কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

আগাথা ক্রিস্টির ভ্রমণ বইয়ের পুনর্মুদ্রণ

প্রকাশিত : ৫ জুন ২০১৫

রহস্য উপন্যাসের জন্য পাঠক মহলে বিখ্যাত হয়ে আছেন আগাথা ক্রিস্টি। তিনি যে একজন ভ্রমণপিপাসু ছিলেন- সেই খবর অনেকের কাছেই অজানা। ‘কাম, টেল মি হাউ ইউ লিভ’ শিরোনামের একটি বই প্রকাশ পায় ১৯৪৬ সালে। ১৯৩০ সালে সিরিয়ার বিভিন্ন প্রতœতাত্তিক স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ আসে তাঁর। স্বামী ম্যাক্স ম্যালাওনের কাজের সুবাদে সিরিয়া ও ইরাকের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দর্শনে বের হন তিনি। আসিরিয়ান শহর, মসুলের নিকটবর্তী শেখ আদির গম্বুজ এবং পালমায়রা ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে পরে প্রকাশিত হয় এ বইটি। এ বছরের আগস্ট মাসে বইটির পুনর্মুদ্রণ হবে বলে জানান প্রকাশক হার্পার কলিন্স। নতুন চল্লিশটি ছবিসহ এ বইটি নিয়ে ইতোমধ্যে পাঠকদের মধ্যে বেশ সাড়া পড়েছে বলেও জানান প্রকাশক। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আগাথা ক্রিস্টির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী। সেই উপলক্ষ্যকে সামনে রেখেই পাঠকদের কাছে তাঁকে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে।

শার্লক হোমসের হারিয়ে যাওয়া গল্প

শার্লক হোমসের হারিয়ে যাওয়া একটি গল্পের সন্ধান মিলেছে সম্প্রতি। ওয়াল্টার এলিয়ট নামের ৮০ বছর বয়সী এক ইতিহাসবিদ তাঁর বাড়ির চিলেকোঠা পরিষ্কার করতে গিয়ে গল্পটির সন্ধান পান। ‘শার্লক হোমস : ডিসকভারিং দ্য বর্ডার বার্গস অ্যান্ড, বাই ডিডাকশন, দ্য ব্রিগ বাজার’ শিরোনামের এ গল্পটি ছাপা হয়েছিল ‘দ্য বুক ও’দ্য ব্রিগ’ নামের একটি গল্প সংকলনে। আর্থার কোনান ডয়েল প্রায়ই স্কটল্যান্ডের সেলকির্ক শহরে বেড়াতে যেতেন। ১৯০২ সালের বন্যায় সেলকির্কের এট্রিক নদীর ওপর একটি কাঠের সেতু ধ্বংস হয়। সেতুটি নতুন করে গড়ার অর্থ সংগ্রহের জন্য স্থানীয়রা একটি ছোট গল্পের সংকলন বাজারে বিক্রি করার উদ্যোগ নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে ডয়েলও তাতে ১৩শ’ শব্দের একটি গল্প দেন। গল্পটি ওই একবারই প্রকাশিত হয়েছিল। ওয়াটসনকে সঙ্গে নিয়ে শার্লক হোমস সেলকির্কে বেড়াতে আসছেন। এই ছিল সেই ছোট গল্পের বিষয়বস্তু। সেলকির্কের একটি মিউজিয়ামে রাখা হয়েছে বইটি।

ডিএসসি পুরস্কার পেলেন ঝুম্পা লাহিড়ী

এ বছরের ডিএসসি দক্ষিণ এশীয় সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন ভারতীয় মার্কিন লেখক ঝুম্পা লাহিড়ী। ‘দ্য লোল্যান্ড’ উপন্যাসের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান। ষাটের দশকে ভারতে নকশাল আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতার একটি পরিবারের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসটিতে। দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে ইংরেজিতে লেখা কিংবা অনূদিত বইয়ের ওপর এ পুরস্কার দেওয়া হয়। সম্প্রতি ভারতের জয়পুর সাহিত্য উৎসবে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। কিন্তু ঝুম্পা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। বিচারকমন্ডলীর চেয়ারপারসন কেকি এন দারুওয়াল্লা ‘দ্য লোল্যান্ডকে’ গদ্যে সংযত ব্যবহারে অসামান্য উপন্যাস বলে অভিহিত করেন। এ বছরের সংক্ষিপ্ত তালিকার অন্য বইগুলো ছিল- শামসুর রহমান ফারুকির ‘দ্য মিরর অব বিউটি’, বিলাল তানউয়িরের ‘দ্য স্ক্যাটার হিয়ার ইজ টু গ্রেট’, কামিলা শামসির ‘অ্যা গড ইন এভরি স্টোন’ ও রমেশ গুনেসেকারার ‘নুনটাইড টৌল’। এর আগে এ পুরস্কার পান পাকিস্তানের এইচ এম নাকভি, শ্রীলঙ্কার শেহান করুনাতিলকা, ভারতের জিৎ থাইল ও সাইরাস মিস্ত্রি।

গদ্য আচার্য

ইন্টারনেট অবলম্বনে

প্রকাশিত : ৫ জুন ২০১৫

০৫/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: