মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সিল্ক, হাফ্সিল্ক, সুতি, মাদ্রাজী কাতান, জুট কাতান, জামদানি সিল্কসহ আরও কিছু

প্রকাশিত : ৫ জুন ২০১৫
  • -মনেমন্টু বসাক (ডিজাইনার)

ঈদে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ির কদর যুগ যুগ ধরে লক্ষণীয়। আর এই আবেদনের কথা মাথায় রেখেই টাঙ্গাইল শাড়ির অন্যতম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ঈদ উপলক্ষে বহুমাত্রিক রুচিশীল ডিজাইনের শাড়ি তৈরির কাজে পাড় করছে প্রচ- ব্যস্ত প্রহর! এই ব্যস্ততা চলবে ঈদ উদ্যাপনের দিন কয়েক আগ পর্যন্ত।

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরে সরবরাহের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল শাড়ি প্রস্তুতের চলছে ব্যাপক আয়োজন। ঈদে টাঙ্গাইল শাড়ির চাহিদা, ডিজাইন এবং অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় টাঙ্গাইল শাড়ির অন্যতম প্রস্তুতকরী প্রতিষ্ঠান ‘মনেমন্টুর শাড়ি’র কর্ণধার কাম ফ্যাশন ডিজাইনার মনেমন্টু বসাকের সঙ্গে।

উল্লেখ্য, ‘মনেমন্টুর শাড়ি’র রয়েছে দীর্ঘদিনের খ্যাতি ও সুনাম। মনেমন্টুর শাড়ি যেমন ঢাকার প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন হাউসসহ সারাদেশের খ্যাতনামা বুটিকশপে পাওয়া যায়। তেমনি টাঙ্গাইল শহরেও রয়েছে তাদের তিনটি নিজস্ব শোরুম। সেখান থেকেও শাড়ি সংগ্রহ করা যেতে পারে। ঈদকে সামনে রেখে কতটা প্রস্তুত সে প্রসঙ্গে মনোমন্টু-বসাক বলেন, আমাদের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন। কারণ শাড়ি তৈরি একটা টিম ওয়ার্কের বিষয়। এই টিম ওয়ার্ক শুরু করতে হয় কমপক্ষে তিন থেকে চার মাস আগে। না হলে ঈদের চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। কেননা শাড়ির বুনন থেকে শুরু করে ডিজাইন, আনুষাঙ্গিকতা এবং বাজারজাত করা পর্যন্ত বেশ কিছু স্তর অতিক্রম করে অত্যন্ত যত্ম নিয়ে সুনাম এবং মানের বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করতে হয়।

কোন আঙ্গিকের শাড়ি এবার ঈদে ক্রেতার হাতে তুলে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন- জানতে চাইলে মনেমন্টু বলেন, আধুনিক ডিজাইন এবং দেশীয় ঐতিহ্যের বিষয় সংবলিত বেশ কিছু নতুন ফর্মেটের শাড়ি এবার রয়েছে ঈদ সেশনে। যার মধ্যে বিভিন্ন রং ও ডিজাইনের সিল্ক, হাফ্সিল্ক, সুতি, মাদ্রাজি কাতান, জুট কাতান, জামদানি সিল্কসহ আরও কিছু চমৎকার আঙ্গিকের শাড়ি। শাড়ির মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাঁচামালের দাম, সুতার দাম এখন পূর্বাপেক্ষা অনেক বেশি। তবুও শাড়ির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার আপ্রাণ প্রচেষ্টা আমাদের থাকে। এই ঈদেও সে বিষয়টা সামনে রেখে সব আয়োজন আমরা সুসম্পন্ন করেছি। মনেমন্টু বলেন, আমাদের ফ্যাক্টরি তথা দেলদুয়ারের পাথরাইলে যেমন আমাদের শাড়ির বিপণনের সুব্যবস্থা রয়েছে, তেমনি টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন আদালতপাড়া সড়কে রয়েছে আমাদের তিনটি শোরুম। এর মধ্যে দুটি হলো আমাদের তৈরি শাড়ির শোরুম। যেখান থেকে দেশের যে কেউ সহজে শাড়ি সংগ্রহ করতে পারেন। পাশাপাশি রয়েছে দেশী-বিদেশী ড্রেস কালেকশনের জন্য তৃতীয় শোরুম হিপ্স অয়্যার। সর্বোপরি বিভিন্ন উৎসবে টাঙ্গাইল শাড়ির চাহিদা সামনে রেখে আমরা শাড়ি তৈরি করি। সারাদেশে যেমন রয়েছে আমাদের বিশাল ক্রেতা। তেমনি কোলকাতাতেও আমাদের শাড়ির রয়েছে এক ভিন্ন ইমেজ। সাধারণ রমণী থেকে কলকাতার সেলিব্রেটিরদের কাছে আমাদের শাড়ির আবেদন অপরিসীম। সব মিলিয়ে ঈদকে সামনে রেখে আমাদের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ঈদ কালেকশনের জন্য স্পেশাল শাড়ি বিপণন শুরু হবে। আশা করি অন্যান্য বারের মতো এই ঈদেও আমাদের নতুন ডিজাইনের শাড়ি থাকবে পছন্দের শীর্ষে এবং সবার কাছেই হবে সমাদৃত।

প্রকাশিত : ৫ জুন ২০১৫

০৫/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: