মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

সৌদি আরবে তরুণ যুবরাজের উত্থান

প্রকাশিত : ৯ জুন ২০১৫

সৌদি রাজপরিবারের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (২৯) চার মাস আগেও ব্যস্ত থেকেছেন শেয়ারবাজার ও রিয়াল এস্টেট ব্যবসা নিয়ে। বয়োজ্যেষ্ঠ তিন সৎভাইকে ডিঙ্গিয়ে সম্মুখে অগ্রসর হয়েছেন তিনি। সৎ তিন ভাই ছিলেন দেশে সবচেয়ে সুশিক্ষিত ও গুণসম্পন্ন। কিন্তু তাহলেও প্রথম আরব নভোচারী, অক্সফোর্ডের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মোহাম্মদ বিন সালমান এক সময় জড়িত ছিলেন জর্জটাউনে রিসার্চ ফেলো হিসেবে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি বৃহৎ বিনিয়োগ কোম্পানি এবং দায়িত্ব পালন করেন বেশ মর্যাদাবান একজন উপতেলমন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু এ সবই ছিল তাদের বাবা বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের (৭৯) সিংহাসনে আরোহণের আগে। বাদশাহর তৃতীয় ও সাম্প্রতিকতম স্ত্রীর জ্যেষ্ঠ পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ এখন উদীয়মান তারকা। তিনি যে কোন যুবরাজের চেয়ে অধিক ক্ষমতার অধিকারী হয়েছেন দ্রুত এবং ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপেসহ এ অঞ্চলে সৌদি আরবের নতুন দৃঢ়প্রত্যয়ী অবস্থানে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা গ্রহণে তিনি তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব প্রয়োগ করেছেন। বাদশাহ সালমানের অভিষেকের পর চারমাস যাবত রাষ্ট্রের একচেটিয়া তেল ব্যবসা, সরকারী বিনিয়োগ কোম্পানি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন প্রিন্স মোহাম্মদ। ইয়েমেনে সৌদি আরবের দুমাসের বিমানযুদ্ধে তিনি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নেতা। তার বাবা কয়েক ডজন বয়োজ্যেষ্ঠ যুবরাজের অতিক্রম করে তাে ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে অভিষিক্ত করেন সিংহাসন আরোহণে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে। বাদশা সালমান তার কনিষ্ঠ সৎভাই ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে যুবরাজ মুকরিন বিন আবদুল আজিজকে (৬৯) সরিয়ে দিয়েছেন এবং তার স্থলাভিষিক্ত করেছেন জনপ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফকে (৫৫)। সালমানের ভ্রাতুষ্পুত্র মোহাম্মদ বিন নায়েফের নিজের কোন পুরুষ উত্তরাধিকার নেই এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তাই এখন সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে দ্বিতীয় অবস্থানে রইলেন।

সৌদি আরব যখন আঞ্চলিক শান্তিশৃঙ্খলায় তাদের দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থনে সংঘাতে লিপ্ত এবং দেশটির প্রধান শত্রু ইরানকে প্রতিরোধে লিপ্ত রয়েছে ঠিক এমন সময়ে যুবক যুবরাজকে এ অবস্থানে আনা হলো। মধ্যপ্রাচ্য নীতি পরিষদের সভাপতি এবং সৌদি আরবে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ফোর্ড এম. ফ্র্যাকার বলেছেন, বাদশাহ তার ছেলেকে এক অবিশ্বাস্য অযৌক্তিক বাঁকে এনে দাঁড় করালেনÑ এটা স্পষ্ট।

-ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস

প্রকাশিত : ৯ জুন ২০১৫

০৯/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: