কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

ভাষা সংগ্রামীর বীক্ষণ ও বয়ান

প্রকাশিত : ১২ জুন ২০১৫
  • তৌহিদ ইমাম

একাত্তরের মুক্তিসংগ্রাম যদি এই বঙ্গীয় ব-দ্বীপের সহস্র বছরের শ্রেষ্ঠ ঘটনা হয়, তবে তার অনিবার্য সূতিকাগার ও উৎসমূল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। কেননা, স্বাধিকার বোধের বলিষ্ঠ ধারণাটিই এই প্রথম বাঙালির মনে ও মানসে জন্ম নিয়েছিল। বাঙালি আবহমানকাল ধরেই বিভাষী-বিজাতীয়দের দ্বারা শাসিত ও শোষিত হয়েছে; আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার কোনদিনই ছিল না তার। বাঙালির সংস্কৃতি-অর্থনীতি-রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেছে বৈদেশিক শাসককুল, যারা কখনই একান্ত স্বজন ভাবতে পারেনি- না বাঙালিকে, না বঙ্গকে। এই পরাধিকারাচ্ছন্নতা থেকে স্বাতন্ত্র্য ও নিজস্বতার নিজস্ব উপলব্ধি বাঙালি প্রথম করেছিল বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে এসে এবং তারপরই স্বয়ম্ভু স্বাধীনতা অর্জন।

আহমদ রফিক একজন জাতীয় স্বীকৃত ভাষা সংগ্রামী। ১৯৫২ সালের যে ২১ ফেব্রুয়ারিকে হুমায়ুন আজাদ অভিহিত করেছেন- ‘আমাদের অঘোষিত স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে, সেই একুশ তারিখের দিনভর, তার পূর্ব ও পরবর্তী সকল ঘটনারই সম্মুখ সাক্ষী তিনি। সাতচল্লিশের দেশভাগোত্তর বিভাজিত পাকিস্তানের অখন্ড তার যে ইউটোপিয়া, তারই অনিবার্য সংক্রাম বায়ান্ন। আহমদ রফিক তখন দুই দশকের বয়ঃক্রম পেরিয়েছেন। বাম রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা শোষণ-বঞ্চনাজাত তাঁর সংগ্রামী চেতনাকে শাণিয়ে তুলছে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল অনমনীয় সাংস্কৃতিক সংরক্ষণবাদিতা। ফলে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে আহমদ রফিক অবতীর্ণ হন একজন দক্ষ ও দূরদর্শী সংগঠকের ভূমিকায়।

এই কিংবদন্তিতুল্য ভাষা সংগ্রামী বাংলা সাহিত্যের একজন প্রথিতযশা লেখকও। কবিতা, প্রবন্ধ, গবেষণায় সমান সমর্পিত তিনি। বাংলাদেশে রবীন্দ্রজীবন ও সাহিত্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন তিনি। এবং অবশ্যই ভাষা আন্দোলনস্পৃষ্ট গবেষণায়। তাঁর রচিত ‘ভাষা আন্দোলন : ইতিহাস ও তাৎপর্য’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গবেষণায় একটি আকরগ্রন্থ হিসেবে বিবেচনার দাবি রাখে। এ ধারারই সর্বশেষ সংযোজন ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’, শিল্পী কারু তিতাসের প্রচ্ছদশোভিত বইটি বেরিয়েছে ২০১৫’র একুশে বইমেলায়, অনিন্দ্য প্রকাশ থেকে।

আলোচ্য বইটিতে প্রাবন্ধিক কোন বৃহৎ পটভূমিকায় কাজ করেননি। বরং পরিসর কিছুটা সংক্ষিপ্ত। সাকুল্যে চব্বিশটি অধ্যায়ে নিষ্পন্ন হয়েছে বইটি। অধ্যায়গুলোর শিরোনামসমূহের ওপর একবার চোখ বুলিয়ে দেখা যেতে পারে- ‘মাতৃভাষার বহুমাত্রিক গুরুত্ব’, ‘বাংলা, বাঙালি নিয়ে পূর্বপাঠ’, ‘নবগঠিত পাকিস্তানি পূর্ববঙ্গে ভাষা-বিক্ষোভ’, ‘আটচল্লিশ-মার্চের ভাষা আন্দোলন’, ‘আটচল্লিশ থেকে একান্ন : প্রস্তুতিপর্ব’, ‘রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে নানা মুনির নানা মত’, ‘একুশের সূচনা : শুকনো বারুদে স্ফুলিঙ্গপাত’, ‘বিস্ফোরক একুশে ফেব্রুয়ারি’, ‘গুলিবর্ষণের প্রতিক্রিয়া ও হতাহতের সংখ্যা’, ‘সংবাদপত্রে একুশে ফেব্রুয়ারি’, ‘২২ ফেব্রুয়ারি : দেশজুড়ে গণ-আন্দোলন’, ‘শহীদস্মৃতি অমর করে রাখতে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’, ‘আন্দোলন ও প্রতিবাদ অব্যাহত’, ‘সরকারি চ-নীতি ও আন্দোলনের জোয়ার-ভাটা’, ‘ত্রাসের রাজত্ব কায়েম’, ‘মার্চের হরতাল : সফলতা-ব্যর্থতা’, ‘মার্চের আরো কিছু ঘটনা’, ‘নয়া সর্বদলীয় পরিষদ ও রাষ্ট্রভাষা প্রতিনিধি সম্মেলন’, ‘ঢাকার বাইরে ভাষা আন্দোলন’, ‘সুবিধাবাদী এলিস কমিশন’, ‘শহীদ দিবস পালন ও ছাত্র-জনচেতনার বিকাশ’, ‘ভাষা আন্দোলন : পূর্বপট ও মূল্যায়ন’, ‘ভাষা আন্দোলনের উত্তর-প্রভাব’ এবং ‘একুশে ফেব্রুয়ারি : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’। শিরোনামগুলো থেকে আমাদের বুঝে নিতে কষ্ট হয় না- ভাষা আন্দোলনের সময়ক্রমের ধারাবাহিকতা মেনে চলেছেন গ্রন্থকার। বর্ণনাগুলো যেন নিপুণভাবে ভিজ্যুয়ালাইজ্ড হয়ে উঠেছে আমাদের চোখের সামনে।

বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন নিয়ে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। যেমন, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমরের ‘ভাষা আন্দোলন প্রসঙ্গ কতিপয় দলিল’ ও ‘পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি’, বশীর আল হেলালের ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’, ড. রতনলাল চক্রবর্তীর ‘ভাষা আন্দোলনের দলিলপত্র’, শেখর দত্তের ‘কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহার ও সার্কুলাবাদির সংকলন’, আবদুল হকের ‘ভাষা আন্দোলনের আদিপর্ব’, আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের ‘ভাষা-আন্দোলনের আঞ্চলিক ইতিহাস’, ড. তসিকুল ইসলামের ‘বরেন্দ্র অঞ্চলে ভাষা আন্দোলন’, মামুন সিদ্দিকীর ‘কুমিল্লায় ভাষা আন্দোলন’, এম. আবদুল আলীমের ‘পাবনায় ভাষা আন্দোলন’, জামিল আখতার বীনুর ‘ভাষা আন্দোলনে নারী’ প্রভৃতি। ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত গ্রন্থগুলোর কোনটাই ভাষা আন্দোলন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরেনি, তাই এ গ্রন্থগুলো অসম্পূর্ণ। আহমদ রফিকের আলোচ্য বইটিকে বলা যেতে পারে সেসব গ্রন্থের সম্পূরক। লেখকের ভাষ্য মতে- ‘এই বই লেখার পেছনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ছাড়াও রয়েছে সে সময়কার দৈনিকপত্র, বিশেষ করে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য প্রতিবেদন, ভাষা আন্দোলনে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট নেতা-কর্মীদের অভিজ্ঞতালব্ধ নির্ভরযোগ্য বিবরণ, পুরান ঢাকার মহল্লাবাসী কয়েকজন ঢাকাই-যুবার বক্তব্য।’ এবং গ্রন্থকার বইটিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ কিছুটা নয়া আঙ্গিকে লেখা ভাষা আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত সার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সূচনা অধ্যায়ে গ্রন্থকার পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন কীভাবে ভাষাভাষিক জনগোষ্ঠীর মুক্তিসংগ্রামের প্রেরণা হয়ে ওঠে সেদিকে। তুলনামূলক বিচারে আয়ারল্যান্ড, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমারের স্বাধিকার আন্দোলনে জনগোষ্ঠীর ভাষিক চেতনার দিকটিও লেখক তুলে ধরতে চেয়েছেন। সে বর্ণনার সূত্র ধরেই আমরা জানতে পারি, ১৯৬১ সালে শিলচরে সূচিত বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ১১ জন সংগ্রামী পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। এভাবেই পৃথিবীতে অনেক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিজ মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নিরন্তর সংগ্রামরত। দ্বিতীয় অধ্যায়ে বাংলা ভাষা, বাঙালিত্বের চেতনা কিভাবে সংকীর্ণ স্বার্থ ও ধর্মবুদ্ধির বিভক্তিকরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গ্রন্থকার সেদিকটি তুলে ধরেছেন। এরপরই একের পর এক অধ্যায়জুড়ে বর্ণিত হয়েছে ভাষা আন্দোলনের সময়ানুক্রমিক ইতিহাস ও ঘটনাবলীর ধারাবাহিক বিবরণ।

বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা দানের আন্দোলন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্বেই শুরু হয়ে যায় এবং এই আন্দোলনে এস. ওয়াজেদ আলী, আবদুল হক, ড. মুহম্মদ এনামুল হক, ড. কাজী মোতাহার হোসেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মত লেখক-বুদ্ধিজীবী খুবই বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এই ভূখ-ে গড়ে ওঠে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ। এর বিরুদ্ধে সহিংস প্রতিরোধ তৈরি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এবং তাদের এদেশীয় কতিপয় চাটুকার মোসাহেবের দল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরবর্তী চার বছর ছিল আন্দোলন সংগঠিত ও সংহতকরণের প্রস্তুতিপর্ব। এই প্রস্তুতিপর্বের বিভিন্ন পর্যায়ে শাসকগোষ্ঠীর দমননীতি এদেশের ছাত্র-জনতাকে ক্ষেপিয়ে তোলে। জেল-জুলুম, নিপীড়ন-নির্যাতন কোনকিছুই তাদের স্লোগানমুখর কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে পারেনি। এরই বিস্ফোরক রূপ বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি।

কিন্তু গ্রন্থকার আহমদ রফিক একুশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকেননি, একুশ পরবর্তী দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও গণজাগরণের বিক্ষুব্ধতাকেও তুলে ধরেছেন পরবর্তী কয়েকটি অধ্যায়জুড়ে। শহীদদের পবিত্র স্মৃতিরক্ষার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা শহীদ মিনার, সেগুলোর ওপর সামরিক শাসকের হামলা, আন্দোলনের অপ্রতিরোধ্যতা এবং শেষ পর্যন্ত বাংলা ভাষার যুগপৎ উর্দুর সঙ্গে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা অর্জন- সবই উঠে এসেছে গ্রন্থকারের কলমে। ভাষা আন্দোলন নিয়ে আহমদ রফিক নিছকই ব্যক্তিগত স্মৃতিতর্পণ করেননি, একজন নির্মোহ দ্রষ্টার নিরপেক্ষতাও বজায় রেখেছিলেন শতভাগ। সবকিছুই রাজধানীকেন্দ্রিকতার এই ডামাডোলে ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরে গড়ে ওঠা উত্তুঙ্গ ভাষা আন্দোলনকেও সমান গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করেছেন। যেমন নারায়ণগঞ্জের আন্দোলনে মর্গান হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিশিষ্ট নেত্রী মমতাজ বেগমের সাহসী ভূমিকার কথা উঠে এসেছে। উঠে এসেছে ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে অনেক কৌতূহলোদ্দীপক তথ্যও। যেমন, এলিস কমিশনের বানোয়াট নাটক। সেই সঙ্গে উঠে এসেছে নিজের ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার রক্ষার্থে বাঙালির অদম্য মনোবল, স্থৈর্য ও সৎসাহসÑ যার কাছে বার বারই পরাজিত হয়েছে সহস্র কুটিল ষড়যন্ত্র। যার সর্বশেষ পরিণতি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ; স্বাধীন রাষ্ট্রে বাংলা ফিরে পায় তার পরিপূর্ণ মর্যাদা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে (১৯৭২) উল্লেখ করা হয় : ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।’ গ্রন্থকার আহমদ রফিক সর্বশেষ তিনটি অধ্যায়ে আমাদের বাঙালি জাতীয়তাবোধ সংরক্ষণ ও বিকাশে ভাষা আন্দোলন-উত্তর প্রভাবকে মূল্যায়ন করেছেন এবং বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেছেন। কিন্তু বইটি শেষ হয়েছে গ্রন্থকারের একটি অতৃপ্তি দিয়েÑ যেহেতু এখনও বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা চালু হয়নি, তাই আজ আবার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে আরেকটি ভাষা আন্দোলনের।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন নিয়ে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন, সেসব গ্রন্থ অত্যন্ত সুলিখিত ও গবেষণাধর্মী। কিন্তু সেগুলোর সঙ্গে আহমদ রফিকের এই বইটির ভিন্নমাত্রিক তাৎপর্য রয়েছে। সেটি হলোÑ বইটি একজন প্রত্যক্ষদর্শীই শুধু নয়, সরাসরি অংশগ্রহণকারীর লিখিত বয়ান ও বিবরণ। ফলে গ্রন্থটিতে পাঠক এমন অনেক অজানা তথ্য জানতে পারেন, যা শুধু অকুস্থলে উপস্থিত একজনের পক্ষেই জানানো সম্ভব। এই বইটিতে আহমদ রফিক এমন অনেক ঘটনার বিবরণ ও তথ্য দেন, যেগুলো অপ্রিয়। সমকালীন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের ও রাজনৈতিক দলসমূহের দ্ব্যর্থবোধক ভূমিকাও গভীর অভিনিবেশ ও অনুসন্ধিৎসায় তিনি তুলে এনেছেন। ভাষা আন্দোলনের সাফল্য, অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্ব এবং প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির রাজনৈতিক-সামাজিক কারণ ও পরিস্থিতির বিচার-বিশ্লেষণে আহমদ রফিক হয়ে উঠেছেন একজন নির্মোহ ঐতিহাসিক। বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলনের ব্যাপকভিত্তিক পাঠ নয়, অন্তত নির্যাসটুকু পেতে ভাষা সংগ্রামী-কবি-প্রাবন্ধিক-গবেষক-বুদ্ধিজীবী আহমদ রফিকের ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’ বইটি অবশ্যপাঠ্য হিসেবে পাঠকের বিবেচিত হতে পারে।

প্রকাশিত : ১২ জুন ২০১৫

১২/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: