন, আমলীবাড়ীয়া-৩, চরলক্ষ্মী-২ ও পূর্ব হরিদ্রাখালী গুচ্ছগ্রাম, কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া, পাঁচজুনিয়া ও পাঁচজুনিয়া-২ গুচ্ছগ্রাম, দুমকী উপজেলার লেবুখালী, সদর উপজেলার পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া, মীর্জাগঞ্জ উপজেলার রামপুর গুচ্ছগ্রাম এবং পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার জুুনিয়া হরিণপালা গুচ্ছগ্রাম।

চট্টগ্রাম বিভাগ ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ও ফান্দাউক-২ গুচ্ছগ্রাম। চাঁদুপরের হাইমচর উপজেলার চরহাইম ও চর কোড়ালিয়া গুচ্ছগ্রাম, মতলব উত্তরের চর উমেদ ও বাহেরচর গুচ্ছগ্রাম। চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার দক্ষিণ আলিনগর ও চর কালিদাস গুচ্ছগ্রাম। কুমিল্লার লাকসাম জেলার সালেহপুর, নরপটি ও কাগৈয়া গুচ্ছগ্রাম। নোয়াখালী জেলার সুবর্নচর উপজেলার চর আলাউদ্দিন গুচ্ছগ্রাম এবং কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মুকবেকী গুচ্ছগ্রাম।

সিলেট বিভাগ ॥ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার এনাতাবাদ ও চুনারুঘাট উপজেলার বনগাঁও গুচ্ছগ্রাম। মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পূর্ব দাশটিলা এবং কমলগঞ্জ উপজেলার আলোছায়া, শ্যামছায়া ও শ্যামলছায়া গুচ্ছগ্রাম। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার পুরান লক্ষণশ্রী, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শ্রীধরপুর এবং সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাসাদেক গুচ্ছগ্রাম।

প্রকাশিত : ১৯ জুন ২০১৫

১৯/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: