কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বিড়ি-সিগারেট থেকে এবার রাজস্ব আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শুধু বিড়ি-সিগারেট থেকেই ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করা সম্ভব বলে মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে ধূমপানকে নিরুৎসাহিত করতে সব ধরনের বিড়ি ও সিগারেটের দাম বাড়ানোর যে প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে এই তামাকজাত পণ্য থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এনবিআর।

জানা যায়, চলতি অর্থবছরে (২০১৪-১৫) শুধু বিড়ি-সিগারেট খাত থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার বাজেটে তা বাড়িয়ে এই খাত থেকেই ১৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যে বাজেটে বিড়ির ভিত্তি মূল্য এবং নিম্নমানের সিগারেটে সম্পূরক কর বাড়ানোরে প্রস্তাব করা হয়েছে। সর্বনিম্ন স্তরে সম্পূরক শুল্ক বর্তমান অর্থবছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী, ফিল্টার বিহীন ২৫ শলাকার করসহ প্রতি প্যাকেট বিড়ির মূল্য ৬.১৪ টাকা থেকে ৭.০৬ টাকা, ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকার প্রতি প্যাকেট বিড়ির মূল্য করসহ ৬ টাকা ৯২ পয়সা থেকে ৭ টাকা ৯৮ পয়সা এবং বিড়ির কাগজের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আদায়ের প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে। আর তাই চলতি অর্থবছরের চাইতে এই খাত থেকে আরও বেশি রাজস্ব আহরণের চিন্তা করছে এনবিআর। আগের অর্থবছরগুলোতে কমদামি সিগারেটের শুল্ক ছাড়ের কারণেই এ খাত থেকে কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায় হচ্ছিল না। কারণ দেশের মানুষ কমদামি সিগারেট বেশি খায়। তাই এ বিষয়টি বিবেচনায় এনে বেশিদামির পাশাপাশি কমদামি সিগারেটের ওপরও এবার সম্পূরক কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি হারে। এতে আশা করা হচ্ছে চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা বেশি অর্থাৎ ১৮ হাজার কোটি বা তারও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে। অর্থমন্ত্রী এবার বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, এটি সুবিদিত এবং সর্বজন স্বীকৃত যে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ উভয়ের জন্য সিগারেট অত্যন্ত ক্ষতিকর। সিগারেটের ক্ষতিকর দিক বিবেচনার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিসহ সিগারেট উৎপাদন ও বিক্রয় ব্যবসায় নিয়োজিত অন্যান্য সব করদাতা যথা: ব্যক্তি, অংশীদারি ফার্ম ইত্যাদির ওপর ৪৫ শতাংশ হারে একটি একক করহার ধার্য করার প্রস্তাব করছি।

প্রকাশিত : ১৮ জুন ২০১৫

১৮/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: