মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

৭৩৮ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে

প্রকাশিত : ১০ জুন ২০১৫, ০১:০৬ এ. এম.
  • সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ সম্প্রতি ভারত মহাসাগর এলাকায় মানবপাচারের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মালয়েশিয়ায় সাগর থেকে ৭৩৮ বাংলাদেশী ভাসমান অভিবাসন প্রত্যাশীদের উদ্ধার করা হয়েছে। আটকে পড়া অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশী হিসেব শনাক্তকারীদের আগামী এক মাসের মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য বেগম নুর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এ তথ্য জানান। সংসদে মন্ত্রীর দেয়া তথ্যানুযায়ী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব সময়ই বিদেশে উদ্ধারকৃত বাংলাদেশী নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এর অংশ হিসেবে আগামী এক মাসের মধ্যে সাগরে আটকে পড়া বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে আনা হবে।

মন্ত্রী জানান, আটকে পড়াদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মিশন সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কনস্যুলার এ্যাকসেসের মাধ্যমে বাংলাদেশী নাগরিকদের সাক্ষাতকার গ্রহণ করে তালিকা তৈরির কাজ করছে। একই সঙ্গে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্নকরণ, ট্রাভেল পারমিট ইস্যু ও প্রত্যাবসনে কাজ করছে।

বিদেশের কারাগারে ৭ হাজার বাংলাদেশী আটক ॥ সংসদ সদস্য মোঃ আবদুল্লাহর লিখিত প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে ৭ হাজার বাংলাদেশী নাগরিক আটক রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশী কারাগারে আটক বাংলাদেশীদের ব্যাপারে অবহিত রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব সময়ই বিদেশে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশী নাগরিকদের (জেলে আটকসহ) দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সকল প্রকার ব্যবস্থা করে থাকে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশ মিশনসমূহ প্রতিনিয়তই সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা ও আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উক্ত দেশের কারাগারে থাকা বাংলাদেশীদের দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে।

সরকারদলীয় সদস্য বেগম সানজিদা খানমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাস ও কর্মরত রোহিঙ্গারা বহু আগে থেকেই পরিচয় গোপন করে বাংলাদেশী পাসপোর্ট ব্যবহার করে সেসব দেশে প্রবেশ করেছে। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট নবায়ন এবং অন্যান্য কন্স্যুলার সেবা প্রদানে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে আছে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন দূতাবাসে পাসপোর্ট নবায়ন বা নতুন পাসপোর্টের আবেদন করে এবং ওই ব্যক্তির আচরণ রোহিঙ্গা প্রতীয়মান হলে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক প্রচলিত আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকাশিত : ১০ জুন ২০১৫, ০১:০৬ এ. এম.

১০/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: