আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

প্রবাসী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য

প্রকাশিত : ৭ জুন ২০১৫

২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর থেকেই বাংলাদেশ স্কুল সাহাম, সালতানাত অব ওমান সাফল্যের চমক দেখিয়ে আসছে বিভিন্ন দিক থেকে। মাত্র ৩৫ শিক্ষার্থী ও চারজন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এর নানাবিধ সাফল্যের কারণে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে এবং বর্তমানে এ সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাকালে আমাদের জাতীয় শিক্ষাক্রমের বাংলা ভার্সন অনুসরণ করলেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং বাস্তবতা বিবেচনা করে প্রতিষ্ঠানটি একই কারিকুলামের ইংরেজী ভার্সনে পাঠদান শুরু করে যা এখনও বহাল আছে। ২০১২ সাল থকে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পাবলিক পরীক্ষায় যথা পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শুরু করে এবং এখন পর্যন্ত এ ক্ষেত্রে শতভাগ পাসের রেকর্ড বজায় রেখেছে। প্রতিষ্ঠাকাল বিবেচনায় এটি একটি শিশু প্রতিষ্ঠান হলেও সাফল্যের দিক থেকে ২০১৩ সাল থেকে প্রবাসের অপর ১০-১১টি প্রতিষ্ঠান যেখানে বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসরণ করা হয় সেগুলোকে ছাড়িয়ে প্রথম স্থান দখল করে রেখেছে। ২০১৪ সালে এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৪ জন শিক্ষার্থী পিএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪০ জন এ+ এবং বাকি চারজন এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। অপরদিকে একই বছরে ১৬ শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই এ+ পেয়ে চমক দেখিয়েছে। আর এ বছরে প্রথমবারে মতো সাত জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে সাতজনই এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

এ প্রতিষ্ঠানের এই অভূতপূর্ব সাফল্যের পেছনে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের প্রাণান্ত পরিশ্রম, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবগণের অকুণ্ঠ সহযোগিতা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বছরের শুরু থেকেই ফুলটাইম স্কুলিংয়ের আওতায় এনে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখে পাঠদান করা হয়, যার ফলে এমন উজ্জ্বল ফলাফল করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে।

শুধু পড়ালেখার ক্ষেত্রেই নয়, প্রবাসে বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক-বাহক ও চর্চার কেন্দ্র হিসেবে ইতোমধ্যেই এর পরিচিত ও সুনাম সমগ্র সালতানাত অব ওমান অতিক্রম করে প্রতিবেশী দেশের বাঙালী সম্প্রদায়ের মধ্যেও ছড়িয়ে গেছে। এ প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও উৎসবগুলোকে যেভাবে সাড়ম্বরে, উৎসবমুখর পরিবেশে এবং ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হয়।

মো. ছানোয়ারুল আলম

অধ্যক্ষ

প্রকাশিত : ৭ জুন ২০১৫

০৭/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: