রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মার্কিন সেনাবাহিনীর অ্যানথ্রাক্স পেয়েছে ৬৬ ল্যাব

প্রকাশিত : ৯ জুন ২০১৫, ১১:৫৮ এ. এম.

অনলাইন ডেস্ক ॥ যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে দেশে-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণাগার ও সামরিক ঘাঁটিতে অ্যানথ্রাক্স জীবাণু পাঠানোর আরো কয়েকটি ঘটনার কথা জানিয়েছে পেন্টাগন। খবর রয়টার্সের।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (পেন্টাগন) মুখপাত্র সেনা কর্নেল স্টিভ ওয়ারেন অ্যানথ্রাক্স পাঠানোর মোট ৬৬টি ঘটনার কথা জানিয়েছেন।

এর আগে প্রথমে দেশে-বিদেশের ২৪টি গবেষণাগার ও সামরিক ঘাঁটিতে, পরে দেশে-বিদেশের ৫১টি গবেষণাগার ও সামরিক ঘাঁটিতে ভুলবশত অ্যানথ্রাক্স জীবাণু পাঠানোর কথা জানিয়েছিল পেন্টাগন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ৬৬টিতে দাঁড়িয়েছে।

তাজা এসব অ্যানথ্রাক্স জীবাণু যুক্তরাষ্ট্রের ১৯ অঙ্গরাজ্যে, রাজধানী ওয়াশিংটনে ও তিনটি বিদেশি রাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়ারেন।

এসব অ্যানথ্রাক্সের নমুনা জীবাণু অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

পেন্টাগনের এই মুখপাত্র জানিয়েছেন, পাঠানোর সংখ্যা বাড়লেও তাজা অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর সংস্পর্শে আসার ঘটনার সংখ্যা বাড়েনি। আগের ওই ৩১ জনকেই শুধু পূর্বসতর্কতামূলক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে ভুল করে জীবাণুটির এসব তাজা নমুনা পাঠানো হয় বলে দাবি করেছে পেন্টাগন। এসব প্রাণঘাতী জীবাণু সাধারণ বাণিজ্যিক ডাকযোগে ১০ বছর ধরে পাঠানো হয়েছে।

জীবাণু পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি রাজ্যের সঙ্গে নতুন করে পেনসিলভানিয়ার নাম যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়ারেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই ১৮টি রাজ্য ছাড়াও দেশটির রাজধানী ওয়াশিংটন, দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার সামরিক গবেষণাগারে বা ঘাঁটিতে জীবাণুটির এসব তাজা নমুনা পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এসব ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

উটাহর ডাগওয়ে প্রোভিং গ্রাউন্ড সামরিক ঘাঁটির মান নিয়ন্ত্রণ সমস্যা থেকে দায়িত্বে অবহেলাজনিত অ্যানথ্রাক্স পাঠোনোর এসব ঘটনা ঘটেছে কিনা তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করছেন সিডিসির তদন্তকারীরা।

ঘটনাগুলো আশঙ্কাজনক হলেও এতে জনসাধারণের কোনো ঝুঁকি নেই বলে দাবি করেছেন পেন্টগনের কর্মকর্তারা।

এক আদেশে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনী নিজেদের সব গবেষণাগারকে আগে পাঠানো নির্জীব অ্যানথাক্স জীবাণুর নমুনাও পরীক্ষা করে দেখতে বলেছে। পরীক্ষা করা ছাড়া এসব নমুনা নিয়ে আর সব গবেষণা স্থগিত রাখারও আদেশ দেয়া হয়েছে।

জীবাণুঅস্ত্র নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা দায়িত্বে অবহেলাজনিত এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে সর্বাধুনিক আগাম সতকর্তা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

অ্যানথাক্স জীবাণুর সংস্পর্শে এলে ত্বকে জ্বালাপোড়া, পাকস্থলির গণ্ডগোল, বমিভাব ও জ্বর দেখা দেয়, এসব লক্ষণ প্রকাশের এক পর্যায়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

প্রকাশিত : ৯ জুন ২০১৫, ১১:৫৮ এ. এম.

০৯/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: