মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের গুজরাটে ৫০ একর জমি দিচ্ছেন মোদি

প্রকাশিত : ১৪ জুন ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতের গুজরাটে ৫০ একর জমি দিতে সম্মত হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই ব্যবসায়ীদের এ খবর জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা ভারতীয় হাইকমিশনে জমির বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানায়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দল। সে সময় ভারতে ৫০ একর জমির দাবি উত্থাপন করেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাতলুব আহমেদ। তবে জমির এই প্রস্তাবটি ছিল পোশাক শিল্প ব্যবসায়ীদের। ভারতের প্রধানমন্ত্রী সে প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। এর কয়েকদিন পরই ভারতীয় হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলামকে স্থান নির্ধারণের সুখবরটি জানান। আজ রবিবার এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবনা ভারতীয় হাইকমিশনে জমা দেবে বিজিএমইএ। উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্য গুজরাট।

গত ৭ জুন হোটেল সোনারগাঁয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এফবিসিসিআই সভাপতি মাতলুব আহমেদ দু’দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে যৌথ কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব দেন। সে সময় তিনি সাংবাদিকদের আরও জানান, বিজিএমইএর পক্ষ থেকে ভারতের কাছে ৫০ একর জমি চাওয়া হয়েছে। এ জমি পেলে বাংলাদেশের পোশাক ব্যবসায়ীরা সেদেশে একটি বড় কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করবে।

সূত্র জানায়, ভারতে জমি পেলে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প মালিকরা ২৫ মিলিয়ন ডলার নিয়ে ভারতে একটি কোম্পানি গঠন করবে। সেখানে ভারতের বৃহত্তম ওয়্যারহাউজ ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার স্থাপন করবে। এছাড়া বিজিএমইএ ভারতে এক হাজার রিটেইল শপও স্থাপন করবে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ। এসব করা হলে দু’ দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক ঘাটতি অনেকাংশে কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পোশাক শিল্প ব্যবসায়ীরা।

ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানানো হয়। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা মোদিকে জানান, মোদি তাঁর সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে যে চুক্তিগুলো করেছেন তাতে বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ আসবে। এছাড়া দু’দেশের মধ্যে যে বিরাট বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে তা কমে যাবে।

সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশের পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে ভারত সরকার কর্তৃক আরোপিত কাউন্টারভেইলিং ডিউটি (সিভিডি) প্রত্যাহার এবং বাংলাদেশ থেকে বেশি বেশি তৈরি পোশাক আমদানির অনুরোধ জানানো হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয় বিবেচনার আশ্বাসও দেন।

প্রকাশিত : ১৪ জুন ২০১৫

১৪/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: