মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

পরিণীতি ঢাকায়

প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৫

পরিণীতি চোপড়া ! যার নাম শুনলেই সবার মনে পড়ে, প্রেম না দিলেও চলে, শুধু হাসি দিলে- হাসি এতটাই মূল্যবান যে স্বয়ং কবিগুরু তাঁর প্রেয়সীর কাছে প্রেম নয়, বরং একটুখানি হাসিই আবদার করেছিলেন। ঠিক তেমনি ভাবে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির মোনালিসার ঠোঁটের কোণে ধরে রাখা হাসির অপার রহস্য আজও খুঁজে চলেছে শিল্পসাম্রাজ্য। আর বলিউড সেনশেসন মাধুরী দীক্ষিতের ভুবন ভোলানো মুগ্ধ হাসির জাদুতে লুট হয়েছে অগণিত পুরুষ হৃদয়। সেই পুরুষ হৃদয়ে নতুন করে ঝড় বইয়ে দিতে বর্তমানে পরিণীতির হাসি অতুলনীয়। তাঁর এই হাসির রহস্য নিয়েও বলিউড পরিচালক ভিনিল ম্যাথু তৈরি করেছিলেন হাসি তো ফাঁসি। পরিণীতি চোপড়া যে শুধু হাসির জন্যই বিটাউনে বিখ্যাত তা কিন্তু নয়। অন্য সবার চেয়ে তিনি নাকি কিছুটা আলাদা ধাঁচের মেয়ে। তাই হাসি ছাড়াও তাঁর চাল চলন দিয়েও সবার কাছে তিনি পছন্দের একজন মানুষ।

পরিণীতি চোপড়া একজন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার হতে চেয়েছিলেন। তাই ম্যানচেস্টার বিজনেস স্কুল থেকে ব্যবসা, ফিন্যান্স ও অর্থনীতিতে তিনটি স্নাতক ডিগ্রী নেয়ার পর তিনি ভারতে চলে আসেন। ভারতে আসার কিছুদিন পর তিনি তাঁর কাজিন বলিউড হিরোইন প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে যশ রাজ ফিল্মস এ যান। সেখানে ঘুরতে ঘুরতে সবার সঙ্গে পরিচিত হয় এবং সুযোগ পেয়ে যায় যশ রাজ ফিল্মস এর জনসংযোগ পরামর্শক হিসেবে কাজ করার। নতুন পরিবেশে কাজ করতে করতে তিনি নজরে পড়েন পরিচালক মনীশ শর্মার। পরবর্তীতে অডিশনের মাধ্যমে তিনি এই প্র্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হন। তারপর ২০১১ সালে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম ছবি লেডিস ভার্সেস রিকি বেহেল। যা পুরো বলিউড জুড়ে প্রশংসিত হয়েছিল এবং বলিউড পেয়ে গেল নতুনভাবে মিষ্টি হাসির কন্যা। এভাবেই শুরু হয়ে গেল তাঁর নতুনভাবে পথ চলা। যে পথ চলা নিয়ে পরিণীতি নিজেই সন্তুষ্ট। তারপর ইয়াশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে রোমান্টিক ও কমেডি ধাঁচের ছবি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন পরিণীতি। ছবির নাম ছিল দাওয়াত-ই-ঈশক বা ফিস্ট অব লাভ। এই ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটিবদ্ধ হয়েছিলেন মিষ্টি হাসির অধিকারিণী পরিণীতি চোপড়া ও আশিকি টু খ্যাত আদিত্য রায় কাপুর। চোপড়া পরিবারের নতুন এই সদস্য অভিনেত্রী হিসেবে নিজের আত্মপ্রকাশ ঘটান ২০১১ তে । তারপর এই স্বল্প ক্যারিয়ারে পরিণীতি ঈশকেযাদা, শুদ্ধ দেশী রোমান্স, হাসি তো ফাঁসির মতো কিছু ছবি দর্শকদের উপহার দেন এবং তিনি নিজে কুড়িয়ে নেন অভাবনীয় সাফল্য। পাশাপাশি অর্জন করে নেন কিছু পুরস্কার। তাছাড়া আদিত্য এবং পরিণীতি প্রথমবারের মতো জুটিবদ্ধ হয়েই তাঁরা দুজনেই পেয়েছিলেন ফিল্মফেয়ার এ্যাওয়ার্ড। যা তাঁদের দু’জনকে একই সূত্রে গেঁথেছেন। পুরস্কার অর্জন করে পরিণীতি যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছেন ঠিক তেমনি শুদ্ধ দেশী রোমান্স ছবি দেখে কোন কোন সমালোচক ছবির নায়িকা পরিণীতি চোপড়ার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন যে, এই ছবিতে পরিণীতি সুশান্তকে ২৭ বার চুমু খেয়েছেন। এই ব্যাপারটি অনেকের চোখেই ভাল ঠেকেনি। তবে পরিণীতি চোপড়া অবশ্য এই ব্যাপারে একেবারেই রাক ঢাকহীন। তার মতে, ছবির প্রয়োজনে এমনটি হতেই পারে। একটি শট পরিচালকের অপছন্দ হলে, তা আবার নেয়ার প্রয়োজন পড়ে। এজন্য এমন হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই এগুলো কানে নেয়ার মতো কিছু নয়। গত বছর দাওয়াত ই ঈশক ও কিল দিল ছবি দুটি দর্শকদের উপহার দিলেও সম্প্রতি ব্যক্তিগত কারণে তিনি বিটাউন থেকে কিছুটা দূরে আছেন। তবে সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে শীঘ্রই আবার এই প্ল্যাপফর্মে ফিরে আসার আশা ব্যক্ত করেছেন মিষ্টি হাসির মেয়ে পরিণীতি চোপড়া।

প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৫

১৮/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: