আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

উত্তরা ব্যাংকের তিন কোটি টাকা উধাও, তদন্তে দুদক

প্রকাশিত : ১০ জুন ২০১৫, ১২:২৪ পি. এম.

স্টাফ রিপোর্টার ॥ উত্তরা ব্যাংকের নারায়নঞ্জ শাখা থেকে তিন কোটি টাকা উধাও হওয়ার ঘটনায় তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

উত্তরা ব্যাংকের নিতাইগঞ্জ শাখা থেকে ওই শাখায় জমা হওয়া টাকা উধাও হওয়ার ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৬ মে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নারায়নগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। মামলায় নারায়নগঞ্জ শাখার প্রধান ক্যাশ অফিসার মো. মোক্তার আলীকে আসামী করা হয়।

আর ওই মামলাটি তদন্ত করার জন্য দুদকের কাছে প্রেরণ করলে সংস্থাটি সম্প্রতি তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। চলতি বছরের ২১মে মামলাটি দুদকের কাছে প্রেরণ করা হয়। দুদকের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, সাধারণত যে কোন ব্যাংকের শাখায় অতিরিক্ত টাকা জমা হলে নিরাপত্তার স্বার্থে অর্থের একটি বড় অংশ সংশ্লিষ্ট শহরের প্রধান শাখায় জমা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরা ব্যাংকের নিতাইগঞ্জ শাখায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা জমা হওয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই ওই টাকা নারায়নগঞ্জ শাখায় প্রেরণ করতো।

ওই প্রক্রিয়ায় ২০১৪ সালের বিভিন্ন সময়ে চার থেকে পাঁচবারে নিতাইগঞ্জ শাখা কর্তৃপক্ষ তিন কোটি টাকা নারায়নগঞ্জ প্রধান শাখায় প্রেরণ করে। শাখার প্রধান ক্যাশ অফিসার মো. মোক্তার আলী টাকা গ্রহণও করেছেন এমন প্রমাণ রয়েছে। অথচ তিনি অস্বীকার করেন ওই টাকা তিনি গ্রহণ করেননি। তাই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করছেন ক্যাশ অফিসার মো. মোক্তার আলীসহ একটি চক্র ওই টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাত করেন।

দুদক সূত্র আরো জানায়, এই কারনে ২০১৪ সালের ১৬ মে ব্যাংকটির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. খায়রুল আলম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ মডেল থানায় মোক্তার আলীকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মামলার কোন সুরাহা করতে না পারায় শেষ পর্য্ন্ত এর তদন্তভার দুদককে প্রদান করে।

নারায়নগঞ্জ প্রধান শাখার ক্যাশ অফিসার মোক্তার আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. আবদুস সোবহান মামলাটি তদন্ত করছেন।

প্রকাশিত : ১০ জুন ২০১৫, ১২:২৪ পি. এম.

১০/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: