রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

‘নিরাপদ খাদ্য আইন’ বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত

প্রকাশিত : ১৫ জুন ২০১৫, ০২:০১ পি. এম.

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ‘মোবাইল কোর্ট আইন-২০০৯ এর তফসিলভুক্ত হলো ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’। এখন নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যাবে।

মোবাইল কোর্ট আইনে খাদ্য আইন তফসিলভুক্ত করে গত ১১ জুন একটি আদেশ জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ‘পিওর ফুড অর্ডিন্যান্স ১৯৫৯’ বাতিল করে সেখানে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

গত ১ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’ কার্যকর ঘোষণা করেছে সরকার। সেই থেকে আইনটি মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলভুক্ত করার কথা জানিয়ে আসছিলেন খাদ্যমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

নিরাপদ খাদ্য আইনের অধীনে ২৩টি বিভিন্ন অপরাধে এক থেকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা চার থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট, ডিডিটি, পিসিবি, তেজস্ক্রিয় ও ভারী ধাতুর ব্যবহার, ভেজাল খাদ্য বা খাদ্যোপকরণ উৎপাদন, আমদানি, বিপণন এ আইনের অধীনে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।

একই সঙ্গে নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদন, অনুমোদনবিহীন খাদ্য সংযোজন দ্রব্য বা প্রক্রিয়াকরণ সহায়ক দ্রব্যের ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য আমদানি, মজুদ, সরবরাহ বা বিক্রয়, কীটনাশক, বালাইনাশক বা ঔষধের অবশিষ্টাংশ, অনুজীব ইত্যাদির ব্যবহা্র, অনুমোদনবিহীন বংশগতি বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা খাদ্য জৈব খাদ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণন শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য আইনের অধীনে ‘নিরাপদ খাদ্য (খাদ্য জব্দকরণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ পদ্ধতি) বিধিমালা, ২০১৪’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

এছাড়া আইনের অধীনে ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ গঠন করে সেখানে একজন চেয়ারম্যান ও তিনজন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশিত : ১৫ জুন ২০১৫, ০২:০১ পি. এম.

১৫/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: