মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

স্বাস্থ্য কণিকা

প্রকাশিত : ১৬ জুন ২০১৫
  • বাদামের উপকারিতা

গত ১০-০৬-১৫ তারিখে প্রকাশিত এক স্ট্যাডি বিশ্বব্যাপী হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। প্রতিদিন ১০ গ্রাম বাদাম খেলে মানুষের অকালমৃত্যুর হার ২৩% কমে যায়। নেদারল্যান্ডের এক ভার্সিটির অনুসন্ধানে দেখা যায়, বাদাম শ্বাসযন্ত্রের অসুখ, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ এবং ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমিয়ে দেয়। ৪৫% কমিয়ে দেয় শ্বাসযন্ত্রের অসুখ। কিন্তু বাদাম যত উপকার করছে, পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে বাদাম তেল তা করছে না। সমীক্ষাটা করা হয় সমগ্র নেদারল্যান্ডব্যাপী।

প্রায় ১২ হাজারেরও বেশি ৫৫ থেকে ৬৯ বছর বয়স্ক নর-নারীর মধ্যে কোহর্ট স্টাডির মাধ্যমে। তাদের জীবনভঙ্গিমা ও খাদ্য গ্রহণ অভ্যাস দেখা হয় এবং তাদের মধ্যে মৃত্যুর হারও গণনা করা হয়। বাদাম খেতেন যারা, তাদের অকাল মৃত্যুর হার তুলনামূলক অনেক কম ছিল।

কী কী কারণে হতাশা বাড়ে

প্রায় অধিকাংশ হতাশার মূল কারণ বায়োকেমিক্যাল নয়। হতাশা আবার জীবনভর কারাদ- নয়। মূলত হতাশা বাড়ে যে যে কারণে-

* একাকিত্ব : বারবার পরীক্ষিত বিষয়, সামাজিকতা হতাশা মোচন করে। একাকিত্ব হতাশা বাড়ায়।

* দুঃখ : কত রকমের দুঃখ আছে দুনিয়ায়। ছিন্ন সম্পর্কের দুঃখ, চাকরি হারানোর দুঃখ, কাউকে পুরোপুরি হারানোর দুঃখ। দুঃখ হতাশার মতো মনে হয়। বেশি দিন স্থায়ী হলে ঘুমহীনতা, একাকিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। গড়ে ওঠে হতাশার পাপচক্র।

* ঘুমহীনতা : ঘুমহীনতা হতাশা আনে। প্রথমে ঘুমহীনতা জড়তা আনে, কাজে অনীহা নিয়ে আসে।

* অর্থহীনতা : আমরা জীবনের প্রতিক্ষেত্রে আমাদের জীবনের অর্থ খুঁজি। অর্থ খুঁজি কাজের মাধ্যমে। অর্থ খুঁজি আমাদের রোমান্টিক ও অন্যান্য সম্পর্কের মধ্যে। কখনও বা আমরা অপরের দিকে হাত বাড়িয়ে দিতেই জীবনে অর্থ খুঁজে পাই। কিন্তু এমনটি যদি হয়, সবই অর্থহীন, তবে হতাশায় নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* অন্তর আত্মার কথা : পরীক্ষায় দেখা যায়, নিজের প্রতি অনুকল্পা প্রদর্শন একটি গুরুত্বপূর্ণ হতাশার চিকিৎসা পদ্ধতি।

* ব্যায়ামের অভাব : সামাজিক বিষয়াদির সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক পরিশ্রমও হতাশার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দরকার নেই জিমে যাওয়ার। হাঁটুন প্রাকৃতিক পরিবেশে ৩০ মিনিট বা ২০ মিনিট যোগাসন করুন। তাতেই যথেষ্ট। হতাশা কেটে যাবে।

* প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সংস্পর্শহীনতা : সম্প্রতি পরীক্ষায় দেখা যায়, হতাশার রোগীদের ক্ষেত্রে ইকোথেরাপি বা ‘গ্রিনথেরাপি’ চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ কার্যকর।

সুতরাং প্রতিদিন কিছু সময় বাইরে কাটাতে যান। শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশে আপনার মনের হতাশা কেটে যাবে। প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘুরে বেড়ানো একটি রুটিনে পরিণত করুন।

* দুর্বল খাদ্য তালিকা : ভিটামিন ‘বি’ ও ভিটামিন ‘ডি’র কমতি হতাশা বাড়ায়। আবার ‘গ্লুটোন’ বাড়তি হতাশা বাড়ায়।

* স্ট্রেস : চিরন্তন স্ট্রেস হতাশা তৈরি করে। আপনি বিবেচনা করুন কিভাবে আপনি আপনার কাজগুলো সাজাবেন এবং স্ট্রেস মোকাবেলা করবেন।

* শুধু কাজ আর কাজ, কোন খেলা নয় : আমাদের মধ্যে প্রচলিত ধারণা আছে, বুড়োরা গম্ভীর হবেন, আমোদ-প্রমোদ করবেন না। না, তা ঠিক নয়। জানি প্রতিদিন আপনার টাইট সিডিউল, তার মধ্যেও কিছু সময় আপনার একান্ত নিজের জন্যে রাখুন।

* হরমোনের ভারসাম্যহীনতা : ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন ও কর্টিসোল ইত্যাদি হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় হতাশা আসতে পারে।

* নিজের আবেগের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা : নিজের হাসি-কান্না মনের প্রতি অবহেলা আপনার হতাশা নিয়ে আসে। নিজেকে ভালবাসুন। ভালবাসতে শিখুন। হতাশা কেটে যাবে।

প্রকাশিত : ১৬ জুন ২০১৫

১৬/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: