আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্ভাব্য আকার ৩ লাখ ৩৭০ কোটি টাকা ॥ কর্মসংস্থানমুখী বাজেট

প্রকাশিত : ৩০ মে ২০১৫
  • প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ
  • প্রথমবারের মতো শিশু বাজেট
  • ছিটমহলের জন্য থোক বরাদ্দ
  • কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

এম শাহজাহান ॥ এবার বড় আয়-ব্যয়ের কর্মসংস্থানমুখী বিশাল বাজেট চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাজেটের সম্ভাব্য আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৭০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সামনে রেখে দিন বদলের অঙ্গীকারের সনদ ‘রূপকল্প-২০২১’ ঘোষণা করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত এবং মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। সরকারের এই লক্ষ্যমাত্রা ও স্বপ্ন পূরণে তৈরি করা হচ্ছে এবারের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট। আগামী ৪ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। প্রস্তাবিত বাজেটে মানবসম্পদ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়ন। এর পরে রয়েছে বিদ্যুত, জ্বালানি, সড়ক, রেলপথ ও বন্দরসহ সার্বিক ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন। এছাড়া এবারই প্রথম শিশু বাজেট দেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

জানা গেছে, প্রবৃদ্ধি অর্জনে দীর্ঘ সময়ের বৃত্ত ভেঙ্গে আগামী অর্থবছরে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের বাস্তবভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন অর্থমন্ত্রী। লক্ষ্য অর্জনে বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ঘোষণাও থাকবে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়। ইতোপূর্বে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েও তা অর্জন করতে না পারায় এবার লক্ষ্যমাত্রাই কমিয়ে ধরা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। চার বছর ধরে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নিলেও বাস্তবে ৬ শতাংশের ছকেই তা আটকে আছে। এবার এই ছক থেকে বেরোতে চান অর্থমন্ত্রী। তাই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ধরা হচ্ছে। এছাড়া টাকার মূল্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পরিমাণ হচ্ছে ১৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। আর আগামী অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে চলছে এখন শেষ মুহূর্তের ঘষামাজা। তারপরও ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হওয়ার আগে সংসদ সদস্যদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৭০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে মূল বাজেট ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের চেয়ে আগামী অর্থবছরের

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার বাড়ছে প্রায় ১৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জনকণ্ঠকে বলেন, এবারের বাজেটের আকার ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি করা হচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে এবারের বাজেট তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এজন্য ব্যয় মেটাতে কর না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। বর্তমান সরকারের মেয়াদে ৫ লাখ কোটি এবং আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাজেটের আকার ৭ লাখ কোটি টাকা হবে বলেও অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ॥ বাজেটের বিশাল ব্যয় মেটাতে নতুন অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এনবিআর-নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য থাকবে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এনবিআর-বহির্ভূত আদায় ও বিভিন্ন ফি মিলিয়ে ৩৫ হাজার এবং বৈদেশিক অনুদান হিসেবে আসবে আরও ৭ হাজার কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে করের হার না বাড়িয়ে এর আওতা বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করা হবে। তাছাড়া বাড়তি কর আদায়ের চাপ সামলাতে আসছে বাজেটে সব ধরনের পণ্য রফতানির উপর উৎসে কর হার বাড়ানো হচ্ছে। তার মধ্যে রফতানির প্রধান খাত গার্মেন্টস রফতানির উৎসে কর হার ৫ গুণ বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাব থাকছে প্রাতিষ্ঠানিক গাড়ির ওপর কর আরোপের। এছাড়া সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের পাশাপাশি বোনাস-ভাতাকেও করের আওতায় আনার প্রস্তাব থাকছে আসছে বাজেটে।

ব্যয়ের খাত ॥ আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অনুন্নয়নসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকা। অনুন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে থাকছে সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৪২ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা, সরবরাহ ও সেবা খাতে ২০ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা, ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ৩৫ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা, সরকারী প্রণোদনা, ভর্তুকি ও নগদ ঋণ বাবদ ২৪ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাতে ৭৫ হাজার ৩১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়া এবার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজেদের প্রকল্প রয়েছে ৩ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা।

বাজেটে ঘাটতি অর্থায়ন ॥ এবারের বাজেটে ঘাটতি অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৮৬ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা। এ ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ৩০ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে সরকার। বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা, বৈদেশিক অনুদান হচ্ছে ৬ হাজার কোটি টাকা এবং ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেয়া হবে ৫৫ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে নেয়া হবে ৩৮ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

বাজেটে অগ্রাধিকার পাচ্ছে যেসব খাত ॥ প্রস্তাবিত বাজেটে মানবসম্পদ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে। অগ্রাধিকারের তালিকায় শীর্ষে থাকছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়ন। দ্বিতীয় অগ্রাধিকার পাচ্ছে বিদ্যুত, জ্বালানি, সড়ক, রেলপথ ও বন্দরসহ সার্বিক ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন। কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানে থাকছে তৃতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে। চতুর্থ অগ্রাধিকার তালিকায় থাকছে সরকারী সেবা প্রদানে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ উৎসাহিত করার পদক্ষেপ থাকছে আসছে বাজেটে।

এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (পিআরআই) ড. আহসান এইচ মুনসুর জনকণ্ঠকে বলেন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও বিনিয়োগ বাড়িয়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। এজন্য আসছে বাজেটে কারিগরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দেশে বিপুল সংখ্যক গ্রাজুয়েশনধারী বেকার রয়েছে কিন্তু তারপরও আমাদের পোশাক খাতে ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা থেকে দক্ষ মানব সম্পদ আনতে হচ্ছে। আগামী বাজেটে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া প্রয়োজন।

উচ্চ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা ॥ কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। আগামী ২০১৯-২০ সালে এ প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময় শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করবেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেটে ভর্তুকি ॥ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে নগদ সহায়তা দিতে আগামী বাজেটে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ২৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে ২৪ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ হিসাবে বাজেটে ভর্তুকি ব্যয় বাড়ছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটে নতুন বিষয় ॥ প্রথমবারের মতো শিশু বাজেট দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মোট চারটি মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই বাজেট দেয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই শিশু বাজেটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এছাড়া ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে। ওই গুলোতে ১৪ হাজার মানুষ বসবাস করেন। তাই ছিটমহলবাসীদের জন্য বিদ্যালয়, রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা করবে সরকার। বাজেটে এ বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা থাকছে।

করপোরেট ট্যাক্সে বড় ছাড় ॥ শিল্পে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য করপোরেট করে বড় ধরনের ছাড় দিতে যাচ্ছে সরকার। এ ক্ষেত্রে টেলিকম খাতের তালিকা বহির্ভূত কোম্পানির জন্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ কর কমিয়ে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হতে পারে। তাছাড়া আমদানি পর্যায়ে ৩৫০ পণ্যের ওপর গড়ে ৫ থেকে ৮ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক কমতে পারে। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমদানি পর্যায়ে ক্রমান্বয়ে সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে আনতে আইএমএফের কাছে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে আনার ঘোষণা থাকছে।

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ॥ অপ্রদর্শিত বৈধ অর্থ সাদা করার স্থায়ী বিধান চালু করতে বিদ্যমান আয়কর আইনে নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে। অর্থনীতিতে সৃষ্ট অপ্রদর্শিত অর্থ সবসময় যাতে প্রদর্শন করা যায়, সে উদ্দেশ্যেই জরিমানার বিধান রেখে আয়কর অধ্যাদেশে ১৯ (ই) নামে নতুন একটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে অর্থ আইন-২০১২ এর চতুর্থ অধ্যায়ে। নতুন এই ধারা সংযোজনের ফলে এখন স্ব-প্রণোদিত হয়েই এ সুযোগ নিতে পারবেন যে কোন করদাতা। এটি আসছে নতুন অর্থবছরেও বহাল থাকছে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়ছে ॥ আসন্ন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় আসছেন প্রায় সাড়ে ৪৬ লাখ উপকারভোগী। দেশের গরিব মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়, এমন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী গ্রহণ করার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে আগামী বাজেটে। এই ধরনের সুরক্ষা কর্মসূচীর ফলে একদিকে সুবিধাভোগী ব্যক্তির আয় বাড়বে, অন্যদিকে সে সম্পদ সৃষ্টি করে জীবনমানের উন্নতি ঘটাতে পারবে। এজন্য আগামী বাজেটে সামাজির নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

প্রকাশিত : ৩০ মে ২০১৫

৩০/০৫/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: